বিশেষ প্রতিবেদন | শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
১৯৭১-এর চূড়ান্ত মুহূর্তে জাতির মুক্তির জন্য জীবনদানকারী শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা
স্টাফ রিপোর্ট | ঝিনাইদহ
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত পর্যায়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দেশীয় দোসররা পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান—শিক্ষক, সাংবাদিক, চিকিৎসক, সাহিত্যিক ও চিন্তাবিদদের। বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করে স্বাধীন বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা থামিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা হিসেবেই এই নির্মম হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়।
এই মর্মান্তিক অধ্যায়ের স্মরণে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে জাতির মুক্তির জন্য জীবনদানকারী সকল শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
বিএনপির নেতৃবৃন্দ বলেন,
“শহীদ বুদ্ধিজীবীরা শুধু একটি দিনের ইতিহাস নন—তাঁরা বাংলাদেশের চেতনা, আত্মা ও ভবিষ্যতের দিশারি। তাঁদের আত্মত্যাগের বিনিময়েই আমরা পেয়েছি একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র।”
বক্তারা আরও বলেন,
গণতন্ত্র, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও জাতীয় ঐক্যের প্রশ্নে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আদর্শ আজও প্রাসঙ্গিক। বর্তমান প্রজন্মের কাছে তাঁদের ইতিহাস তুলে ধরা এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে যথাযথ সম্মান নিশ্চিত করা জরুরি।
ঝিনাইদহ-৩ আসনের কোটচাঁদপুর ও মহেশপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়। নেতাকর্মীরা শহীদ বুদ্ধিজীবীদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে তাঁদের আদর্শ অনুসরণের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
শেষে বক্তারা বলেন,
“দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্বপ্নের বাংলাদেশ—গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানুষের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠায় অবিচল থাকবে।”