পাভেল ইসলাম মিমুল:
রাজশাহী নগরীর উপশহর ২ নম্বর সেক্টরে শামিম পারভেজ বাদল নামে এক ব্যক্তির দগ্ধ হয়ে মৃত্যুর ঘটনায় নতুন করে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।
পরিবারের পক্ষ থেকে এটিকে অপমৃত্যু হিসেবে দেখা হলেও,ঘটনাটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হতে পারে—এমন অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,গত ৩০ আগস্ট সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপশহরের কালাইঘর এলাকার একটি বাসায় সিগারেটের আগুনে শামিম পারভেজ বাদল দগ্ধ হন। পরে একই বাসার ওপরের ভাড়াটিয়ার ছেলে,বাসার কাজের মেয়ে ও আরও কয়েকজন তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
তবে মৃত্যুর কারণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের দাবি,ঘটনাটিকে মাদক গ্রহণের সঙ্গে সম্পৃক্ত করার চেষ্টা করা হলেও বাসার কাজের মেয়ের বক্তব্যে সিগারেটের আগুনে দগ্ধ হওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে। ফলে বাদলের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।
ঘটনার বিষয়ে সরেজমিন তথ্য সংগ্রহে গেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে থাকা কয়েকজনকে বাধা ও হেনস্তার অভিযোগও উঠেছে।
অভিযোগকারীদের দাবি,সুরাইয়া ফজি নাজমিন সুলতনা রুমা (৪৫) ও ড. এমদাদুল রহমান (৭০)সহ কয়েকজন সাংবাদিকদের সঙ্গে মারমুখী আচরণ করেন এবং পরে বক্তব্য দেওয়ার কথা বলে ডেকে হেনস্তা করেন।
অভিযোগকারীদের প্রশ্ন—শামিম পারভেজ বাদলের মৃত্যু যদি নিছক দুর্ঘটনা হয়ে থাকে,তাহলে ঘটনাটির প্রকৃত তথ্য অনুসন্ধানে কেন বাধা দেওয়া হলো?
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই এবং বাদলের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি উঠেছে। ময়নাতদন্ত,চিকিৎসা প্রতিবেদন,ঘটনাস্থলের আলামত ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য বিশ্লেষণ করলেই মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য বেরিয়ে আসতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।