• বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০২:২৭ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
গাজীপুরে মেট্রিক্স গার্মেন্টসে আগুন, ৬৭ জনকে জীবিত উদ্ধার আটতলা ভবনের তৃতীয় তলায় অগ্নিকাণ্ড, আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৯টি ইউনিট ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক চেতনায় বেনাপোলকে আধুনিক সীমান্ত নগরী গড়ার প্রত্যয়, জনআস্থার রাজনীতিতে আবু তাহের ভারত এমপি মাজেদ বাবুর বিরুদ্ধে হত্যার ষড়যন্ত্র ও হলফনামায় জালিয়াতির অভিযোগ হাসিনার সেই ‘৪০০ কোটির পিয়ন’ জাহাঙ্গীর: অনুসন্ধান থেকে ১০০ কোটি টাকা পাচারের মামলা, দুই বছরে কতদূর তদন্ত? পরিচয় নিয়ে নতুন বিতর্ক, কোন পক্ষ কতটা যৌক্তিক? ১৭ বছর আওয়ামী লীগের এমপির ‘ছায়াতল’ ও লটারির নাটক: পঞ্চগড়ে চালের ডিলারশিপ বাগিয়ে নেওয়া হাইব্রিড বিএনপি নেতা একরামুল হক মুন্না যশোরে আওয়ামী লীগের নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগের প্রতিবাদে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ হঠাৎ ‘স্যরি’ বলল প্রথম আলো, কেন এই ক্ষমা চাওয়া? সামনে এলো আসল কারণ কবিতা, কলম ও রাষ্ট্রচিন্তায় বহুমাত্রিক পথচলা: কবি অথই নূরুল আমিনের জীবন, সাহিত্যকর্ম ও মানবিক উদ্যোগের বিস্তৃত অধ্যায় মাগুরায় যুবদল নেতা সাকের হোসেন হত্যাকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর মোড় রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ, জাপান সফরের সাফল্য ও দ্বিপক্ষীয় চুক্তি নিয়ে আলোচনা

কেশবপুরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদ করায় বিএনপি নেতা আহত হামলার অভিযোগ, থানায় মামলা; অভিযোগ ওঠার পরও অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার না হওয়ায় প্রশ্ন—পুলিশের পদক্ষেপের অপেক্ষায় স্থানীয়রা

হাফিজুর রহমান / ২০০ Time View
Update : সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

 

কেশবপুরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদ করায় বিএনপি নেতা আহত

হামলার অভিযোগ, থানায় মামলা; অভিযোগ ওঠার পরও অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার না হওয়ায় প্রশ্ন—পুলিশের পদক্ষেপের অপেক্ষায় স্থানীয়রা

যশোর প্রতিনিধি: হাফিজুর রহমান

যশোরের কেশবপুরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে কথিত কটূক্তিমূলক মন্তব্যের প্রতিবাদ করাকে কেন্দ্র করে তবিবুর রহমান নামে এক বিএনপি নেতা হামলার শিকার হয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। আহত তবিবুর রহমান উপজেলার ১১ নম্বর হাসানপুর ইউনিয়ন বিএনপির দপ্তর সম্পাদক। বর্তমানে তিনি কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে।

১৩ সেপ্টেম্বর রাতে উপজেলার আওয়ালগাতী বাজার এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে ভুক্তভোগী পক্ষ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। ঘটনার পর কেশবপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। তবে মামলা দায়েরের পরও অভিযোগে নাম আসা ব্যক্তিদের এখনো গ্রেপ্তার না করায় স্থানীয় রাজনৈতিক মহল ও ভুক্তভোগী পক্ষের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে—মামলা হওয়ার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরবর্তী পদক্ষেপ কী এবং অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে বিলম্বের কারণই বা কী?

এদিকে কেশবপুর মজনু হুসাইন যশোর জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি এবং উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক কৃষ্ণ চ্যাটার্জির সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঘটনাটিকে তিনি রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত উদ্বেগজনক হিসেবে দেখছেন। তার দাবি, এলাকায় জামায়াত ও আওয়ামী লীগের কিছু ব্যক্তির মধ্যে এমন একটি প্রভাব বা রাজনৈতিক তৎপরতা তৈরি হয়েছে, যার কারণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করার সাহস কেউ কেউ পাচ্ছে।

কৃষ্ণ চ্যাটার্জি বলেন, ঘটনার সময় তারা তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিবাদ করেন এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, অভিযুক্তদের প্রতিহত করার চেষ্টা করা হলে তারা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। তবে তার বক্তব্যের এসব রাজনৈতিক অভিযোগ স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

চায়ের দোকানের মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিরোধ

ভুক্তভোগী ও স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কেশবপুর উপজেলার কাবিলপুর গ্রামের মৃত মকসেদ সরদারের ছেলে লুৎফর রহমানকে কেন্দ্র করে ঘটনার সূত্রপাত। স্থানীয়ভাবে তাকে ১১ নম্বর হাসানপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, আওয়ালগাতী বাজারে আতিয়ার রহমানের চায়ের দোকানে বসে লুৎফর রহমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর ও কটূক্তিমূলক মন্তব্য করেন। বিষয়টি তবিবুর রহমানের নজরে এলে তিনি এর প্রতিবাদ জানান বলে দাবি করেছে ভুক্তভোগী পক্ষ।

এ নিয়ে ১২ সেপ্টেম্বর বিকেলে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয় বলে স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য। পরে ১৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যার পর বিষয়টি আবারও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

পথরোধ করে মারধরের অভিযোগ

ভুক্তভোগী পক্ষের অভিযোগ, ১৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যার পর আওয়ালগাতী বাজারের উত্তর পাশে নান্নুর চায়ের দোকানের সামনে তবিবুর রহমানের পথরোধ করা হয়।

অভিযোগে বলা হয়েছে, লুৎফর রহমানের নির্দেশে কয়েকজন ব্যক্তি সেখানে জড়ো হয়ে তবিবুর রহমানের ওপর হামলা চালান। তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয় এবং এতে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত ও রক্তাক্ত জখম হয় বলে দাবি করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী পক্ষ আরও দাবি করেছে, হামলায় সাঈদ, সেলিম, সিদ্দিক সরদার, শাহাজাহান সরদার ও গুনজুর সরদারসহ কয়েকজন জড়িত ছিলেন। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১৫ জন ব্যক্তি হামলায় অংশ নিয়েছেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

তবে অভিযোগে নাম থাকা প্রত্যেক ব্যক্তির হামলায় প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততা এবং ঘটনাটির পূর্ণাঙ্গ বিবরণ স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে পুলিশি তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন।

কৃষ্ণ চ্যাটার্জির বক্তব্যে নতুন প্রশ্ন

ঘটনার বিষয়ে কেশবপুর উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক কৃষ্ণ চ্যাটার্জির সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, এলাকায় জামায়াত ও আওয়ামী লীগের কিছু ব্যক্তির তৎপরতা নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন। তার দাবি, এ ধরনের রাজনৈতিক পরিবেশের কারণেই কেউ কেউ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করার সাহস পাচ্ছে।

তিনি আরও দাবি করেন, ঘটনার সময় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। তাদের প্রতিরোধের মুখে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় বলে তিনি দাবি করেন।

কৃষ্ণ চ্যাটার্জির বক্তব্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় কেশবপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলে জানা গেছে।

তবে এলাকায় জামায়াত বা আওয়ামী লীগের কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে যে রাজনৈতিক অভিযোগ করা হয়েছে, তার স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্রমাণ এই প্রতিবেদকের হাতে পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক পক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

মামলা হয়েছে, তাহলে গ্রেপ্তার কেন নয়?

ঘটনার পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে—মামলা দায়েরের পরও অভিযোগে নাম থাকা ব্যক্তিরা কেন এখনো গ্রেপ্তার হননি?

ভুক্তভোগী পক্ষের দাবি, হামলার ঘটনায় তারা প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নিয়েছেন। অভিযোগে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় ও নামও সংশ্লিষ্টদের কাছে রয়েছে বলে তারা দাবি করছেন। এমন পরিস্থিতিতে মামলার পর পুলিশ তদন্ত করে যদি অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পায়, তাহলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার প্রত্যাশা করছেন তারা।

অন্যদিকে পুলিশ কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করবে কি না, সেটি তদন্ত, অভিযোগের ধরন, প্রাথমিক তথ্য-প্রমাণ এবং আইনগত প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করে। ফলে শুধু অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে অপরাধী হিসেবে চূড়ান্তভাবে ঘোষণা করা যায় না। তবে মামলা দায়েরের পর তদন্তের অগ্রগতি কী, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনো প্রাথমিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না এবং গ্রেপ্তারে কোনো আইনগত বা তদন্তগত কারণ রয়েছে কি না—এসব বিষয়ে পুলিশের পরিষ্কার বক্তব্য জনসম্মুখে আসা জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

পুলিশের পদক্ষেপের অপেক্ষায় ভুক্তভোগী পক্ষ

ঘটনার পর আহত তবিবুর রহমানকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে।

ভুক্তভোগী পক্ষের দাবি, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে; কিন্তু কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে উপস্থাপন করাই সঠিক পথ। একইভাবে কোনো রাজনৈতিক নেতার বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগ থাকলেও তার জবাব আইনগত ও সাংগঠনিকভাবে দেওয়া উচিত। হামলা, মারধর বা ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

স্থানীয়দের কেউ কেউ বলছেন, একটি ঘটনার পর যদি দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত না হয়, তাহলে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে। এতে সাধারণ মানুষও নিরাপত্তাহীনতায় পড়তে পারেন। তাই প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন, হামলায় জড়িতদের শনাক্তকরণ এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে।

অভিযুক্তদের বক্তব্যও গুরুত্বপূর্ণ

এ ঘটনায় অভিযোগে নাম আসা লুৎফর রহমানসহ অন্য ব্যক্তিদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সত্য কি না, তারা হামলার সঙ্গে জড়িত ছিলেন কি না এবং ঘটনাটির বিষয়ে তাদের বক্তব্য কী—তা জানার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা সমান গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে। কারণ একটি সংবাদ প্রতিবেদনে অভিযোগের পাশাপাশি অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য ও পুলিশের তদন্তের ফলাফলও জনসমক্ষে আসা প্রয়োজন।

পুলিশের কাছে কয়েকটি প্রশ্ন

ঘটনার পর কেশবপুর থানায় মামলা হয়েছে বলে ভুক্তভোগী পক্ষ জানিয়েছে। এখন স্থানীয়দের প্রত্যাশা, পুলিশ দ্রুত জানাবে মামলাটির বর্তমান অবস্থা কী, তদন্ত কর্মকর্তা কে, অভিযোগে নাম থাকা ব্যক্তিদের বিষয়ে কী ধরনের তদন্ত চলছে এবং এখনো কাউকে গ্রেপ্তার না করার পেছনে কোনো আইনগত বা তদন্তগত কারণ রয়েছে কি না।

একই সঙ্গে ঘটনাস্থলের প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, আশপাশের দোকান বা প্রতিষ্ঠানের সিসিটিভি ফুটেজ, চিকিৎসা সংক্রান্ত নথি এবং অন্যান্য সম্ভাব্য তথ্য-প্রমাণ যাচাই করা হলে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার আহ্বান

কেশবপুরে রাজনৈতিক মতপার্থক্যকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি না করার আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন মহল। তাদের মতে, কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তি বা সংগঠনের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হওয়া উচিত।

তবিবুর রহমানের ওপর হামলার অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পক্ষ। একই সঙ্গে নিরপরাধ কেউ যেন হয়রানির শিকার না হন, সেটিও নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

এদিকে মামলা হওয়ার পরও এখন পর্যন্ত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার না হওয়ায় যে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে, তার উত্তর দেওয়ার দায়িত্ব এখন সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর। তদন্তের স্বচ্ছতা, দ্রুততা এবং নিরপেক্ষতার মাধ্যমেই সেই প্রশ্নের উত্তর মিলতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

ঘটনার পর এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসন ও পুলিশ কার্যকর পদক্ষেপ নেবে—এমন প্রত্যাশা এলাকাবাসীর।

দৈনিক বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ
The Voice of People | জনতার কণ্ঠস্বর


More News Of This Category
bdit.com.bd