• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:২৪ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
গাজীপুরে মেট্রিক্স গার্মেন্টসে আগুন, ৬৭ জনকে জীবিত উদ্ধার আটতলা ভবনের তৃতীয় তলায় অগ্নিকাণ্ড, আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৯টি ইউনিট যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের বড় ধাক্কা, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে যশোরের বেনাপোলে মোটরসাইকেল মিছিল করেছেন স্থলবন্দর হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন ৯২৫ ও ৮৯১-এর নেতাকর্মীরা। ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক চেতনায় বেনাপোলকে আধুনিক সীমান্ত নগরী গড়ার প্রত্যয়, জনআস্থার রাজনীতিতে আবু তাহের ভারত এমপি মাজেদ বাবুর বিরুদ্ধে হত্যার ষড়যন্ত্র ও হলফনামায় জালিয়াতির অভিযোগ হাসিনার সেই ‘৪০০ কোটির পিয়ন’ জাহাঙ্গীর: অনুসন্ধান থেকে ১০০ কোটি টাকা পাচারের মামলা, দুই বছরে কতদূর তদন্ত? পরিচয় নিয়ে নতুন বিতর্ক, কোন পক্ষ কতটা যৌক্তিক? ১৭ বছর আওয়ামী লীগের এমপির ‘ছায়াতল’ ও লটারির নাটক: পঞ্চগড়ে চালের ডিলারশিপ বাগিয়ে নেওয়া হাইব্রিড বিএনপি নেতা একরামুল হক মুন্না যশোরে আওয়ামী লীগের নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগের প্রতিবাদে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ হঠাৎ ‘স্যরি’ বলল প্রথম আলো, কেন এই ক্ষমা চাওয়া? সামনে এলো আসল কারণ কবিতা, কলম ও রাষ্ট্রচিন্তায় বহুমাত্রিক পথচলা: কবি অথই নূরুল আমিনের জীবন, সাহিত্যকর্ম ও মানবিক উদ্যোগের বিস্তৃত অধ্যায়

বেনাপোলের কথিত হুন্ডি ব্যবসায়ী আক্তার হোসেনকে গ্রেপ্তারে ছাত্রলীগ কর্মীর ক্ষোভ

বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ ডেস্ক রিপোর্ট / ১৭৯ Time View
Update : শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

 

বেনাপোলের কথিত হুন্ডি ব্যবসায়ী আক্তার হোসেনকে গ্রেপ্তারে ছাত্রলীগ কর্মীর ক্ষোভ

গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট; ‘বিনা মামলায় গ্রেপ্তার’ দাবি, অন্যদিকে দীর্ঘদিনের হুন্ডি ব্যবসার অভিযোগ নিয়ে এলাকায় নানা প্রশ্ন

দৈনিক বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ-এর বিশেষ অনুসন্ধানী প্রতিবেদন
বেনাপোল প্রতিনিধি

যশোরের বেনাপোল চেকপোস্টের সাদীপুর রোড এলাকার আক্তার হোসেনকে গ্রেপ্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনীতি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। তার গ্রেপ্তারের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেছেন ছাত্রলীগের এক কর্মী। ওই পোস্টে আক্তার হোসেনকে পুটখালী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে উল্লেখ করে দাবি করা হয়েছে, তাকে কোনো মামলা ছাড়াই নিজ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে গ্রেপ্তার করেছে বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশ।

অন্যদিকে স্থানীয় পর্যায়ে আক্তার হোসেনকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে হুন্ডি ব্যবসার অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি করেছেন কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি। তাদের অভিযোগ, সাদীপুর রোডের চেকপুর এলাকায় আক্তার হোসেনের একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থাকলেও সেখানে প্রকাশ্য ব্যবসায়িক কার্যক্রম সীমিত। এর আড়ালে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে অবৈধভাবে অর্থ লেনদেনের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে—এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের।

তবে এসব অভিযোগের কোনোটি আদালতে প্রমাণিত হয়েছে—এমন তথ্য এই প্রতিবেদকের হাতে নেই। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত বা আদালতের নথিতে অভিযোগের সত্যতা প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত আক্তার হোসেনকে ‘হুন্ডি ব্যবসায়ী’ হিসেবে চূড়ান্তভাবে অভিহিত না করে ‘হুন্ডি ব্যবসার অভিযোগে অভিযুক্ত’ হিসেবে বিষয়টি দেখা প্রয়োজন।

গ্রেপ্তারের পর ছাত্রলীগ কর্মীর পোস্ট

আক্তার হোসেনকে গ্রেপ্তারের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একটি পোস্টে ছাত্রলীগের এক কর্মী ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পোস্টে দাবি করা হয়, পুটখালী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আক্তার হোসেনকে বেনাপোল চেকপোস্টে তার নিজ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

পোস্টে আরও দাবি করা হয়, গ্রেপ্তারের আগের রাতেও আক্তার হোসেন ফোন করে বিষয়টি জানিয়েছিলেন এবং তাকে সতর্ক করা হয়েছিল। পরবর্তীতে তাকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় শার্শা উপজেলা ছাত্রলীগ পরিবারের পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।

ওই পোস্টে রাজনৈতিক বক্তব্যও তুলে ধরা হয়। সেখানে বলা হয়, আওয়ামী লীগ করা যদি অপরাধ হয়ে থাকে, তাহলে ভবিষ্যতে আওয়ামী লীগ না করাও অপরাধ হয়ে দাঁড়াতে পারে। একইসঙ্গে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিও জানানো হয়।

‘বিনা মামলায় গ্রেপ্তার’—দাবি কতটা সত্য?

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টে আক্তার হোসেনকে ‘কোনো মামলা ছাড়াই’ গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে দাবি করা হলেও গ্রেপ্তারের সুনির্দিষ্ট আইনি কারণ, মামলা নম্বর, জিডি বা সংশ্লিষ্ট আইনি নথি এই প্রতিবেদকের হাতে আসেনি।

ফলে ‘বিনা মামলায় গ্রেপ্তার’—এটি আপাতত পোস্টদাতার দাবি হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে। পুলিশ তাকে কোন অভিযোগে, কোন আইনি ক্ষমতাবলে এবং কোন প্রক্রিয়ায় গ্রেপ্তার করেছে—তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের মাধ্যমে পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন।

আক্তার হোসেনকে ঘিরে হুন্ডি ব্যবসার অভিযোগ

স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, বেনাপোল সীমান্ত এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে আক্তার হোসেনের নাম হুন্ডি ব্যবসার সঙ্গে আলোচিত হয়ে আসছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, সাদীপুর রোডের চেকপুর এলাকায় তার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে মূলত সিম বিক্রি ও ফ্লেক্সিলোডের কার্যক্রম দেখা যায়।

অভিযোগকারীদের দাবি, প্রকাশ্য ব্যবসার পাশাপাশি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ভারতসহ সীমান্তপারের বিভিন্ন স্থানে অর্থ লেনদেনের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকতে পারে।

স্থানীয়দের কেউ কেউ আরও দাবি করছেন, আক্তার হোসেনের ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই নানা আলোচনা রয়েছে। এমনকি তাকে সীমান্তকেন্দ্রিক অবৈধ অর্থ লেনদেনের সঙ্গে জড়িত বলেও অনেকে দাবি করছেন।

তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—এসব অভিযোগের পক্ষে ব্যাংক হিসাব, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের লেনদেনের তথ্য, কল রেকর্ড, অর্থ লেনদেনের নথি কিংবা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত প্রতিবেদন এই মুহূর্তে প্রকাশ্যে পাওয়া যায়নি। তাই অভিযোগগুলোর সত্যতা নির্ধারণে যথাযথ তদন্ত প্রয়োজন।

কর্মচারী থেকে ব্যবসায়ী—উঠছে পুরোনো তথ্যও

স্থানীয় পর্যায়ে আরও একটি দাবি রয়েছে, আক্তার হোসেন একসময় বেনাপোল বাজার কমিটির তৎকালীন সভাপতি জসীমউদ্দীনের প্রতিষ্ঠানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন। পরবর্তীতে ব্যবসা-বাণিজ্যে যুক্ত হয়ে নিজস্ব কর্মকাণ্ড শুরু করেন এবং ধীরে ধীরে আর্থিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হন—এমন কথাও স্থানীয়দের মুখে শোনা যাচ্ছে।

তবে তার ব্যবসায়িক উত্থান কিংবা পরবর্তী সময়ে কথিত হুন্ডি ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ততার বিষয়ে নির্ভরযোগ্য আর্থিক নথি বা সরকারি তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া না গেলে এসব বক্তব্যকে নিশ্চিত তথ্য হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই।

‘হুন্ডি’ অভিযোগ সত্য হলে তদন্ত জরুরি

বেনাপোল দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর এলাকা হওয়ায় সীমান্তপারের বৈধ ও অবৈধ অর্থ লেনদেনের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনো ব্যক্তি যদি সত্যিই হুন্ডির মাধ্যমে দেশ থেকে অর্থ পাচার বা বৈদেশিক মুদ্রার অবৈধ লেনদেনে জড়িত থাকেন, তাহলে বিষয়টি শুধু স্থানীয় পর্যায়ের অপরাধ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

এ ধরনের অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে প্রয়োজন হলে ব্যাংক হিসাব, মোবাইল ব্যাংকিং ও আর্থিক লেনদেন, যোগাযোগের তথ্য এবং সীমান্তপারের অর্থের গতিপথ খতিয়ে দেখা যেতে পারে। তদন্তে প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ, নাকি গ্রেপ্তারের পেছনে আইনগত কারণ?

আক্তার হোসেনকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হলেও একই সঙ্গে প্রশ্ন উঠছে—পুলিশ যদি কোনো নির্দিষ্ট অভিযোগ, তদন্ত বা আইনগত তথ্যের ভিত্তিতে তাকে আটক করে থাকে, তাহলে সেই তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে না কেন?

আবার যদি সত্যিই কোনো মামলা বা আইনগত ভিত্তি ছাড়া তাকে গ্রেপ্তার করা হয়ে থাকে, তাহলে বিষয়টি অবশ্যই গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা প্রয়োজন।

অর্থাৎ, পুরো ঘটনার কেন্দ্রবিন্দুতে এখন দুটি প্রশ্ন—আক্তার হোসেনকে কী কারণে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে হুন্ডি ব্যবসা বা অবৈধ অর্থ লেনদেনের অভিযোগের কোনো প্রামাণ্য ভিত্তি রয়েছে কি না।

আক্তার হোসেনের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা চলছে। তবে কোনো ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয় নিজেই অপরাধের প্রমাণ নয়। একইভাবে রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে কোনো ব্যক্তিকে আইনের ঊর্ধ্বেও রাখা যায় না।

অভিযোগ থাকলে তদন্ত হবে, প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা হবে এবং প্রমাণ না থাকলে অভিযোগ থেকে অব্যাহতির সুযোগ থাকবে—এটাই স্বাভাবিক আইনি প্রক্রিয়া।

সুতরাং আক্তার হোসেনের গ্রেপ্তারকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক বক্তব্যের পাশাপাশি প্রকৃত আইনি কারণ ও তদন্তের তথ্য সামনে আনা জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

ছাত্রলীগ কর্মীর পোস্ট ঘিরেও প্রশ্ন

আক্তার হোসেনের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে যে পোস্ট দেওয়া হয়েছে, সেটিতেও তার রাজনৈতিক পরিচয় এবং গ্রেপ্তারের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। একইসঙ্গে পুলিশকে অভিযুক্ত করে বক্তব্য দেওয়া হয়েছে।

তবে পোস্টদাতার কাছে যদি আক্তার হোসেনের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ না থাকার প্রমাণ, কিংবা পুলিশ তাকে বেআইনিভাবে গ্রেপ্তার করেছে—এমন কোনো নথি থাকে, তাহলে তা প্রকাশ্যে আনা হলে বিষয়টি আরও পরিষ্কার হতে পারে।

অন্যদিকে, যদি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে আক্তার হোসেনের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট অভিযোগ বা তদন্তের তথ্য থেকে থাকে, তাহলে সেটিও জনগণের সামনে স্বচ্ছভাবে তুলে ধরা প্রয়োজন।

আক্তার হোসেনের বিরুদ্ধে ওঠা হুন্ডি ব্যবসার অভিযোগ, তার রাজনৈতিক পরিচয় এবং গ্রেপ্তারের বৈধতা—তিনটি বিষয়ই পৃথকভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। একটি অভিযোগের ভিত্তিতে অন্যটিকে সত্য ধরে নেওয়া যেমন সমীচীন নয়, তেমনি রাজনৈতিক বক্তব্যের কারণে কোনো আইনগত তদন্তকে অস্বীকার করাও সঠিক পদ্ধতি নয়।

দৈনিক বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ-এর পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্তৃপক্ষের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। আক্তার হোসেন, তার পরিবার, আইনজীবী কিংবা সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে অভিযোগগুলোর বিষয়ে কোনো বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট বা রাজনৈতিক বক্তব্য নয়—আক্তার হোসেনের গ্রেপ্তারের প্রকৃত কারণ, তার বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগ এবং হুন্ডি ব্যবসার দাবির সত্যতা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা এবং অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে তারও পরিষ্কার ব্যাখ্যা—দুই ক্ষেত্রেই স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।


More News Of This Category
bdit.com.bd