• সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১১:২৭ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
গাজীপুরে মেট্রিক্স গার্মেন্টসে আগুন, ৬৭ জনকে জীবিত উদ্ধার আটতলা ভবনের তৃতীয় তলায় অগ্নিকাণ্ড, আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৯টি ইউনিট যশোর-১ (শার্শা) আসনে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী আলহাজ্ব নুরুজ্জামান লিটনের শ্রদ্ধাঞ্জলি নারীর মেসেঞ্জারে পুরুষাঙ্গের ছবি পাঠানোর অভিযোগ মোঃ দিদারের বিরুদ্ধে, সাইবার আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি সাউদার্ন ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা, মালিকানা ও ট্রাস্ট নিয়ে পুরোনো বিরোধ: ২০১৪ সালের জেলা প্রশাসনের তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে আসে একাধিক গুরুতর অসংগতি ভবিষ্যতে ফ্যাসিবাদী শাসনের পথ বন্ধে সংবিধান সংশোধন প্রয়োজন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ মাদক-সন্ত্রাস, দখলবাজি ও চাঁদাবাজমুক্ত সমাজ গড়তে ফখরুল ইসলাম এমপির আহ্বান হাতিয়ায় জাতীয় যুব দিবস ২০২৬ উদযাপন: যুব র‍্যালি, ঋণের চেক বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ৮ মামলার বাধা পেরিয়ে এবার ইলিয়টগঞ্জ উত্তর ইউপির চেয়ারম্যান হওয়ার প্রত্যাশায় দুলাল সরকার বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী নিয়ে উসকানিমূলক বক্তব্যের অভিযোগ, থোয়াইচিং মং শাককে সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের কারণ দর্শানোর নোটিশ মাদকের সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: এমপি নূরুল ইসলাম নয়ন সাংবাদিক অরিত্র কুন্ডুকে কনডেম সেলে রাখার অভিযোগ: ২৪ ঘণ্টার আইনি আলটিমেটাম, অন্যথায় হাইকোর্টে রিট

কুমিল্লার চান্দিনা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন জোহরা আক্তার কমপ্লেক্সে পরিচালিত ‘মা-মনি মেডিকেল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার’-এর বিরুদ্ধে একের পর এক গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ

বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ ডেস্ক রিপোর্ট / ১৮২ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

 

চান্দিনায় ভুয়া চিকিৎসক ও ‘ম্যানেজ’ শক্তির অভিযোগে চলছে ‘মা-মনি মেডিকেল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার’

বৈধ কাগজপত্র, চিকিৎসক-টেকনিশিয়ান ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন; দ্রুত সরেজমিন তদন্ত ও মোবাইল কোর্টের দাবি স্থানীয়দের

স্টাফ রিপোর্টার | দৈনিক বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ

কুমিল্লার চান্দিনা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন জোহরা আক্তার কমপ্লেক্সে পরিচালিত ‘মা-মনি মেডিকেল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার’-এর বিরুদ্ধে একের পর এক গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। প্রতিষ্ঠানটিতে কথিত ভুয়া চিকিৎসক বসিয়ে রোগী দেখানো, প্রয়োজনীয় দক্ষ জনবল ও কারিগরি সক্ষমতা ছাড়াই বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা পরিচালনা এবং চিকিৎসাসেবার নামে সাধারণ রোগীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও সংশ্লিষ্ট কয়েকজন ব্যক্তি।

অভিযোগকারীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান হিসেবে কার্যক্রম পরিচালিত হলেও প্রতিষ্ঠানটির বৈধ অনুমোদন, লাইসেন্স, চিকিৎসক ও টেকনিশিয়ানদের নিবন্ধন এবং বিভিন্ন পরীক্ষার প্রয়োজনীয় অনুমোদন রয়েছে কি না—তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন রয়েছে। এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দূর-দূরান্ত থেকে আসা সাধারণ মানুষ চিকিৎসা ও রোগ নির্ণয়ের আশায় ওই প্রতিষ্ঠানে গেলেও সেখানে তাদের অনেক সময় বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরামর্শ দেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, পরীক্ষার রিপোর্টের নির্ভুলতা ও পরীক্ষাগুলো যথাযথভাবে সম্পন্ন হচ্ছে কি না, তা নিয়েও রোগী ও স্বজনদের মধ্যে সন্দেহ রয়েছে।

তবে এসব অভিযোগের কোনোটিকেই এই মুহূর্তে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। ফলে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য বিভাগ, প্রশাসন এবং অন্যান্য দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের সরেজমিন তদন্ত প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

লাইসেন্স ও অনুমোদন নিয়ে প্রশ্ন

স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ও নির্ধারিত শর্ত পূরণ করা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগ নির্ণয়ের বিভিন্ন পরীক্ষা পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় জনবল, যন্ত্রপাতি, কারিগরি দক্ষতা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন থাকা প্রয়োজন।

স্থানীয়দের প্রশ্ন, ‘মা-মনি মেডিকেল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার’ এসব শর্ত কতটা পূরণ করছে? প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বর্তমানে বৈধ কি না, ট্রেড লাইসেন্স হালনাগাদ আছে কি না, প্রয়োজনীয় পরিবেশগত ও অগ্নিনিরাপত্তা সংক্রান্ত অনুমোদন রয়েছে কি না এবং বিভিন্ন পরীক্ষা পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নেওয়া হয়েছে কি না—এসব বিষয় তদন্ত করে দেখার দাবি উঠেছে।

অভিযোগকারীরা আরও দাবি করেছেন, প্রতিষ্ঠানের চিকিৎসক, প্যাথলজিস্ট, রেডিওলজি সংশ্লিষ্ট জনবল এবং ল্যাব টেকনিশিয়ানদের প্রয়োজনীয় পেশাগত নিবন্ধন ও যোগ্যতা রয়েছে কি না, সেটিও যাচাই করা প্রয়োজন।

‘ভুয়া ডাক্তার’ বসানোর অভিযোগ

প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগগুলোর একটি হলো—কথিত ভুয়া বা যথাযথভাবে নিবন্ধিত নন এমন ব্যক্তিদের দিয়ে রোগী দেখানোর অভিযোগ।

স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, চিকিৎসক হিসেবে রোগী দেখানো ব্যক্তিদের শিক্ষাগত যোগ্যতা, পেশাগত নিবন্ধন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন যাচাই করা দরকার। কারণ চিকিৎসকের পরিচয় বা যোগ্যতা সম্পর্কে রোগী সাধারণত নিজে যাচাই করতে পারেন না। ফলে কোনো অনিবন্ধিত ব্যক্তি চিকিৎসকের পরিচয়ে রোগী দেখালে তা রোগীর স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

অভিযোগকারীরা বলছেন, রোগীর প্রেসক্রিপশন, রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা পরামর্শের ক্ষেত্রে ভুল হলে এর দায় কে নেবে—এ প্রশ্নেরও জবাব প্রয়োজন।

তবে যাদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ রয়েছে, তাদের সুনির্দিষ্ট পরিচয় ও যোগ্যতা যাচাই না করে কাউকে ‘ভুয়া ডাক্তার’ হিসেবে চূড়ান্তভাবে অভিহিত করা সমীচীন নয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিবন্ধন ও অনুমোদনের তথ্য যাচাই করেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

পরীক্ষা-নিরীক্ষার মান নিয়েও উদ্বেগ

ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মূল সেবার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো রোগ নির্ণয়ের পরীক্ষা। একটি পরীক্ষার রিপোর্টে সামান্য ভুলও অনেক সময় চিকিৎসার সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করতে পারে। ফলে ল্যাবরেটরিতে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি, পরীক্ষার পদ্ধতি, মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত টেকনিশিয়ানের যোগ্যতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ‘মা-মনি মেডিকেল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার’-এ বিভিন্ন ধরনের প্যাথলজিক্যাল ও রেডিওলজিক্যাল পরীক্ষা পরিচালনার সক্ষমতা ও মান নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

অভিযোগকারীরা জানতে চান, প্রতিষ্ঠানে যেসব পরীক্ষা করা হয়, সেগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও প্রশিক্ষিত জনবল রয়েছে কি না। পরীক্ষার রিপোর্ট প্রস্তুত ও অনুমোদনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট যোগ্য বিশেষজ্ঞরা দায়িত্ব পালন করছেন কি না, সেটিও তদন্তের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।

‘ম্যানেজ’ করে কার্যক্রম চালানোর অভিযোগ

প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কিছু সদস্য এবং কতিপয় কথিত সংবাদকর্মীকে ‘ম্যানেজ’ করে দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ম চালিয়ে আসা হচ্ছে।

তবে এ অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর হওয়ায় যথাযথ প্রমাণ ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগকে সত্য হিসেবে প্রচার করা যায় না। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত প্রয়োজন।

স্থানীয়দের দাবি, যদি সত্যিই কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তি বা মহল অবৈধ স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমকে আড়াল করতে সহায়তা করে থাকে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধেও তদন্ত হওয়া উচিত। একই সঙ্গে কোনো সংবাদকর্মী বা গণমাধ্যমকর্মীর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ থাকলে প্রমাণের ভিত্তিতে তা যাচাই করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

সাধারণ রোগীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন

স্বাস্থ্যসেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ সাধারণত সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স, চিকিৎসকের নিবন্ধন কিংবা ল্যাবের কারিগরি সক্ষমতা যাচাই করার সুযোগ পান না। ফলে কোনো প্রতিষ্ঠানের সেবায় অনিয়ম থাকলে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়েন সাধারণ রোগীরাই।

স্থানীয়দের ভাষ্য, চিকিৎসার ক্ষেত্রে রোগীর আস্থা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সেই আস্থাকে কেন্দ্র করে যদি কোনো প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও দক্ষ জনবল ছাড়া কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে, তাহলে সেটি শুধু আর্থিক ক্ষতির বিষয় নয়—রোগীর জীবন ও স্বাস্থ্যের সঙ্গেও জড়িত।

তাদের দাবি, রোগীদের কাছ থেকে নেওয়া বিভিন্ন পরীক্ষার টাকা, পরীক্ষার প্রকৃত প্রয়োজনীয়তা, রিপোর্টের নির্ভুলতা এবং চিকিৎসা পরামর্শের বৈধতা—সবকিছু তদন্ত করা উচিত।

স্বাস্থ্য বিভাগের নজরদারি দাবি

স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের অভিযোগ, কোনো লিখিত অভিযোগের অপেক্ষায় না থেকে সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য বিভাগ ও প্রশাসনের উচিত বিষয়টি স্বতঃপ্রণোদিতভাবে যাচাই করা।

তারা চান, কুমিল্লা জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় এবং চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে একটি সরেজমিন পরিদর্শন করা হোক। প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স, চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্ট জনবলের নিবন্ধন, ল্যাবরেটরির যন্ত্রপাতি, পরীক্ষা পরিচালনার সক্ষমতা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, অগ্নিনিরাপত্তা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় অনুমোদনের কাগজপত্র পরীক্ষা করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি উঠেছে।

সিভিল সার্জনের বক্তব্য

এ বিষয়ে কুমিল্লা জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. জহিরুল ইসলামের বক্তব্য হিসেবে জানা গেছে, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে ‘মা-মনি মেডিকেল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার’-এর বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্বাস্থ্য বিভাগের এই বক্তব্যের পর স্থানীয়দের প্রশ্ন, সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকির অভিযোগ উঠলে লিখিত অভিযোগের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিজ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠানটির বৈধতা ও কার্যক্রম যাচাই করতে পারে কি না।

তাদের দাবি, লিখিত অভিযোগের প্রক্রিয়া চলার পাশাপাশি প্রয়োজন হলে সরেজমিন পরিদর্শন ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির প্রকৃত অবস্থা যাচাই করা হোক।

তদন্ত হলেই বেরিয়ে আসতে পারে প্রকৃত চিত্র

স্থানীয়দের অভিযোগ সত্য কি না, তা নির্ধারণের একমাত্র গ্রহণযোগ্য পথ হলো নিরপেক্ষ তদন্ত। প্রতিষ্ঠানটির মালিক মোহাম্মদ হানিফ (নয়ন) অভিযোগগুলো অস্বীকার করলে তার বক্তব্যও যথাযথভাবে প্রকাশ করা প্রয়োজন। একইভাবে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক, টেকনিশিয়ান ও অন্যান্য দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের যোগ্যতা এবং নিবন্ধন যাচাই করা জরুরি।

কারণ অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত কাউকে অপরাধী বলা আইনগত ও সাংবাদিকতার দৃষ্টিতে সমীচীন নয়। আবার অভিযোগের আড়ালে সত্যিকারের অনিয়ম থেকে থাকলে সেটিও উপেক্ষা করার সুযোগ নেই।

তাই ‘মা-মনি মেডিকেল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার’-এর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রয়োজনীয় নথিপত্র যাচাই এবং সরেজমিন পরিদর্শনের মাধ্যমে প্রকৃত চিত্র জনসম্মুখে আনার দাবি জানিয়েছেন চান্দিনার স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা।

তাদের বক্তব্য, একটি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে মানুষের জীবন ও নিরাপত্তাই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হওয়া উচিত। কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যদি অনুমোদনহীনভাবে চিকিৎসা বা রোগ নির্ণয় কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হয়, তাহলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। আর অভিযোগ অসত্য হলে তদন্তের মাধ্যমেই প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ওঠা প্রশ্নের অবসান ঘটানো সম্ভব।

এ অবস্থায় চান্দিনার জোহরা আক্তার কমপ্লেক্সে অবস্থিত ‘মা-মনি মেডিকেল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার’-এর সার্বিক কার্যক্রম দ্রুত যাচাই করতে সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য বিভাগ ও প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

দৈনিক বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ-এর পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলা হচ্ছে—অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হলে সাধারণ রোগীদের মধ্যে তৈরি হওয়া উদ্বেগের অবসান ঘটবে এবং বৈধ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিও মানুষের আস্থা আরও সুদৃঢ় হবে।


More News Of This Category
bdit.com.bd