• বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বদলগাছীতে ভিপি সম্পত্তি নিয়ে সংঘর্ষ, ৫ দিন পর আহত মাসুদ রাজশাহী মেডিকেলে মৃত্যু জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি সাঈদ আহমেদ আসলামকে বিআইএফের ফুলেল শুভেচ্ছা দেশের সব উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসে বায়োমেট্রিক হাজিরা চালুর নির্দেশ মাঠ পর্যায়ে ভূমি সেবায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়াতে ভূমি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগ তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক বিনা জামানতে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা ঋণ, সমপরিমাণ অনুদান; উপজেলা পর্যায় থেকে উদ্যোক্তা খুঁজে বের করার উদ্যোগ স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে দুই দিনের প্রশিক্ষণে ৩৮ হাজার ৮৪৭ পুলিশ সদস্য, পরে ১ লাখ ৫২ হাজার ১৭৫ সদস্যকে দেওয়া হবে রিফ্রেশার প্রশিক্ষণ খাদ্যে ক্ষতিকর উপাদান নিয়ে প্রশ্ন, নজরদারি কতটা কার্যকর? কেক, কোমল পানীয় ও দুধ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা অভিযোগ; পুরোনো আদালতের নথিতেও উঠে এসেছে খাদ্যমান নিয়ে উদ্বেগ বেনাপোল বন্দরে তিন ট্রাক পণ্য পাচার: দুই শেড ইনচার্জ বদলি হলেও কাস্টমসের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ৪৪৪ প্যাকেজ উচ্চ শুল্কের ফেব্রিকসসহ পণ্য পাচারের ঘটনায় তদন্তে প্রাথমিক সত্যতা, দুই কর্মকর্তাকে প্রশাসন শাখায় সংযুক্ত; কাস্টমসের বিরুদ্ধে উঠছে নানা অভিযোগ এশিয়ান গেমস উপলক্ষ্যে জাপান গমন করলেন সেনাবাহিনী প্রধান বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হিসেবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান যশোরের কেশবপুর আওয়ামী লীগের ভার্চুয়াল সভাকে ঘিরে উত্তেজনা, সাংগঠনিক সম্পাদক গৌতম রায়ের অভিযোগ; তৃণমূলে ক্ষোভ ও নানা প্রশ্ন পুলিশের বিশেষ চেকপোস্ট অভিযান ১,৭০০-এর বেশি মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকার তল্লাশি, আটক ৩৪ মোটরসাইকেল; কিশোর গ্যাংয়ের ৩ সদস্য আটক

খাদ্যে ক্ষতিকর উপাদান নিয়ে প্রশ্ন, নজরদারি কতটা কার্যকর? কেক, কোমল পানীয় ও দুধ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা অভিযোগ; পুরোনো আদালতের নথিতেও উঠে এসেছে খাদ্যমান নিয়ে উদ্বেগ

বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ ডেস্ক রিপোর্ট / ৯ Time View
Update : বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

 

খাদ্যে ক্ষতিকর উপাদান নিয়ে প্রশ্ন, নজরদারি কতটা কার্যকর?

কেক, কোমল পানীয় ও দুধ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা অভিযোগ; পুরোনো আদালতের নথিতেও উঠে এসেছে খাদ্যমান নিয়ে উদ্বেগ

নিজস্ব প্রতিবেদক | দৈনিক বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ

দেশে খাদ্যপণ্যের নিরাপত্তা, ক্ষতিকর রাসায়নিকের ব্যবহার, প্রিজারভেটিভ এবং মান নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন বক্তব্যে দাবি করা হচ্ছে, বাজারে থাকা কিছু খাদ্য ও পানীয় পণ্যের মান নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। এসব বক্তব্যের মধ্যে কয়েকটি নির্দিষ্ট খাদ্যপণ্যের পরীক্ষার ফল, আদালতের পুরোনো আদেশ এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

সম্প্রতি সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেনের একটি ফেসবুক পোস্টে খাদ্যপণ্যের নিরাপত্তা নিয়ে এমন কিছু অভিযোগ ও প্রশ্ন উত্থাপন করা হয়। পোস্টে দাবি করা হয়েছে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের খাদ্য পরীক্ষাগারে ‘কাজীর মফিন কেক’-এর নমুনা পরীক্ষায় ক্ষতিকর উপাদান শনাক্ত হয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন পানীয় ও দুধের মান নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়।

তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ওই পোস্টে উত্থাপিত সব অভিযোগের স্বতন্ত্র পরীক্ষাগার প্রতিবেদন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নথি কিংবা বর্তমান বাজার পরিস্থিতির পূর্ণাঙ্গ প্রমাণ এই প্রতিবেদনের হাতে নেই। ফলে অভিযোগগুলোকে অভিযোগ হিসেবেই দেখা প্রয়োজন।

কেকের মান পরীক্ষার দাবি, প্রশ্ন অনুমোদন ব্যবস্থায়

ইলিয়াস হোসেনের পোস্টে ‘কাজীর মফিন কেক’-এর পরীক্ষার প্রসঙ্গ তুলে প্রশ্ন করা হয়েছে, কোনো পণ্য দীর্ঘদিন ধরে বাজারে থাকার পর যদি পরীক্ষায় অনিরাপদ বা ক্ষতিকর উপাদানের বিষয় উঠে আসে, তাহলে এতদিন সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর নজরদারি কীভাবে পরিচালিত হয়েছে।

খাদ্যপণ্যের মান নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই), বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ এবং ভোক্তা অধিকার সংক্রান্ত সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর নিজ নিজ আইনগত দায়িত্ব রয়েছে। তবে কোনো নির্দিষ্ট পণ্য অনুমোদিত বা বাজারজাত হওয়ার অর্থ এই নয় যে সেটি সব সময় ও সব ব্যাচে একই মান বজায় রাখবে; নিয়মিত নমুনা পরীক্ষা ও বাজার তদারকিও গুরুত্বপূর্ণ।

এ কারণে কোনো পরীক্ষায় কোনো পণ্যের নির্দিষ্ট ব্যাচে সমস্যা পাওয়া গেলে সেই পরীক্ষার পদ্ধতি, নমুনা সংগ্রহ, পরীক্ষার ফল, সংশ্লিষ্ট মানদণ্ড এবং পরবর্তী প্রশাসনিক বা আইনগত ব্যবস্থা—সবকিছুই প্রকাশ্যে আসা প্রয়োজন বলে মনে করেন ভোক্তা অধিকার নিয়ে কাজ করা সংশ্লিষ্টরা।

দুধ নিয়ে আদালতের নথিতে কী পাওয়া যায়

খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের বিষয়টি বাংলাদেশে নতুন নয়। ২০১৯ সালে পাস্তুরিত দুধের মান নিয়ে হাইকোর্টে গুরুত্বপূর্ণ আইনি কার্যক্রম হয়েছিল।

তৎকালীন বিভিন্ন পরীক্ষার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রাণ মিল্কসহ একাধিক কোম্পানির পাস্তুরিত দুধে সিসার উপস্থিতির কথা বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের প্রতিবেদনে উঠে এসেছিল বলে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়।

এর আগে এবং পরে বিভিন্ন পরীক্ষাগারের প্রতিবেদনে ভিন্ন ভিন্ন ফলও পাওয়া যায়। বিএসটিআই ১৪ ব্র্যান্ডের ১৮টি পাস্তুরিত দুধের নমুনা পরীক্ষা করে আশঙ্কাজনক কিছু পাওয়া যায়নি বলে আদালতে প্রতিবেদন দিয়েছিল।

অন্যদিকে, ২০১৯ সালের জুলাইয়ে হাইকোর্ট বিএসটিআইয়ের অনুমোদনপ্রাপ্ত ১৪টি পাস্তুরিত দুধ কোম্পানির উৎপাদন, বিপণন ও সরবরাহ পাঁচ সপ্তাহের জন্য বন্ধ রাখার আদেশ দিয়েছিল বলে ইউএনবির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

পরে প্রাণ মিল্ক ও ফার্ম ফ্রেশের ক্ষেত্রে ওই আদেশ স্থগিতও হয়েছিল। অর্থাৎ আদালতের কার্যক্রমের মধ্যেই বিভিন্ন পরীক্ষার ফল ও আইনগত অবস্থানের মধ্যে পার্থক্য দেখা গিয়েছিল।

এই ঘটনাগুলো দেখায়, খাদ্যপণ্যের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো অভিযোগ উঠলে শুধু একটি পরীক্ষার ফলের ওপর নির্ভর না করে স্বীকৃত পরীক্ষাগার, নমুনা সংগ্রহের পদ্ধতি, নির্ধারিত মানদণ্ড এবং আদালত বা নিয়ন্ত্রক সংস্থার পরবর্তী সিদ্ধান্ত—সবগুলো বিষয় একসঙ্গে বিবেচনা করা জরুরি।

‘টাকা দিলে সব নিরাপদ’—এমন অভিযোগ কতটা সত্য?

সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেনের পোস্টে দাবি করা হয়েছে, অর্থ ও বিজ্ঞাপনের প্রভাবের কারণে কিছু পণ্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। পোস্টে এমনকি বলা হয়েছে, ‘টাকা দিলে সব নিরাপদ হয়ে যায়’।

তবে এ ধরনের গুরুতর অভিযোগের পক্ষে নির্দিষ্ট আর্থিক লেনদেন, সরকারি নথি, তদন্ত প্রতিবেদন বা আদালতে প্রমাণিত তথ্য ছাড়া এটিকে প্রতিষ্ঠিত সত্য হিসেবে উপস্থাপন করা যায় না।

বরং প্রশ্ন হলো—কোনো প্রতিষ্ঠানের পণ্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে নমুনা পরীক্ষা, প্রতিবেদন প্রকাশ, কারণ দর্শানোর নোটিশ, জরিমানা, মামলা, পণ্য প্রত্যাহার বা লাইসেন্স সংক্রান্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না; নেওয়া হয়ে থাকলে তার ফলাফল কী—এসব তথ্য নিয়মিতভাবে জনগণের সামনে প্রকাশ করা হচ্ছে কি না।

হৃদরোগ ও কিডনি রোগের সঙ্গে খাদ্যদূষণের সম্পর্ক

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টে খাদ্যে ক্ষতিকর রাসায়নিক ও প্রিজারভেটিভের কারণে দেশে হৃদরোগী এবং কিডনি রোগীর সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে বলে দাবি করা হয়েছে।

তবে এই দাবিকে সরাসরি কোনো নির্দিষ্ট খাদ্যপণ্য বা রাসায়নিকের কারণে রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধির প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা যায় না। হৃদরোগ ও কিডনি রোগের পেছনে খাদ্যাভ্যাস, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, স্থূলতা, বংশগত কারণ, ধূমপান, জীবনযাপনসহ একাধিক ঝুঁকি কাজ করতে পারে। খাদ্যে কোনো নির্দিষ্ট রাসায়নিকের উপস্থিতি এবং নির্দিষ্ট রোগের সঙ্গে সরাসরি কারণগত সম্পর্ক দাবি করতে হলে বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্য-তথ্য প্রয়োজন।

তাই ভোক্তাদের সচেতন করার পাশাপাশি এ ধরনের বিষয়ে দায়িত্বশীল ও প্রমাণভিত্তিক তথ্য প্রকাশ করাও জরুরি।

নিয়ন্ত্রক সংস্থার নজরদারি নিয়ে জনমনে প্রশ্ন

বাংলাদেশে খাদ্য নিরাপত্তার দায়িত্বে একাধিক সরকারি প্রতিষ্ঠান কাজ করে। ফলে কোনো পণ্যে সমস্যা শনাক্ত হলে কোন সংস্থা নমুনা সংগ্রহ করবে, কে পরীক্ষা করবে, কে বাজার থেকে পণ্য প্রত্যাহার করবে এবং কে আইনগত ব্যবস্থা নেবে—এই সমন্বয় কার্যকর হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

২০১৯ সালের দুধের ঘটনাতেও বিএসটিআই, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ এবং বিভিন্ন পরীক্ষাগারের প্রতিবেদন আদালতের আলোচনায় এসেছিল। আদালত খাদ্যে ব্যাকটেরিয়া, কীটনাশক, অ্যান্টিবায়োটিক, সীসা ও অন্যান্য রাসায়নিকের উপস্থিতি নিরূপণ এবং সংশ্লিষ্টদের চিহ্নিত করার বিষয়ে নির্দেশ দিয়েছিল বলে তৎকালীন প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।

অতীতের এসব ঘটনা থেকে একটি বিষয় স্পষ্ট—খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শুধু অনুমোদন দেওয়াই যথেষ্ট নয়; অনুমোদনের পর বাজারে থাকা পণ্যের নিয়মিত নজরদারি এবং পরীক্ষার ফল অনুযায়ী দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ।

ভোক্তার করণীয়

বিশেষজ্ঞ পর্যায়ে কোনো নির্দিষ্ট পণ্যকে অনিরাপদ ঘোষণা করা না হলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট দেখে আতঙ্কিত হওয়ার পরিবর্তে ভোক্তাদের পণ্যের লেবেল, উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ, সংরক্ষণ পদ্ধতি এবং অনুমোদনসংক্রান্ত তথ্য যাচাই করা উচিত।

একই সঙ্গে কোনো পণ্যের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত পরীক্ষার ফল, সরকারি নোটিশ বা আদালতের আদেশ যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন।

খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে জনস্বার্থে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—অভিযোগ উঠলে তার দ্রুত, স্বচ্ছ ও বৈজ্ঞানিক তদন্ত এবং তদন্তের ফল জনগণের সামনে প্রকাশ করা।

দৈনিক বাংলাদেশ প্রথম সংবাদের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আহ্বান থাকবে, বাজারে প্রচলিত খাদ্য ও পানীয়ের নমুনা নিয়মিত পরীক্ষা করে ফলাফল প্রকাশ করা হোক। কোনো পণ্যে নির্ধারিত মাত্রার বেশি ক্ষতিকর উপাদান পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক এবং নিরাপদ প্রমাণিত পণ্যের ক্ষেত্রেও পরীক্ষার ফল প্রকাশ করে ভোক্তাদের বিভ্রান্তি দূর করা হোক।

কারণ খাদ্য নিরাপত্তার প্রশ্নটি কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়মাত্র নয়; এটি সরাসরি জনস্বাস্থ্য, ভোক্তার অধিকার এবং রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার কার্যকারিতার সঙ্গে সম্পর্কিত।


More News Of This Category
bdit.com.bd