• সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বেনাপোল কাস্টম চেকপোস্টে ‘স্পট ট্যাক্স’ বন্ধ, লাগেজ হয়রানি ও উন্নয়ন প্রশ্নে বাড়ছে জনঅসন্তোষ: রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান: বড়আঁচড়া সড়কের অস্থায়ী সংস্কারে উদ্যোগ, এলাকাবাসীর মাঝে স্বস্তি বেনাপোলের গর্ব মারিয়া আফরিন তিষু: ছাত্ররাজনীতিতে নেতৃত্ব, গণমাধ্যমে আত্মবিশ্বাসী উপস্থাপনায় নতুন প্রজন্মের অনুপ্রেরণা পলাশবাড়ীতে প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীর পেট মুচড়ে ও বেঞ্চে শুইয়ে নির্যাতনের অভিযোগ শিক্ষক মিথুনের বিরুদ্ধে মেয়রপ্রার্থী মফিজুর রহমানের মানবিক দৃষ্টান্ত ১৫০০ পরিবারের মুখে ঈদের হাসি মেয়রপ্রার্থী মফিজুর রহমানের মানবিক দৃষ্টান্ত ১৫০০ পরিবারের মুখে ঈদের হাসি ঈদের খাবারে অনিয়মের অভিযোগ: রাজশাহী কারাগারে নিম্নমানের পোলাও চাল সরবরাহ, ঠিকাদার–কর্তৃপক্ষ যোগসাজশের সন্দেহ আইনের রক্ষক না ভঙ্গক,পুলিশের কনস্টেবল রাজীব কুমার হৃদয়ের বিরুদ্ধে ইয়াবা বিক্রির অভিযোগ,আরএমপি জুড়ে তোলপাড়, জনমনে উদ্বেগ,শাস্তির দাবি বাংলাদেশ পুলিশের দুই শীর্ষ কর্মকর্তার অবসরের সংবর্ধনা শার্শার যুবদল নেতা শহিদুল ইসলাম শহীদের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

হাতিয়ায় মহিষ মালিকদের দমনমূলক আচরণ: কৃষকের সোনালী ফসল ইচ্ছাকৃতভাবে ধ্বংস

Reporter Name / ২১৫ Time View
Update : শুক্রবার, ২২ আগস্ট, ২০২৫

 

তারিখ ও সময়: ২২ আগস্ট ২০২৫, ১৭:১৫

রিপোর্টার: মোঃ শাহেদ উদ্দিন, হাতিয়া (নোয়াখালী) প্রতিনিধি

হাতিয়ায় মহিষ মালিকদের দমনমূলক আচরণ: কৃষকের সোনালী ফসল ইচ্ছাকৃতভাবে ধ্বংস

নোয়াখালীর হাতিয়ার ৩ নং সুখচর ইউনিয়নের পশ্চিমাংশের চর জাগলায় স্থানীয় কৃষকরা মহিষ মালিকদের এবং তাদের বাতাইন্নাদের দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে ফসল নষ্ট করার অভিযোগ তুলেছেন। কৃষকরা জানিয়েছেন, বহুবার সমস্যা জানানোর পরও মহিষ মালিক এবং বাতাইন্নারা কোনো পদক্ষেপ নেননি। উল্টো, তারা কৃষকের জমিতে মহিষের পাল দিয়ে ফসলের ক্ষতি করছেন।

কৃষকরা জানান, “আমরা অনেক অর্থ খরচ করেছি, কষ্ট করে ফসল করছি। কিন্তু মহিষ মালিকরা আমাদের এই সোনালী ফসল ইচ্ছাকৃতভাবে নষ্ট করছে। এখন আমরা দিশেহারা, জানি না কী করব।” মোঃ আলাউদ্দিন বলেন, “আমি সকালে আমার ধানক্ষেতে গেলে দেখি ছোট চারা তুলে ফেলা হয়েছে এবং মানুষ হেঁটে ফসল নষ্ট করেছে।”

কৃষকরা আরও অভিযোগ করেছেন, মহিষ মালিকরা প্রভাবশালী, অর্থশালী এবং সাবেক এমপি মোহাম্মদ আলীর প্রভাব ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে গরিব কৃষকদের ওপর দমনমূলক আচরণ চালিয়ে আসছেন। স্থানীয় মহিষ মালিকদের মধ্যে মোঃ ভুট্টু, নাহিদ, এবং আমিরকে নিয়মিত অভিযুক্ত করা হয়েছে। তাদের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, “আমরা কিছু করতে পারি না, পারলে কিছু কইরেন।”

আইনগত বিশ্লেষণ ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ:
১. স্থানীয় প্রশাসনের তদন্ত: উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশকে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে ফসল ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করতে হবে।
২. অভিযুক্তদের আইনি ব্যবস্থা: কৃষি জমিতে অনধিকার প্রবেশ ও ফসল ধ্বংস করা ফৌজদারি অপরাধ। বাংলাদেশ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪২৭/৪২৮ অনুযায়ী ক্ষতিপূরণসহ শাস্তি প্রয়োগ করা যেতে পারে।
৩. নিরাপত্তা ব্যবস্থা: ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জমি রক্ষার জন্য পুলিশ ও প্রশাসন পর্যায়ক্রমিক নজরদারি চালাবে।
৪. নাগরিক প্রতিকার: কৃষকরা আদালতের মাধ্যমে মামলা দায়ের করে ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারেন।
৫. দীর্ঘমেয়াদি সমাধান: মহিষ মালিকদের সঙ্গে স্থায়ী সমঝোতা না হওয়া পর্যন্ত স্থানীয় কৃষি ও প্রশাসনিক সংস্থা ফসল রক্ষায় সরাসরি তত্ত্বাবধান চালাবে।

ভুক্তভোগী কৃষকরা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, তারা অপরাধীদের বিচারের দাবি করছেন। প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ ছাড়া এই ধরনের ঘটনা চলতেই থাকবে, যা ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক সমাজকে আরও দুর্বল করবে।

বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ ডেস্ক
www.bangladeshprothomsangbad.com


More News Of This Category
bdit.com.bd