• বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
গাজীপুরে মেট্রিক্স গার্মেন্টসে আগুন, ৬৭ জনকে জীবিত উদ্ধার আটতলা ভবনের তৃতীয় তলায় অগ্নিকাণ্ড, আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৯টি ইউনিট ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক চেতনায় বেনাপোলকে আধুনিক সীমান্ত নগরী গড়ার প্রত্যয়, জনআস্থার রাজনীতিতে আবু তাহের ভারত এমপি মাজেদ বাবুর বিরুদ্ধে হত্যার ষড়যন্ত্র ও হলফনামায় জালিয়াতির অভিযোগ হাসিনার সেই ‘৪০০ কোটির পিয়ন’ জাহাঙ্গীর: অনুসন্ধান থেকে ১০০ কোটি টাকা পাচারের মামলা, দুই বছরে কতদূর তদন্ত? পরিচয় নিয়ে নতুন বিতর্ক, কোন পক্ষ কতটা যৌক্তিক? ১৭ বছর আওয়ামী লীগের এমপির ‘ছায়াতল’ ও লটারির নাটক: পঞ্চগড়ে চালের ডিলারশিপ বাগিয়ে নেওয়া হাইব্রিড বিএনপি নেতা একরামুল হক মুন্না যশোরে আওয়ামী লীগের নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগের প্রতিবাদে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ হঠাৎ ‘স্যরি’ বলল প্রথম আলো, কেন এই ক্ষমা চাওয়া? সামনে এলো আসল কারণ কবিতা, কলম ও রাষ্ট্রচিন্তায় বহুমাত্রিক পথচলা: কবি অথই নূরুল আমিনের জীবন, সাহিত্যকর্ম ও মানবিক উদ্যোগের বিস্তৃত অধ্যায় মাগুরায় যুবদল নেতা সাকের হোসেন হত্যাকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর মোড় রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ, জাপান সফরের সাফল্য ও দ্বিপক্ষীয় চুক্তি নিয়ে আলোচনা

যদি রবীন্দ্রনাথের আমলে ফেসবুক থাকতো- ব্যারিস্টার সোহরাব খান চৌধুরী

Reporter Name / ৩৭৭ Time View
Update : সোমবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৫

 

যদি রবীন্দ্রনাথের আমলে ফেসবুক থাকতো- ব্যারিস্টার সোহরাব খান চৌধুরী

মোঃ শাহজাহান বাশার

ভাবুন তো—যদি কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আমলে ফেসবুক থাকতো!
তাহলে তিনি যখন “শেষের কবিতা” লিখে পোস্ট দিতেন, কমেন্ট সেকশন হতো তুমুল জমজমাট।

কেউ লিখতো—“মশাই, নাম দিয়েছেন শেষের কবিতা, অথচ লিখেছেন উপন্যাস—মানুষের সঙ্গে এমন প্রতারণা না করলেই পারতেন!”
আরেকজন বলতো—“গুরু, লাস্ট লাইন চারটা জাস্ট ফাটাইয়া দিছেন!”
কেউ ঠাট্টা করে লিখতো—“এত প্রেমের কবিতা লেখেন, বউদি কি জানেন?”
আবার কেউ জিজ্ঞেস করতো—“চুল–দাড়ি কাটেন না কেন?”
আর কেউ লিখতো—“ব্রিটিশদের নাইট উপাধি না নিলেও পারতেন।”
কিছু ‘সমর্থক টাইপ’ কমেন্ট আসতো—“পাশে আছি গুরু, সাপোর্ট দিলে সাপোর্ট পাবেন!”

রবীন্দ্রনাথ হয়তো মুচকি হেসে বলতেন

“মানুষের ভাষা বদলায়, কিন্তু কৌতূহল, হিংসা আর ভালোবাসা একই থাকে।”

আজকের দিনে আমি রাজনীতি করছি—দেখি, দৃশ্যটা প্রায় একই রকম।
আমি যদি বলি আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী, কেউ বলে “আওয়ামী লীগের লুকানো লোক”, কেউ বলে “বিএনপির প্রজেক্ট”,
কেউ আবার টেনে আনে ২০১৮ সালের নাগরিক ঐক্যের গল্প।
কেউ নিশ্চিত করে বলে দেন—“এই লোক গণতন্ত্র মঞ্চের।”
আবার কেউ লেখে—“ভাই, আপনি কনফিউজড রাজনীতিক!”,
আর কেউ ব্যঙ্গ করে—“ব্রু, মাঠে ভোট নাই, ফেসবুকেই বিপ্লব!”
কেউ হাসে, কেউ ব্যঙ্গ করে, কেউ আবার ইনবক্সে বলে—“পাশে আছি ভাই, কাজ করতে চাই।”

আমি হাসি। কারণ জানি—
আমাদের সময়ের রাজনীতি এখন এমন—যেখানে যুক্তির আগে আসে মিম, মতের আগে আসে ট্রল।
রবীন্দ্রনাথের যুগে কেউ ভুল বুঝতো তাঁর সাহিত্য, আর আজ ভুল বোঝা হয় আমার রাজনীতি।

তবু আমি বিশ্বাস রাখি—
এই হাসিঠাট্টা, ব্যঙ্গ আর অপপ্রচারের ভেতর দিয়েই একদিন সত্যিকারের পরিবর্তনের সুর উঠবে।
যেমন রবীন্দ্রনাথের “শেষের কবিতা” সত্যিকার অর্থে “শেষ” ছিল না,
বরং এক নতুন সূচনার গল্প—
তেমনি আমার পথও থেমে থাকবে না,
বরং নতুন বাংলাদেশ গড়ার পথে এটা হবে একটুকরো দৃঢ় পদক্ষেপ।

(বি:দ্র: রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে তুলনা করার ধৃষ্টতা আমার নেই।
তবু “সহমত–রহমত–একমত” ভাইদের মতোই, “ধমকমত” ভাইদের জন্যও এ লেখা আনতে হলো!)

ব্যারিস্টার সোহরাব খান চৌধুরী — আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও সামাজিক চিন্তক।
তিনি কুমিল্লা–৫ (ব্রাহ্মণপাড়া–বুড়িচং) আসনের আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী।
স্বচ্ছ রাজনীতি, নতুন প্রজন্মের অংশগ্রহণ ও মূল্যবোধভিত্তিক পরিবর্তনের পক্ষে কাজ করছি।


More News Of This Category
bdit.com.bd