কুয়েত ভীসা বিক্রির কারণে নাগরিক সহ ভিন্ন জাতীয়তার প্রবাসী আটক,
আবু নাসের মহিউদ্দিন,
কুয়েত প্রতিনিধি,
কুয়েত ভীসা বিক্রির প্রমাণিত হওয়ায় কুয়েত আইনশৃঙ্খলা বাহীনি MOI কিছু কোম্পানির মালিক,কর্মচারী সহ মধ্যস্বত্বভোগী এবং সরকারি কর্মচারীদের জড়িত রেসিডেন্সি জালিয়াতির নেটওয়ার্কের মুখোশ খুলে দিয়েছে
কুয়েত রেসিডেন্সি বিষয়ক সাধারণ বিভাগ তদন্তে র মাধ্যমে অর্থের বিনিময়ে কর্মী নিয়োগের জন্য কোম্পানির লাইসেন্স প্রদানকারী একটি বড় নেটওয়ার্কের সন্ধান পাওয়া গেছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতে, গ্রেপ্তারকৃতরা ২৮টি কোম্পানির লাইসেন্স ব্যবহার করে ৩৮২ জন কর্মীকে নিয়োগ করেছিল, প্রতি কর্মীর জন্য ৮০০ থেকে ১,০০০ কুয়েতি দিনার নিয়ে ভীসা লেনদেন করেছে, অন্যদিকে শ্রম চাহিদার অনুমান হেরফের করতে এবং সিস্টেমে কর্মীদের তথ্য যোগ করার জন্য জনশক্তি কর্তৃপক্ষের কর্মীদের ২০০ থেকে ২৫০ কুয়েতি দিনার অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করা হয়েছিল। তদন্তে জানা গেছে যে একজন কুয়েতি কোম্পানির মালিক এবং ব্যবস্থাপক একজন মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে ঘুষ দিয়েছিলেন, একজন মিশরীয় ব্যবস্থাপক যিনি কর্মী নিয়োগ এবং বসবাসের সুবিধা প্রদান করেছিলেন, একজন মিশরীয় টাইপিস্ট যিনি ঘুষ এবং তথ্য হেরফের সমন্বয় করেছিলেন, একজন মিশরীয়/ফিলিস্তিনি মধ্যস্থতাকারী যিনি আমানত এবং স্থানান্তরের মাধ্যমে অর্থ প্রদান করেছিলেন।
ক্যাপিটাল লেবার ডিমান্ড অ্যাসেসমেন্ট বিভাগের একজন কুয়েতি সুপারভাইজার যিনি চাহিদা হেরফের করেছিলেন এবং তার পরিচয়পত্র ভাগ করে নিয়েছিলেন, এবং হাওয়ালি শ্রম বিভাগের একজন কুয়েতি ভারপ্রাপ্ত পরিচালক যিনি তার সহকর্মীর লগইন পরিচয়পত্র ব্যবহার করে অবৈধ সংযোজন প্রক্রিয়া করেছিলেন। সমস্ত সন্দেহভাজনকে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে এবং ঘুষ, জালিয়াতি এবং অর্থের বিনিময়ে আবাসন বিক্রির অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
কুয়েত ভীসা বিক্রি ও দালাল চক্রের মধ্যে বাংলাদেশ দালালদের প্রতারণা অনেক তাঁরা সাধারণ মানুষকে প্রলোভন দেখায় লক্ষ লক্ষ টাকা কামানো যাবে এয়ারপোর্টে, মসজিদ মার্কেট সহ ভাল ভাল স্থানে কাজ দিবে বলে ভীসা বিক্রি করে।তাই এদের এমন প্রতারণা থেকে সবাইকে সাবধান করা হয়েছে বাংলাদেশ দূতাবাস কুয়েত থেকে।
আজ ২৮ আগষ্ট ২০২৫ রোজ বৃহস্পতিবার.