এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানালেন শার্শা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান লিটন
রিপোর্ট:নাজমুল হাসান
শার্শা, যশোর | ১০ জুলাই ২০২৫:
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের প্রতি হৃদয়গ্রাহী শুভেচ্ছা ও আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন যশোরের শার্শা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জনমানুষের আস্থার প্রতীক নুরুজ্জামান লিটন। একইসঙ্গে যারা এবারে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জন করতে পারেননি, তাদের প্রতি প্রেরণাদায়ী ভাষায় ধৈর্য ধরে আরও মনোযোগী হয়ে প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) ফলাফল প্রকাশের পর এক শুভেচ্ছা বার্তায় নুরুজ্জামান লিটন বলেন—
“আজকের উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরাই একদিন এই দেশের শিক্ষিত, দায়িত্ববান নাগরিক হয়ে জাতির অগ্রযাত্রায় নেতৃত্ব দেবে। আমরা বিশ্বাস করি, তাদের হাত ধরেই বাংলাদেশ বিশ্বসভায় মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে।”
তিনি আরও বলেন—
“শার্শা উপজেলার সকল উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী, তাদের অভিভাবক এবং শ্রদ্ধেয় শিক্ষকবৃন্দকে জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। তাদের কঠোর পরিশ্রম ও নিষ্ঠার ফল আজকের এই সাফল্য। আমরা গর্বিত।”
তবে এখানেই থেমে যাননি তিনি। যেসব শিক্ষার্থী এবার সফল হতে পারেনি, তাদের উদ্দেশেও অত্যন্ত সংবেদনশীল ভাষায় বলেন—
“জীবনের এই ছোট্ট বাঁকে হোঁচট মানেই পরাজয় নয়। ধৈর্য ধরো, মনোযোগ দিয়ে আবার প্রস্তুতি নাও। ব্যর্থতা আসলে সাফল্যেরই প্রস্তুতিপর্ব।”
ছাত্রদের প্রতি ভালোবাসার বিরল দৃষ্টান্ত
শুধু রাজনৈতিক নেতা নন, নুরুজ্জামান লিটনের সবচেয়ে বড় পরিচয়—তিনি ছাত্রবান্ধব। স্কুলের বেঞ্চে বসে থাকা ছাত্র থেকে শুরু করে উচ্চশিক্ষায় থাকা তরুণদের জন্য তিনি নিরন্তর ভালোবাসার আর আশ্রয়ের নাম। খেলাধুলা হোক কিংবা সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড—প্রতিটি উদ্যোগে তার সক্রিয় সহযোগিতা ছাত্রসমাজের মধ্যে এক গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা সৃষ্টি করেছে।
ছাত্রদের সাফল্যে যেমন তিনি সবচেয়ে আগে হাততালি দেন, তেমনি তাদের ব্যর্থতায় সবার আগে কাঁধে হাত রাখেন। এই বিরল মানবিক গুণই তাকে শার্শা উপজেলার জনপ্রিয়তার সিংহাসনে বসিয়েছে।
শিক্ষা, নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধে অটল অবস্থান
নুরুজ্জামান লিটনের রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে শিক্ষা। তিনি বিশ্বাস করেন,
“একটি শিক্ষিত জাতিই পারে দুর্নীতি ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে, ন্যায় ও প্রগতির পক্ষে কথা বলতে।”
তাই তিনি নিজ এলাকায় বই বিতরণ, স্কুল উন্নয়ন, ট্যালেন্টপুল শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনার মতো বহু শিক্ষামূলক উদ্যোগে যুক্ত থেকেছেন নিবেদিতভাবে।
একইসঙ্গে তার ধর্মীয় মূল্যবোধও অনুকরণীয়। ইসলামী সংস্কৃতি, আদর্শ ও নৈতিক জীবনের চর্চাকে তিনি ছাত্রজীবন থেকেই লালন করে আসছেন। নিয়মিত ধর্মীয় অনুষ্ঠানে উপস্থিতি এবং তরুণদের ধর্মীয় অনুশাসনের প্রতি উদ্বুদ্ধ করাও তার অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
একজন প্রতিশ্রুতিশীল নেতা, একজন শিক্ষার্থীবান্ধব ভবিষ্যৎ
এই শুভেচ্ছা বার্তা শুধুমাত্র কথার ফুলঝুরি নয়—এটি তার রাজনৈতিক দর্শনের প্রতিফলন। তিনি যে শার্শার ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরি করতে চান, সেটিই এই ছাত্রপ্রেমের নেপথ্য কারণ। জনপ্রিয়তার শীর্ষে থেকেও তিনি ক্ষমতার নয়, ছাত্রসমাজের হৃদয়ের মুকুটটাই বেশি গুরুত্ব দেন।
তার নিজের ভাষায়— “আমি রাজনীতি করি, কিন্তু স্বপ্ন দেখি শিক্ষার্থীদের নিয়ে। তারা বড় হোক, স্বপ্ন দেখুক, জয় করুক—এই প্রত্যাশা থেকেই আমি কাজ করে যাচ্ছি।”