শেখ হাসিনার শাসনামল, বিএনপির দীর্ঘ আন্দোলন ও তারেক রহমানের নেতৃত্ব: রাজনৈতিক পালাবদলের অন্তরালের গল্প
১৬ বছরের শাসন, ভারতকে ট্রানজিট, অর্থনীতি ও রাজনৈতিক নিপীড়নের অভিযোগ; বিএনপির দাবি—দীর্ঘ আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আসে চূড়ান্ত পরিবর্তন
বিশেষ প্রতিবেদন | Daily Bangladesh First News
বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ শাসনামল যেমন ব্যাপক উন্নয়ন ও অবকাঠামোগত পরিবর্তনের দাবি নিয়ে আলোচিত, তেমনি একই সময়ে রাজনৈতিক বিরোধীদের ওপর নিপীড়ন, গুম-খুন, মামলা, অর্থ পাচার, প্রশাসনিক প্রভাব বিস্তার এবং জাতীয় স্বার্থসংক্রান্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে রয়েছে বিস্তর বিতর্ক ও অভিযোগ।
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণআন্দোলন ও পরবর্তী রাজনৈতিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে দেশের রাজনীতিতে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়। সেই পরিবর্তনের পেছনে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পাশাপাশি দীর্ঘদিনের বিরোধী রাজনৈতিক আন্দোলনের ভূমিকা নিয়েও ব্যাপক আলোচনা রয়েছে।
বিশেষ করে বিএনপি দাবি করে আসছে, শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে প্রায় দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে তারা রাজপথে আন্দোলন করেছে এবং সেই ধারাবাহিক আন্দোলনের ফলেই ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় দেশব্যাপী রাজনৈতিক প্রতিরোধ গড়ে ওঠার পরিবেশ তৈরি হয়।
ভারতকে ট্রানজিট: প্রত্যাশা বনাম বাস্তবতা
২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর বিষয়টি গুরুত্ব পায়। ভারতকে বাংলাদেশের সড়ক, নৌ ও রেলপথ ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া নিয়ে সে সময় ব্যাপক রাজনৈতিক বিতর্ক সৃষ্টি হয়।
সরকারের পক্ষ থেকে যুক্তি ছিল, আঞ্চলিক যোগাযোগ ও ট্রানজিট সুবিধা বাংলাদেশকে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান করবে। ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়বে, অবকাঠামোর ব্যবহার বৃদ্ধি পাবে এবং বাংলাদেশ আঞ্চলিক যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত হবে—এমন প্রত্যাশাও প্রকাশ করা হয়েছিল।
তবে এর আর্থিক সুফল কতটা বাংলাদেশ পেয়েছে, তা নিয়ে পরবর্তী সময়ে প্রশ্ন ওঠে। বিভিন্ন রাজনৈতিক বক্তব্য ও সংবাদ প্রতিবেদনে ট্রানজিট থেকে বাংলাদেশের আয় এবং এর বিপরীতে অবকাঠামো ও নিরাপত্তা ব্যয়ের তুলনা নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন হিসাব উপস্থাপন করা হয়েছে।
ফলে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে—ট্রানজিটের প্রকৃত অর্থনৈতিক লাভ-ক্ষতির হিসাব কী এবং বাংলাদেশের স্বার্থ কতটা নিশ্চিত হয়েছে?
এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে সরকারি হিসাব, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের নথি, ট্রানজিট ফি, অবকাঠামো ব্যয় এবং নিরাপত্তা ব্যয়ের পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশ ও স্বাধীনভাবে যাচাই প্রয়োজন।
অর্থ পাচারের অভিযোগ: কত টাকা বিদেশে গেছে?
আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ শাসনামল নিয়ে সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগগুলোর একটি হলো বিপুল অর্থ বিদেশে পাচার।
উল্লিখিত নিবন্ধে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের তথ্যের বরাত দিয়ে ২০০৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত প্রায় ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচারের দাবি করা হয়েছে।
এটি অত্যন্ত বড় একটি পরিসংখ্যান। ফলে এ ধরনের দাবি মূল্যায়নের ক্ষেত্রে কোন প্রতিষ্ঠান কী পদ্ধতিতে হিসাব করেছে, সেটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অর্থ পাচারের হিসাব বিভিন্ন সংস্থা বিভিন্ন পদ্ধতিতে করে থাকে। বাণিজ্যভিত্তিক হিসাব, অবৈধ আর্থিক প্রবাহ, ওভার-ইনভয়েসিং, আন্ডার-ইনভয়েসিং এবং অন্যান্য আর্থিক সূচকের ভিত্তিতে হিসাবের পরিমাণে পার্থক্য হতে পারে।
তাই রাজনৈতিক বক্তব্যের বাইরে গিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক, অর্থ মন্ত্রণালয়, আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং সংশ্লিষ্ট তদন্ত সংস্থার তথ্যের সঙ্গে এসব পরিসংখ্যান মিলিয়ে দেখা জরুরি।
ঋণের বোঝা ও মেগা প্রকল্প নিয়ে বিতর্ক
শেখ হাসিনা সরকারের সময় পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, কর্ণফুলী টানেল, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ একাধিক বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়েছে।
সরকার এসব প্রকল্পকে দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাইলফলক হিসেবে তুলে ধরেছে। অন্যদিকে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো অভিযোগ করেছে, বড় প্রকল্পের ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি, দুর্নীতি এবং ঋণের বোঝা দেশের অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে।
২০০৯ সালের তুলনায় পরবর্তী সময়ে সরকারের মোট ঋণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে—এ বিষয়ে বিতর্ক নেই। তবে সেই ঋণের কত অংশ উন্নয়ন ব্যয়ে ব্যবহৃত হয়েছে, কত অংশ বৈদেশিক ঋণ পরিশোধে গেছে এবং দুর্নীতি বা অনিয়মের কারণে কত অর্থ অপচয় হয়েছে—এসব বিষয়ে পৃথক ও নির্ভরযোগ্য হিসাব প্রয়োজন।
বিএনপির দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম
শেখ হাসিনা সরকারের দীর্ঘ সময়ে বিএনপি ছিল প্রধান বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিগুলোর একটি।
বিএনপির নেতারা দাবি করেন, ২০০৯ সালের পর থেকে দলটির লাখ লাখ নেতাকর্মী রাজনৈতিক মামলা, গ্রেপ্তার, হামলা, নির্যাতন এবং নানা ধরনের হয়রানির শিকার হয়েছেন।
দলের দাবি অনুযায়ী, বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এবং অনেক নেতা-কর্মী দীর্ঘ সময় আত্মগোপনে বা কারাগারে ছিলেন।
বিএনপির ভাষ্য অনুযায়ী, এই দীর্ঘ রাজনৈতিক প্রতিকূলতার মধ্যেও দলের সাংগঠনিক কাঠামো ধরে রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
তারেক রহমান: দীর্ঘ নির্বাসন থেকে নেতৃত্ব
২০০৭ সালে গ্রেপ্তারের পর তারেক রহমান কারাভোগ করেন। পরবর্তীতে চিকিৎসার জন্য তিনি যুক্তরাজ্যে যান এবং দীর্ঘ সময় দেশের বাইরে অবস্থান করেন।
বিএনপির বক্তব্য হলো, বিদেশে অবস্থান করেও তিনি দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম এবং সরকারবিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন।
দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বিভিন্ন সময়ে দেওয়া বক্তব্য ও নির্দেশনার মাধ্যমে তিনি আন্দোলনকে সংগঠিত রাখার চেষ্টা করেছেন—এমন দাবি বিএনপির।
অন্যদিকে তার রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক রয়েছে। ফলে তারেক রহমানের রাজনৈতিক অবদান মূল্যায়নের ক্ষেত্রে সমর্থকদের বক্তব্যের পাশাপাশি সমালোচকদের মতামত এবং ঐতিহাসিক ঘটনাপ্রবাহও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান: ছাত্র-জনতা ও রাজনৈতিক শক্তির সমন্বয়
২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন শুরু হয় শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে। পরবর্তীতে আন্দোলনটি ব্যাপক জনসম্পৃক্ততা লাভ করে এবং দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এতে যুক্ত হয়।
বিএনপি দাবি করে, তাদের নেতাকর্মীরাও এই আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছেন এবং বহু নেতাকর্মী হতাহত হয়েছেন।
তবে জুলাই-আগস্টের আন্দোলনকে কেবল একটি রাজনৈতিক দলের আন্দোলন হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এটি ছিল ছাত্রসমাজ, সাধারণ মানুষ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক শক্তির অংশগ্রহণে গড়ে ওঠা একটি বৃহৎ গণআন্দোলন।
এই আন্দোলনের প্রকৃত ইতিহাস মূল্যায়নে সব পক্ষের ভূমিকা তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে নথিভুক্ত করা প্রয়োজন।
খালেদা জিয়া ও জিয়া পরিবারের রাজনৈতিক অধ্যায়
শেখ হাসিনা সরকারের সময়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা ও কারাবাসের ঘটনা বাংলাদেশের রাজনীতিতে ব্যাপক আলোচিত হয়েছে।
বিএনপি এসব মামলাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও হয়রানিমূলক বলে দাবি করে আসছিল। অন্যদিকে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, মামলাগুলো আইনগত প্রক্রিয়ার অংশ।
খালেদা জিয়ার দীর্ঘ কারাবাস, তার শারীরিক অসুস্থতা এবং পরবর্তীতে চিকিৎসা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক বাংলাদেশের রাজনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলে।
তার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুও বিএনপির রাজনীতিতে একটি আবেগঘন অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়।
গুম-খুন ও রাজনৈতিক মামলার অভিযোগ
শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুম এবং ব্যাপক রাজনৈতিক মামলার অভিযোগ করা হয়েছে।
বিএনপি বিভিন্ন সময়ে দাবি করেছে, তাদের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী গুম, হত্যাকাণ্ড, হামলা ও মামলার শিকার হয়েছেন।
তবে এসব সংখ্যার ক্ষেত্রে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, মানবাধিকার সংগঠন ও সরকারি সংস্থার হিসাবের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। তাই কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট মানবাধিকার প্রতিবেদন, সরকারি নথি ও স্বাধীন অনুসন্ধানের তথ্য মিলিয়ে দেখা প্রয়োজন।
‘মহারাজ’ নয়, জনগণের জবাবদিহিই শেষ কথা
বাংলাদেশের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে ব্যক্তি ও দলকেন্দ্রিক রাজনীতি বড় ভূমিকা পালন করেছে। ক্ষমতাসীন দল নিজেদের উন্নয়নের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরেছে, আর বিরোধী দল নিজেদের জনগণের অধিকার রক্ষার প্রধান শক্তি হিসেবে উপস্থাপন করেছে।
কিন্তু গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে কোনো ব্যক্তি বা দলই ‘মহারাজ’ নন।
ক্ষমতাসীনদের যেমন জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে হয়, বিরোধী দলকেও নিজেদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, বক্তব্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার জন্য জনগণের কাছে জবাব দিতে হয়।
রাজনীতিতে জনপ্রিয়তা অর্জনের জন্য অতিরঞ্জিত দাবি, একতরফা ইতিহাস কিংবা ব্যক্তিপূজার পরিবর্তে প্রয়োজন তথ্য, যুক্তি ও বাস্তব কর্মপরিকল্পনা।
আগামী বাংলাদেশের প্রশ্ন
শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশের সামনে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—দেশ কোন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পথে এগোবে?
গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, আইনের শাসন, দুর্নীতি দমন, অর্থনৈতিক সংস্কার, কর্মসংস্থান, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে দলীয় প্রভাবমুক্ত করার দাবি এখন সাধারণ মানুষের আলোচনায়।
বিএনপি ও তারেক রহমান দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের ক্ষেত্রে নিজেদের প্রস্তুত হিসেবে উপস্থাপন করছে। দলটির দাবি, তারা রাষ্ট্র পরিচালনায় নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করবে।
কিন্তু জনগণের কাছে শেষ পর্যন্ত রাজনৈতিক বক্তব্যের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হবে বাস্তব ফলাফল।
শেষ কথা
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে শেখ হাসিনার দীর্ঘ শাসনামল, বিএনপির দীর্ঘ আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান—তিনটি অধ্যায়ই ভবিষ্যতে ব্যাপকভাবে বিশ্লেষিত হবে।
কোন পক্ষ কতটা সফল, কে কতটা ব্যর্থ, কার দাবির পেছনে কতটা সত্য এবং কার বক্তব্য রাজনৈতিক প্রচারণা—এসবের চূড়ান্ত মূল্যায়ন করবে সময়, ইতিহাস এবং জনগণ।
তাই রাজনীতির মঞ্চে ‘মহারাজ’ চরিত্রে অভিনয়ের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো জনগণের আস্থা অর্জন করা। কারণ ক্ষমতার মুকুট সাময়িক; কিন্তু ইতিহাসের আদালতে প্রমাণ, সত্য, জবাবদিহি ও জনগণের রায়ই শেষ কথা।
সম্পাদনা নোট: এই প্রতিবেদনে উল্লিখিত রাজনৈতিক অভিযোগ, পরিসংখ্যান ও বক্তব্যের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মূল উৎস যাচাই করে প্রকাশ করা উচিত। কোনো অভিযোগকে আদালত বা তদন্তে প্রমাণিত না হলে ‘অভিযোগ’, ‘দাবি’ বা ‘বক্তব্য’ হিসেবেই উপস্থাপন করতে হবে।
#শেখহাসিনা #বিএনপি #তারেকরহমান #খালেদাজিয়া #জুলাইগণঅভ্যুত্থান #বাংলাদেশেররাজনীতি #রাজনৈতিকবিশ্লেষণ #গণতন্ত্র #জবাবদিহি #DailyBangladeshFirstNews