• শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বেনাপোলের কথিত হুন্ডি ব্যবসায়ী আক্তার হোসেনকে গ্রেপ্তারে ছাত্রলীগ কর্মীর ক্ষোভ কলাতলীতে নির্মাণাধীন ‘পালং অপ প্যানোয়া’ হোটেলে হামলা, ভাঙচুর ও সিসিটিভি ক্যামেরা নষ্টের অভিযোগ; নগদ ১ লাখ টাকা লুটের দাবি মাদক ব্যবসা ও বিভিন্ন অপকর্মের প্রতিবাদ করায় ফেসবুকে অপপ্রচারের অভিযোগ, টিপুর তীব্র নিন্দা রাজশাহী মহানগর যুবদল ও বোয়ালিয়া থানা পূর্ব যুবদলের সদস্য আলিফ নুর ই জিহাদি টিপুর দাবি; ‘মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নের চেষ্টা’ জুলাই যোদ্ধা আয়াসকে হত্যার হুমকি, থানায় ইমির বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ নোবিপ্রবিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে নবীনবরণ নবীনদের জ্ঞান, দক্ষতা ও উদ্ভাবনী শক্তিতে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসির কথিত অডিও ঘিরে তীব্র প্রশ্ন ‘দেশের সব পুলিশ আওয়ামী লীগের পক্ষে’, ‘হাসিনা ফিরলে পুলিশ সহযোগিতা করবে’—কথিত বক্তব্যের সত্যতা যাচাই ও তদন্তের দাবি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, অপতথ্য ও অ্যাক্রেডিটেশন বাতিল—প্রশ্ন উঠছে সাংবাদিকতার পরিবেশ নিয়ে হাসিনা-পুতিন ফোনালাপের অসমর্থিত দাবি থেকে মির্জা ফখরুলের চিকিৎসা সহায়তার ভুয়া তথ্য— ছাত্ররাজনীতির মাঠ থেকে কেন্দ্রীয় যুবদলের নেতৃত্ব, এরপর শার্শা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক—দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ৩০ আগস্ট সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপশহরের কালাইঘর এলাকার একটি বাসায় সিগারেটের আগুনে শামিম পারভেজ বাদল দগ্ধ সর্ব স্তরের মানুষের নিকট সুন্দর ও সহজভাবে কোরআনের শিক্ষা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এসএম জাহাঙ্গীর হোসেনের মহতী উদ্যোগ।

রাঙ্গুনিয়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটিতে যুবলীগ নেতার দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্ততার অভিযোগ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি ঘিরে বিতর্ক; নীতিমালা মেনে সদস্য মনোনয়ন হয়েছে কি না—উঠছে প্রশ্ন

বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ ডেস্ক রিপোর্ট / ১৬৮ Time View
Update : শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

 

রাঙ্গুনিয়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটিতে যুবলীগ নেতার দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন

আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্ততার অভিযোগ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি ঘিরে বিতর্ক; নীতিমালা মেনে সদস্য মনোনয়ন হয়েছে কি না—উঠছে প্রশ্ন

রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধি | দৈনিক বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পোমরা ইউনিয়নের সাপলেজাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটিতে দিদারুল আলম নামে এক ব্যক্তির অন্তর্ভুক্তি নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে নতুন করে প্রশ্ন ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, দিদারুল আলম অতীতে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং যুবলীগের রাজনীতিতেও সক্রিয় ছিলেন। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন ও চূড়ান্ত সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয় বিএনপির তৃণমূল নেতা-কর্মী ও কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, রাজনৈতিকভাবে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ থাকা একজন ব্যক্তিকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটিতে দায়িত্ব দেওয়ার আগে তার সামাজিক পরিচয়, যোগ্যতা, রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা এবং কমিটিতে অন্তর্ভুক্তির বৈধ প্রক্রিয়া যথাযথভাবে যাচাই করা হয়েছে কি না, সেটিই এখন প্রধান প্রশ্ন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ছবি ঘিরে আলোচনা

স্থানীয়দের দাবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন ছবি ও স্থানীয়ভাবে সংরক্ষিত কিছু ছবিতে দিদারুল আলমকে আওয়ামী লীগের সাবেক প্রচার সম্পাদক হাসান মাহমুদ, উত্তর জেলা যুবলীগের নেতা খালেদ মাহমুদ এবং উত্তর জেলা ছাত্রলীগের নেতা হালিম আবদুল্লাহর সঙ্গে দেখা যায়।

এছাড়া নৌকা প্রতীকের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেওয়ার ছবিও রয়েছে বলে স্থানীয় কয়েকজন দাবি করেছেন।

তবে কোনো ব্যক্তির সঙ্গে ছবি থাকা বা কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকার বিষয়টিই এককভাবে কোনো ব্যক্তির বর্তমান রাজনৈতিক পরিচয় বা আইনগত অযোগ্যতা প্রমাণ করে না। ফলে এসব ছবির সময়কাল, প্রেক্ষাপট, সত্যতা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বর্তমান অবস্থান স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

২০২৬ সালের নতুন নীতিমালায় কী বলা হয়েছে

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ১৬ মার্চ ২০২৬ তারিখে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন ও কমিটির দায়িত্ব-কর্তব্য বিষয়ে নতুন নীতিমালা জারি করেছে। এর মাধ্যমে এ বিষয়ে আগের প্রজ্ঞাপন ও আদেশ বাতিল করে নতুন কাঠামো নির্ধারণ করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন নীতিমালা অনুসরণ করে ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনের নির্দেশ দেয় এবং ৩০ জুন ২০২৬-এর মধ্যে কমিটি গঠনের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়।

নতুন নীতিমালার আওতায় ব্যবস্থাপনা কমিটিতে প্রধান শিক্ষক বা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সদস্য সচিব হিসেবে থাকেন। অভিভাবক প্রতিনিধি, শিক্ষক প্রতিনিধি, স্থানীয় প্রতিনিধি এবং অন্যান্য নির্ধারিত শ্রেণির সদস্যদের সমন্বয়ে কমিটি গঠনের কাঠামো নির্ধারণ করা হয়েছে। সভাপতি নির্বাচনের ক্ষেত্রেও শিক্ষাগত যোগ্যতা ও নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।

এ কারণে কোনো বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে শুধু কে কোন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন—এমন প্রশ্নের পাশাপাশি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি নীতিমালায় নির্ধারিত শ্রেণির সদস্য হিসেবে যোগ্য কি না এবং তাকে অন্তর্ভুক্ত করার পুরো প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না।

‘রাজনৈতিক পরিচয় যাচাই হয়েছে কি না’—মূল প্রশ্ন এখানেই

সাপলেজাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কমিটিতে দিদারুল আলমের অন্তর্ভুক্তিকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মূল প্রশ্ন হচ্ছে, তাকে কোন শ্রেণির সদস্য হিসেবে মনোনয়ন বা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং তার যোগ্যতা যাচাইয়ের জন্য কী ধরনের প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে।

তিনি যদি কোনো নির্দিষ্ট শ্রেণির প্রতিনিধি হিসেবে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হয়ে থাকেন, তাহলে সেই শ্রেণির জন্য নীতিমালায় নির্ধারিত যোগ্যতা পূরণ করেছেন কি না, সেটিও জনসম্মুখে পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন।

একই সঙ্গে কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তা, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই করেছেন কি না, সেটিও তদন্তের বিষয় হতে পারে।

হাইকোর্টের রায়ের পরও রাজনৈতিক প্রভাবের প্রশ্ন

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন নিয়ে এর আগেও রাজনৈতিক প্রভাবের প্রশ্নে আদালতে বিষয়টি উঠেছে। ২০২৪ সালে হাইকোর্ট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটিতে স্থানীয় সংসদ সদস্যের পরামর্শে সদস্য মনোনয়নের বিধানকে অবৈধ ঘোষণা করেছিলেন বলে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

ফলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনে রাজনৈতিক প্রভাব রয়েছে কি না, কারও রাজনৈতিক পরিচয় বা প্রভাবের কারণে সদস্য নির্বাচন হয়েছে কি না—এসব প্রশ্ন সামনে এলে প্রশাসনের দায়িত্বশীল ও স্বচ্ছ তদন্তের প্রয়োজনীয়তা আরও বাড়ে।

তবে আদালতের ওই সিদ্ধান্তকে কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির বর্তমান কমিটিতে থাকা সরাসরি বেআইনি প্রমাণ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। বরং সংশ্লিষ্ট কমিটি কোন নীতিমালা, কোন ধারার অধীনে এবং কী প্রক্রিয়ায় গঠিত হয়েছে—সেটিই যাচাইয়ের মূল বিষয়।

স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীদের ক্ষোভ

স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতা-কর্মী বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কোনো রাজনৈতিক দলের কার্যালয় নয়। এখানে শিশুদের শিক্ষা, নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং বিদ্যালয়ের সার্বিক পরিবেশ নিশ্চিত করাই ব্যবস্থাপনা কমিটির প্রধান দায়িত্ব।

তাদের ভাষ্য, কমিটির সদস্য নির্বাচনের ক্ষেত্রে ব্যক্তির সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা, শিক্ষাগত যোগ্যতা, বিদ্যালয়ের প্রতি দায়িত্ববোধ, অভিভাবকদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা এবং নীতিমালার শর্ত পূরণের বিষয়গুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

তারা আরও বলেন, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ থাকলে সেটি গুজব বা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার ভিত্তিতে নয়, বরং নথিপত্র, প্রকাশ্য রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে যাচাই করা উচিত।

ইউএনও বললেন, ‘বিষয়টি খতিয়ে দেখছি’

অভিযোগের বিষয়ে রাঙ্গুনিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাজমুল হাসান বলেন, “কীভাবে এই নেতা দায়িত্ব পেলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।”

ইউএনওর এই বক্তব্যের ফলে বিষয়টি প্রশাসনিকভাবে যাচাইয়ের পর্যায়ে রয়েছে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, তদন্তে কী তথ্য পাওয়া যায় এবং কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সরকারি নীতিমালার প্রতিটি ধাপ যথাযথভাবে অনুসরণ করেছে কি না।

দিদারুল আলমের বক্তব্য পাওয়া যায়নি

দিদারুল আলমের রাজনৈতিক পরিচয়, আওয়ামী লীগ বা যুবলীগের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ, নৌকার পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেওয়ার দাবি এবং সাপলেজাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটিতে তার অন্তর্ভুক্তির প্রক্রিয়া সম্পর্কে তার বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।

নথিপত্র যাচাইয়ের দাবি

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, বিতর্কের অবসানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত কমিটি গঠনের সম্পূর্ণ নথিপত্র যাচাই করা। বিশেষ করে দিদারুল আলমকে কোন ক্যাটাগরিতে সদস্য করা হয়েছে, তার শিক্ষাগত যোগ্যতা কী, তাকে কে মনোনয়ন দিয়েছেন, মনোনয়ন দেওয়ার আগে কী কী তথ্য যাচাই করা হয়েছে এবং কমিটি অনুমোদনের সময় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কী কী বিষয় বিবেচনায় নিয়েছে—এসব তথ্য পরিষ্কার করা প্রয়োজন।

এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিগুলোর সত্যতা, ছবির সময়কাল এবং সেগুলোর রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটও যাচাই করা দরকার বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

তদন্তেই বেরিয়ে আসতে পারে প্রকৃত তথ্য

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটি মূলত বিদ্যালয়ের সুশাসন, শিক্ষার পরিবেশ ও স্থানীয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার গুরুত্বপূর্ণ কাঠামো। ২০২৬ সালের নতুন নীতিমালায় কমিটি গঠনের জন্য নতুন কাঠামো ও প্রক্রিয়া নির্ধারণ করা হয়েছে।

তাই কোনো ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে অভিযোগ উঠলে সেটিকে রাজনৈতিক বিরোধের অংশ হিসেবে দেখার পরিবর্তে নীতিমালা অনুযায়ী নিরপেক্ষভাবে যাচাই করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

সাপলেজাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটিতে দিদারুল আলমের অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে সব নিয়ম যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না, প্রশাসনের তদন্তে তারই স্পষ্ট উত্তর পাওয়া যেতে পারে।

এখন স্থানীয়দের অপেক্ষা—প্রশাসনিক যাচাইয়ে অভিযোগের সত্যতা কতটুকু প্রমাণিত হয় এবং বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনে কোনো ধরনের নিয়মবহির্ভূত প্রভাব বা প্রক্রিয়াগত ত্রুটি ছিল কি না।

দৈনিক বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ-এর অবস্থান:
কোনো ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয় বা সংশ্লিষ্টতার অভিযোগকে আদালত বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ছাড়া প্রমাণিত সত্য হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে না। প্রকাশিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য এবং প্রশাসনিক যাচাইকে সমান গুরুত্ব দেওয়া হবে।


More News Of This Category
bdit.com.bd