৯ জুলাই ২০২৫
প্রতিদিন মাত্র ৫টি অভ্যাসে বাড়বে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: পরামর্শ পুষ্টিবিদ রুবাইয়া রীতির
অনলাইন ডেস্ক : বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ
স্বাস্থ্যই সম্পদ — এই প্রবাদ আজকের দিনে আগের চেয়ে আরও বেশি বাস্তব। বিশ্বজুড়ে বাড়ছে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ এবং পরিবেশ দূষণের প্রভাবে দুর্বল হচ্ছে মানুষের ইমিউন সিস্টেম। এর মাঝেও ব্যক্তিগত অভ্যাস ও দৈনন্দিন স্বাস্থ্যসচেতনতা বজায় রেখে নিজেকে সুস্থ রাখা সম্ভব বলে মনে করছেন পুষ্টিবিদ রুবাইয়া রীতি।
ফরাজী হাসপাতাল লিমিটেডের এই খ্যাতনামা পুষ্টিবিদ জানান, প্রতিদিন মাত্র পাঁচটি অভ্যাস নিয়মিত পালন করলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা চোখে পড়ার মতো বাড়বে। তিনি বলেন, “সঠিক জীবনধারা গড়ে তুলতে পারলেই ছোট ছোট পরিবর্তনেই বড় ফল পাওয়া যায়।”
১️⃣ ঘুমের সময় ঠিক রাখুন
রাতে ১১টার মধ্যে ঘুমাতে যাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। ঘুম শরীরের ইমিউন ফাংশনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। ভোরে উঠে দিন শুরু করলে শরীর-মন দুটোই থাকবে সতেজ।
২️⃣ দৈনিক ১০,০০০ স্টেপ হাঁটা
পায়ে হেঁটে চলাফেরা করলে শুধু ওজন নিয়ন্ত্রণ নয়, বরং হৃদযন্ত্র থেকে শুরু করে হজম শক্তি পর্যন্ত সব কিছুই সক্রিয় থাকে। পুষ্টিবিদ রীতি বলেন, “এটা আপনার বডির ন্যাচারাল ডিটক্স।”
৩️⃣ পুষ্টিকর খাবার খান
শাক-সবজি, মাছ, ডিম, কলা, টক জাতীয় ফল, দুধ, টক দই, সালাদ ও গ্রীন টি/আদা চা নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখা জরুরি। এসব খাবারে থাকা ভিটামিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও মিনারেলস শরীরকে ভিতর থেকে গড়ে তোলে।
৪️⃣ ক্ষতিকর খাবার এড়িয়ে চলুন
ফাস্টফুড, সফট ড্রিংকস, অতিরিক্ত চিনি ও তৈলাক্ত খাবার ইমিউন সিস্টেম দুর্বল করে দেয়। এইসব খাদ্য পরিপাক তন্ত্রে ব্যাঘাত সৃষ্টি করে ও শরীরে ইনফ্লেমেশন বাড়ায়।
৫️⃣ প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করুন
প্রতিদিন কমপক্ষে ২.৫–৩ লিটার পানি পান করতে হবে। শরীরের কোষসমূহে অক্সিজেন সরবরাহ, টক্সিন দূরীকরণ এবং ত্বক উজ্জ্বল রাখতে পানি অপরিহার্য।
পুষ্টিবিদ রুবাইয়া রীতি এখন অনলাইনে স্বাস্থ্য ও খাদ্যসংক্রান্ত পরামর্শ প্রদান করছেন। WhatsApp-এর মাধ্যমে সরাসরি যোগাযোগ করা যাবে: 01627-504069।
জনসচেতন মহলে ইতিমধ্যেই এই ৫ দফা অভ্যাস বেশ আলোচিত। অনেকেই বলছেন, করোনার পর মানুষ স্বাস্থ্য নিয়ে বেশি সচেতন হলেও দীর্ঘমেয়াদি অভ্যাসে রূপান্তর না ঘটলে তা স্থায়ী পরিবর্তন আনতে পারবে না। এই পরামর্শ তাই স্বাস্থ্য সচেতনদের জন্য একটি সময়োচিত নির্দেশনা।
স্বাস্থ্য নিয়ে ভাবুন, অভ্যাস বদলান — সুস্থ থাকুন।
এই প্রতিবেদন আপনার প্রিয়জনের সঙ্গে শেয়ার করুন — হতে পারে, তাদের সুস্থ জীবনযাত্রার সূচনা এখান থেকেই।