• শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
প্রেম, বিয়ে ও বিচ্ছেদের পর নতুন অভিযোগ: তানজিলাকে ঘিরে রবিউলের বক্তব্যে উঠছে নানা প্রশ্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয় থেকে বিয়ে; সাত মাসের সংসার ও বিচ্ছেদের দাবি—সরাসরি চ্যাটে রবিউলের একাধিক অভিযোগ যশোর কেশবপুর থানার নবাগত ওসি হাফিজুর রহমান হাফিজের দায়িত্ব গ্রহণ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, জননিরাপত্তা নিশ্চিত ও পুলিশি সেবা আরও কার্যকর করার প্রত্যয় নিষিদ্ধ আ. লীগের নৈরাজ্য ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে রাঙ্গুনিয়ায় যুবদলের বিক্ষোভ সহকারী শিক্ষক খালেদুজ্জামান ও ইউপি সদস্য আসাদুলের ‘গভীর ষড়যন্ত্রের’ প্রশ্ন তুলেছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় সাধারণ মানুষের একাংশ। জাতিসংঘে তারেক রহমানের সঙ্গে ভুটান ও মালদ্বীপের শীর্ষ নেতাদের পৃথক বৈঠক বাংলাদেশ-ভুটান ও বাংলাদেশ-মালদ্বীপের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদারে গুরুত্ব; পারস্পরিক স্বার্থ, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে মতবিনিময় বাংলাদেশের ২০ কোটি মানুষের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে এরদোয়ানের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক বাংলাদেশ-তুরস্কের ঐতিহাসিক বন্ধুত্ব আরও জোরদারে আলোচনা; অর্থনীতি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগে সহযোগিতা সম্প্রসারণের প্রত্যয় যশোরের শার্শা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব  নুরুজ্জামান লিটনের সঙ্গে কৃষকদল ও বিএনপি নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ পলাশবাড়ীতে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে বসতবাড়িতে হামলা ও হুমকির শিকার একটি পরিবার সহকারী শিক্ষক মোঃ খালিদুজ্জামান ও ইউপি সদস্য আসাদুলের সঙ্গে পূর্ববিরোধকে ঘিরে ‘ষড়যন্ত্রের শিকার প্রধান শিক্ষক শার্শায় চলমান বিশেষ অভিযানে নাশকতা মামলার তদন্তে পাওয়া দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে শার্শা থানা পুলিশ

মুরাদ-রেইন ব্যঙ্গে মাতোয়ারা, বিচারহীনতার বাংলাদেশে কন্যা অপমানও অপরাধ নয় ডাক্তার মুরাদ ও নাহিদ রেইন: ব্যঙ্গরাজনীতি ও অপবিত্র ক্ষমতার রক্ষাকবচ

Reporter Name / ২৩২ Time View
Update : সোমবার, ৭ জুলাই, ২০২৫

 

“মুরাদ-রেইন ব্যঙ্গে মাতোয়ারা, বিচারহীনতার বাংলাদেশে কন্যা অপমানও অপরাধ নয়?
ডাক্তার মুরাদ ও নাহিদ রেইন: ব্যঙ্গরাজনীতি ও অপবিত্র ক্ষমতার রক্ষাকবচ?

প্রকাশের তারিখ: ৭ জুলাই ২০২৫

প্রতিবেদক: নাজমুল হাসান

বাংলাদেশের রাজনীতিতে ব্যঙ্গ, অবমাননা ও ব্যক্তিগত আক্রমণ এখন যেন ক্ষমতার এক প্রকার অস্ত্র। অথচ এই অস্ত্র ব্যবহারের দায় শুধুই একপক্ষের উপর চাপিয়ে দিলে সত্যের অসম্মান হয়। বিশেষ করে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় একজন সাবেক প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান ও তথাকথিত ডিজিটাল হিরো ‘নাহিদ রেইন’ প্রকাশ্যে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন তারেক রহমান ও তার কন্যা জাইমা রহমানকে নিয়ে অশ্লীল, ব্যঙ্গাত্মক ও অমানবিক ভাষায় কটাক্ষ করলেও, তৎকালীন রাষ্ট্রযন্ত্র কিংবা ক্ষমতাসীন দল এর বিরুদ্ধে ন্যূনতম প্রতিবাদ তো দূরের কথা—তাদের অনেকাংশে উৎসাহিতই করেছে।

ডা. মুরাদ হাসান: ব্যর্থ রাজনীতিবিদ, সফল বিদ্রূপকার?

প্রাক্তন তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান এক সময় টেলিভিশন টকশো কিংবা ফেসবুক লাইভে নিজেকে “মিডিয়া ফ্রেন্ডলি ফাইটার” হিসেবে উপস্থাপন করতে চেয়েছিলেন। অথচ তার মুখ দিয়ে বেরিয়েছে এমন সব কুরুচিপূর্ণ ভাষা, যা সভ্য সমাজে উচ্চারণযোগ্য নয়। তিনি জাইমা রহমান সম্পর্কে যেসব অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন, তা শুধু একজন রাজনীতিকের সীমা লঙ্ঘন নয়—তা একজন পিতার সম্মান, একজন নারীর অধিকার এবং একজন দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সম্ভাবনার বিরুদ্ধে এক সরাসরি আক্রমণ।

নাহিদ রেইন: ডিজিটাল ব্যঙ্গযোদ্ধা না কি বিভাজনের রূপকার?

নাহিদ রেইন নামের এক ইউটিউবার/ফেসবুক ইনফ্লুয়েন্সার, যিনি “আওয়ামী ঘরানার” ছায়ায় অনলাইন প্রপাগান্ডার পুরোধা। তার বেশ কিছু ভিডিও ক্লিপে দেখা যায়, তিনি চরম ভাষা ব্যবহার করে তারেক রহমানকে “পালাতক সন্ত্রাসী” বলে গালমন্দ করছেন এবং জাইমা রহমানকে ঘিরে “অশ্লীল ও কল্পিত” মন্তব্য ছড়াচ্ছেন, যার ভিত্তি শুধুই রাজনৈতিক বিদ্বেষ। অথচ তার এসব কার্যক্রম আজও ফেসবুকে ঘুরছে, কোনও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের খড়গ তার গায়ে পড়েনি। বরং, তাকে ঘিরেই গড়ে উঠেছে এক প্রোপাগান্ডা ইকোসিস্টেম।

বিএনপির আচরণ: নীরবতা, সৌজন্য না কৌশল?

আশ্চর্যের বিষয় হলো, আজ যখন বিএনপি অনেক কঠিন সময় অতিক্রম করছে, তখন তারেক রহমান কিংবা বিএনপির অন্য কোনও নেতার মুখে মুরাদ বা নাহিদের মতো কুরুচিপূর্ণ শব্দ শোনা যায় না। তাঁরা সরকারি ব্যর্থতা, নির্বাচন ব্যবস্থা, অর্থনৈতিক দুরবস্থা নিয়ে কথা বলেন, কিন্তু ব্যক্তিগত আক্রমণ—বিশেষত পরিবারের সদস্যদের নিয়ে—এভাবে কখনোই করেননি।
এই ব্যতিক্রমী অবস্থানকে কেউ কেউ দুর্বলতা বললেও, বাস্তবিক অর্থে এটি রাজনীতির নৈতিক উচ্চতাকেই তুলে ধরে।

ইউনুস সরকারের ভূমিকা: ন্যায়বিচার, না আত্মনিবৃত্তি?

বর্তমানে, ইউনুস সরকারের কাছে দেশের জনগণ আশাবাদী ছিল—বিচারহীনতার সংস্কৃতি দূর হবে। কিন্তু আজও ডা. মুরাদ কিংবা নাহিদ রেইনের বিরুদ্ধে কোনোরকম দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপের ঘোষণা নেই। এক সময় এই সরকারই বলেছিল—“ন্যায়বিচার সবার জন্য সমান।” তাহলে প্রশ্ন থেকে যায়:

কেন এখনো ব্যঙ্গকারীরা ছুটে বেড়াচ্ছে মুক্ত পাখির মতো?
কেন একজন নারী সম্পর্কে প্রকাশ্যে অপমানজনক মন্তব্য করেও কেউ বিচারের মুখোমুখি হচ্ছে না? জনমতের প্রতিধ্বনি

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানুষের প্রতিক্রিয়া দিনকে দিন তীব্র হচ্ছে। কেউ বলছেন, “রাজনীতিতে ব্যঙ্গ থাকবে, কিন্তু শালীনতা থাকবে না—তা হয় না।”
অনেকে লিখেছেন:

“আজ বিএনপি যা বলেনি, সেটা আওয়ামী লীগ শাসনামলে মানুষ শুনেছে মন্ত্রীদের মুখে। এখন কারা সভ্য আর কারা বর্বর, সেটার বিচারের সময় এসেছে।”

রাজনীতি যদি সংস্কৃতি হয়, তবে ব্যঙ্গ সেখানে বিদ্রোহের ভাষ


More News Of This Category
bdit.com.bd