• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:২৫ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
গাজীপুরে মেট্রিক্স গার্মেন্টসে আগুন, ৬৭ জনকে জীবিত উদ্ধার আটতলা ভবনের তৃতীয় তলায় অগ্নিকাণ্ড, আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৯টি ইউনিট যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের বড় ধাক্কা, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে যশোরের বেনাপোলে মোটরসাইকেল মিছিল করেছেন স্থলবন্দর হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন ৯২৫ ও ৮৯১-এর নেতাকর্মীরা। ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক চেতনায় বেনাপোলকে আধুনিক সীমান্ত নগরী গড়ার প্রত্যয়, জনআস্থার রাজনীতিতে আবু তাহের ভারত এমপি মাজেদ বাবুর বিরুদ্ধে হত্যার ষড়যন্ত্র ও হলফনামায় জালিয়াতির অভিযোগ হাসিনার সেই ‘৪০০ কোটির পিয়ন’ জাহাঙ্গীর: অনুসন্ধান থেকে ১০০ কোটি টাকা পাচারের মামলা, দুই বছরে কতদূর তদন্ত? পরিচয় নিয়ে নতুন বিতর্ক, কোন পক্ষ কতটা যৌক্তিক? ১৭ বছর আওয়ামী লীগের এমপির ‘ছায়াতল’ ও লটারির নাটক: পঞ্চগড়ে চালের ডিলারশিপ বাগিয়ে নেওয়া হাইব্রিড বিএনপি নেতা একরামুল হক মুন্না যশোরে আওয়ামী লীগের নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগের প্রতিবাদে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ হঠাৎ ‘স্যরি’ বলল প্রথম আলো, কেন এই ক্ষমা চাওয়া? সামনে এলো আসল কারণ কবিতা, কলম ও রাষ্ট্রচিন্তায় বহুমাত্রিক পথচলা: কবি অথই নূরুল আমিনের জীবন, সাহিত্যকর্ম ও মানবিক উদ্যোগের বিস্তৃত অধ্যায়

পূর্বাচল নিউ টাউন প্রকল্পে প্লট বরাদ্দ মামলা: রাজনৈতিক কূটচালের অভিযোগে ইউনূস সরকারকে skambhe আক্রমণ সজিব ওয়াজেদ জয়

Reporter Name / ১৯১ Time View
Update : বুধবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৫

 

পূর্বাচল নিউ টাউন প্রকল্পে প্লট বরাদ্দ মামলা: রাজনৈতিক কূটচালের অভিযোগে ইউনূস সরকারকে skambhe আক্রমণ সজিব ওয়াজেদ জয়

তারিখ ও সময়: ১২ আগস্ট ২০২৫, রাত ১১:৪৫
প্রতিবেদক: জনতার কণ্ঠস্বর ডেস্ক
প্রকাশনা: দৈনিক বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ
স্লোগান: জনতার কণ্ঠস্বর
ওয়েবসাইট: www.bangladeshprothomsangbad.com

পূর্বাচল নিউ টাউন প্লট বরাদ্দ মামলা: রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও বিচার বিভাগের অপব্যবহারের নতুন নজির

বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ‘পূর্বাচল নিউ টাউন’ প্রকল্পের জমি বরাদ্দ সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলা নিয়ে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি ও তার পরিবারের দাবি—দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা করেছে, যা স্বৈরাচারী ইউনূস সরকারের পরিকল্পিত কূটচালের অংশ।

অভিযোগের মূল বক্তব্য

অভিযুক্ত পরিবারের দাবি, প্লট বরাদ্দ প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের অনিয়ম হয়নি। আবেদনপত্র জমা থেকে শুরু করে বরাদ্দ অনুমোদন এবং সরকার নির্ধারিত মূল্যে অর্থ পরিশোধ পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ আইন অনুসারে সম্পন্ন হয়েছে। তাদের বক্তব্য, “আমাদের কাউকেই বিনামূল্যে প্লট দেওয়া হয়নি। সরকারি মূল্যে ক্রয় করা জমিকে এখন দুর্নীতির প্রমাণ হিসেবে দেখানো হচ্ছে, যা একটি পরিকল্পিত রাজনৈতিক নাটক।”

দুদকের ভূমিকা ও বিতর্কিত ইতিহাস

অভিযুক্তরা অভিযোগ করেন, দুদক বর্তমানে রাজনৈতিক হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দুর্নীতির অভিযোগে বরখাস্ত হওয়া প্রাক্তন দুদক চেয়ারম্যান আব্দুল মোমেনের উদাহরণ টেনে তারা বলেন, “এই পদে তার প্রধান যোগ্যতা ছিল বিএনপি-পন্থী আমলা হিসেবে পরিচিতি, যিনি খালেদা জিয়ার একান্ত সচিব ছিলেন।”
ইতিহাস ঘেঁটে দেখা যায়, ২০০১-২০০৬ বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় ও পরবর্তীতে ১/১১ সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে দুদককে ব্যাপকভাবে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ দমনে ব্যবহার করা হয়েছিল। বর্তমানে ইউনূস সরকারের আমলেও একই ধারা অব্যাহত রয়েছে বলে অভিযুক্তরা অভিযোগ করছেন।

বিচার বিভাগের উপর রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ

অভিযুক্তদের ভাষ্য অনুযায়ী, ইউনূস সরকারের কঠোর নিয়ন্ত্রণে থাকা বিচার বিভাগ এখন বিএনপি-জামায়াতপন্থী আইনজীবী ও পাবলিক প্রসিকিউটরদের প্রভাবে পরিচালিত হচ্ছে। ভিত্তিহীন অভিযোগ আদালত সহজেই গ্রহণ করছে, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ও সম্পত্তি জব্দের আদেশ দিচ্ছে এবং অনুপস্থিতিতেই বিচার চালিয়ে যাচ্ছে। তারা দাবি করেন, এমনকি রাষ্ট্র কর্তৃক নিযুক্ত আসামিপক্ষের আইনজীবীরাও কোনো আইনি সুরক্ষা পাচ্ছেন না।

আদালতে না লড়ার কারণ

“ইউনূসের শাসনামলে নিরপেক্ষভাবে ন্যায়বিচার পাওয়া সম্ভব নয়”—এমন মন্তব্য করে অভিযুক্তরা বলেন, আওয়ামী লীগের হাজারো সমর্থকও মিথ্যা মামলায় দীর্ঘদিন জামিনবিহীন কারাগারে আছেন। একটি মামলায় জামিন পেলেও অন্য মামলায় ‘গ্রেপ্তার’ দেখিয়ে আটক রাখা হয়, ফলে ন্যায়বিচারের সুযোগ কার্যত শূন্য। তারা উল্লেখ করেন, আদালতের ভেতরে আইনজীবী ও আসামিদের ওপর হামলার ঘটনাও এখন নিয়মিত, যা আইনের শাসনের ধারণাকেই ধ্বংস করছে।

রাজনৈতিক প্রতিহিংসার চক্র

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসে এই ধরনের মামলা নতুন কিছু নয়। অতীতে শেখ হাসিনা সরকারের সময় যেমন বিরোধীদলীয় নেতাদের বিরুদ্ধে হাজার হাজার মামলা হয়েছিল, তেমনি এখন ইউনূস সরকারের আমলেও একই ধরনের অপব্যবহার হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠছে। পার্থক্য শুধু একটাই—আজ যাদের দ্বারা ‘গণতন্ত্র’ রক্ষার কথা বলা হচ্ছে, তারাই বিরোধী কণ্ঠ রোধে বিচারব্যবস্থাকে ব্যবহার করছে।

পূর্বাচল নিউ টাউন মামলাটি কেবল একটি জমি বরাদ্দের প্রশ্ন নয়—এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের নিরপেক্ষতার প্রশ্নকে সামনে নিয়ে এসেছে। অভিযুক্তদের দাবি যদি সত্য প্রমাণিত হয়, তবে এটি হবে বিচারব্যবস্থার আরেকটি কালো অধ্যায়, যেখানে আইনকে রাজনৈতিক অস্ত্রে রূপান্তরিত করা হয়েছে।

বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ ডেস্ক
www.bangladeshprothomsangbad.com


More News Of This Category
bdit.com.bd