• মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
দেশের টেকসই উন্নয়নে সমন্বিত পানি ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্বারোপ,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান, আইন মেনে তালাকের পর সাবেক স্ত্রীর হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা: বৃদ্ধ মায়ের জীবন শঙ্কায়, আতঙ্কে পুরো পরিবার বন্দর এলাকা, পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ড ও সীমান্তপথে যাত্রীদের নিরাপদ চলাচলে প্রশংসায় ভাসছেন বেনাপোল পোর্ট থানার এসআই (নিঃ) মো. রাশেদুজ্জামান ঠাকুরগাঁওয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে ২২০ ইয়াবা, ৯ বোতল ফেনসিডিল ও নগদ ৩২ হাজার টাকা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ এফবিআই প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আইজিপির সৌজন্য সাক্ষাৎ চট্টগ্রাম থেকে ফেরার পথে ডাকাতের কবলে বিএমএসএফ কেন্দ্রীয় সভাপতি আহমেদ আবু জাফর, সহকর্মীদের দোয়া ও সহযোগিতার আহ্বান মাছ ধরতে গিয়ে জেলের জালে মিলল থানা থেকে লুট হওয়া শর্টগান বেনাপোল কাস্টম চেকপোস্টে ‘স্পট ট্যাক্স’ বন্ধ, লাগেজ হয়রানি ও উন্নয়ন প্রশ্নে বাড়ছে জনঅসন্তোষ: রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান: বড়আঁচড়া সড়কের অস্থায়ী সংস্কারে উদ্যোগ, এলাকাবাসীর মাঝে স্বস্তি বেনাপোলের গর্ব মারিয়া আফরিন তিষু: ছাত্ররাজনীতিতে নেতৃত্ব, গণমাধ্যমে আত্মবিশ্বাসী উপস্থাপনায় নতুন প্রজন্মের অনুপ্রেরণা

দেশের টেকসই উন্নয়নে সমন্বিত পানি ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্বারোপ,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান,

নাজমুল হাসান চিফ ইন এডিটর / ১৪ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬

 

দেশের টেকসই উন্নয়নে সমন্বিত পানি ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্বারোপ,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান,
খাল পুনরুদ্ধার, নদী রক্ষা, নগর ড্রেনেজ উন্নয়ন ও বৃষ্টির পানি সংরক্ষণে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত

স্টাফ রিপোর্টার | দৈনিক বাংলাদেশ পোস্ট২৪
দেশের পানি ব্যবস্থাপনাকে শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়নের বিষয় হিসেবে নয়, বরং পরিবেশ, কৃষি, জনস্বাস্থ্য এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপত্তার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত একটি জাতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট ২০২৬) বাংলাদেশ সচিবালয়ে পানি, পরিবেশ ও প্রকৌশল খাতের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে এক দীর্ঘ মতবিনিময় সভা শেষে প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন। পোস্টে তিনি জানান, দেশের পানি সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে বিশেষজ্ঞদের বিভিন্ন মতামত, পরামর্শ ও সুপারিশ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, দেশের পানি ব্যবস্থাপনা কেবল সেচ, নদী বা বাঁধ নির্মাণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, নিরাপদ পানির প্রাপ্যতা বৃদ্ধি, পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
সভায় বিশেষজ্ঞরা দেশের পানি খাতের বিদ্যমান বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ এবং সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। বিশেষ গুরুত্ব পায় দীর্ঘদিন ধরে দখল ও ভরাটের কারণে অস্তিত্ব সংকটে থাকা খাল পুনরুদ্ধারের বিষয়টি। বক্তারা বলেন, খালগুলোর স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনা গেলে জলাবদ্ধতা কমবে, ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ হ্রাস পাবে এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
আলোচনায় নদীর নাব্যতা রক্ষা, নদীতীর সংরক্ষণ, ভাঙন প্রতিরোধ এবং বাঁধগুলোর স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে নদী ও বাঁধ ব্যবস্থাপনা আরও বিজ্ঞানভিত্তিক এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার আওতায় আনতে হবে।
নগরাঞ্চলের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়েও বিস্তৃত আলোচনা হয়। দ্রুত নগরায়নের ফলে অনেক শহরে জলাবদ্ধতা একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা, পরিকল্পিত নগর উন্নয়ন এবং সমন্বিত পানি ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন বিশেষজ্ঞরা।
সভায় বর্জ্য পানি পরিশোধনের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হয়। শিল্প ও নগর বর্জ্য যথাযথভাবে পরিশোধন ছাড়া নদী বা জলাশয়ে ফেলা হলে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি সৃষ্টি হয় বলে মত দেন অংশগ্রহণকারীরা। তাই আধুনিক বর্জ্য পানি শোধনাগার স্থাপন এবং বিদ্যমান ব্যবস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধির সুপারিশ করা হয়।
এছাড়া বৃষ্টির পানি সংরক্ষণকে ভবিষ্যতের পানি সংকট মোকাবিলার অন্যতম কার্যকর উপায় হিসেবে উল্লেখ করা হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারি-বেসরকারি ভবন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিল্পপ্রতিষ্ঠান এবং আবাসিক এলাকায় বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তুললে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমানো সম্ভব হবে।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর ফেসবুক পোস্টে জানান, একটি টেকসই, বিজ্ঞানভিত্তিক এবং সমন্বিত পানি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি বলেন, নিরাপদ পানি ও সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করাই সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার এবং এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, পানি ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে এ ধরনের নিয়মিত মতবিনিময় দেশের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, নগর ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন এবং পরিবেশ সংরক্ষণে কার্যকর নীতি প্রণয়নের ক্ষেত্রেও এটি সহায়ক হবে।
বিশেষজ্ঞদের অভিমত, পানি সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করতে সমন্বিত পরিকল্পনা, আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগ, গবেষণাভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধি অপরিহার্য। সরকারের উদ্যোগের পাশাপাশি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি সংস্থা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমেই একটি নিরাপদ, টেকসই ও পরিবেশবান্ধব পানি ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
তথ্যসূত্র: মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের ৪ আগস্ট ২০২৬ তারিখের ফেসবুক পোস্টে প্রকাশিত তথ্য।


More News Of This Category
bdit.com.bd