• সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০১:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বেনাপোল কাস্টম চেকপোস্টে ‘স্পট ট্যাক্স’ বন্ধ, লাগেজ হয়রানি ও উন্নয়ন প্রশ্নে বাড়ছে জনঅসন্তোষ: রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন ডেস্ক রিপোর্ট | দৈনিক বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ও কাস্টমস দেশের রাজস্ব আহরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রতিদিন হাজারো যাত্রী এবং শত শত আমদানি-রপ্তানির চালান এই বন্দর দিয়ে যাতায়াত করে। অথচ দীর্ঘদিন ধরে যাত্রীসেবা, লাগেজ ব্যবস্থাপনা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং রাজস্ব আদায়ের স্বচ্ছতা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠছে। সম্প্রতি স্থানীয় ব্যবসায়ী, যাত্রী ও সংশ্লিষ্ট মহলের একাংশের অভিযোগ, পূর্বে চালু থাকা কিছু স্পট ট্যাক্স বা তাৎক্ষণিক রাজস্ব আদায়ের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সরকার সম্ভাব্য রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। যদিও এ বিষয়ে কাস্টমস কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি, তবুও বিষয়টি নিয়ে নানা আলোচনা ও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। স্পট ট্যাক্স বন্ধ—কেন? স্থানীয় সূত্রের দাবি, কিছু ক্ষেত্রে যাত্রীদের কাছ থেকে নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী তাৎক্ষণিক রাজস্ব আদায়ের পরিবর্তে পণ্য জব্দ, জটিলতা কিংবা দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। এতে একদিকে যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়ছেন, অন্যদিকে সরকার সম্ভাব্য রাজস্ব আদায় থেকেও বঞ্চিত হতে পারে—এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের প্রশ্ন— স্পট ট্যাক্স বা তাৎক্ষণিক রাজস্ব আদায়ের প্রচলিত ব্যবস্থা কেন বন্ধ? এটি কি কোনো নতুন সরকারি নীতির অংশ, নাকি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত? যদি নতুন নিয়ম হয়ে থাকে, তবে তা জনসাধারণকে কেন স্পষ্টভাবে জানানো হয়নি? রাজস্ব আদায়ের পরিবর্তে জটিলতা তৈরি হলে এর দায়ভার কার? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যা জরুরি বলে মনে করছেন সচেতন মহল। উন্নয়নের ছোঁয়া কোথায়? বেনাপোল আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজস্ব আহরণকারী সীমান্তবন্দর হলেও অনেক যাত্রীর অভিযোগ, যাত্রীসেবার মান এখনও প্রত্যাশিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। অভিযোগ রয়েছে— লাগেজ স্ক্যানিং ও পরীক্ষায় দীর্ঘ অপেক্ষা। পর্যাপ্ত বসার ব্যবস্থা নেই। তথ্যকেন্দ্র ও নির্দেশনামূলক সাইনেজ অপ্রতুল। আধুনিক যাত্রীবান্ধব অবকাঠামোর ঘাটতি। অভিযোগ গ্রহণ ও তাৎক্ষণিক সমাধানের কার্যকর ব্যবস্থা দুর্বল। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই প্রবেশদ্বার আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে দৃশ্যমান উদ্যোগ আরও জোরদার করা দরকার। যাত্রীর অভিজ্ঞতা: কেনাকাটার পর লাগেজ হয়রানির অভিযোগ সম্প্রতি এক যাত্রী নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে জানান, দীর্ঘ দুই বছর পর তিনি ভারত সফরে গিয়ে প্রায় ১১,৬৯৩ ভারতীয় রুপির গৃহস্থালি ও ব্যক্তিগত ব্যবহারের কিছু পণ্য কেনেন। এর সঙ্গে ছিল কয়েকটি শাড়ি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ভারতীয় সীমান্তে কেনাকাটার রসিদ প্রদর্শনের পর কোনো জটিলতা হয়নি। কিন্তু বাংলাদেশে প্রবেশের পর তার সব লাগেজ খুলে বিস্তারিত পরীক্ষা করা হয়। পরে শাড়ি নিয়ে আপত্তি তুলে কয়েকটি শাড়ি জব্দ করা হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, সাধারণ যাত্রীরা যদি নিয়ম সম্পর্কে আগে থেকেই পরিষ্কার ধারণা না পান, তাহলে অপ্রয়োজনীয় হয়রানির শিকার হওয়ার আশঙ্কা থেকেই যায়। যাত্রীদের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন যাত্রীদের পক্ষ থেকে কয়েকটি প্রশ্ন এখন আলোচনায় এসেছে— বর্তমান ব্যাগেজ রুলস অনুযায়ী একজন যাত্রী কতটি শাড়ি বা কী পরিমাণ পণ্য বৈধভাবে আনতে পারবেন? ব্যক্তিগত ব্যবহারের পণ্য এবং বাণিজ্যিক পরিমাণের মধ্যে পার্থক্য কীভাবে নির্ধারণ করা হয়? সীমাবদ্ধতা থাকলে তা কি দৃশ্যমানভাবে চেকপোস্টে প্রদর্শন করা হয়েছে? কাস্টমস কর্মকর্তারা কি একই নিয়ম সবার ক্ষেত্রে সমানভাবে প্রয়োগ করছেন? জব্দের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল বা অভিযোগ জানানোর সহজ ব্যবস্থা কতটা কার্যকর? স্বচ্ছতা বাড়ানোর দাবি সচেতন নাগরিকদের মতে, যাত্রীদের সঙ্গে কাস্টমসের সম্পর্ক হওয়া উচিত সেবামূলক ও আইনসম্মত। এজন্য তারা কয়েকটি সুপারিশ করেছেন— ব্যাগেজ রুলস বাংলা ও ইংরেজিতে স্পষ্টভাবে প্রদর্শন। কোন পণ্যে কত শুল্ক বা কর প্রযোজ্য—তার তালিকা প্রকাশ। ডিজিটাল রসিদ ও অনলাইন শুল্ক পরিশোধ ব্যবস্থা চালু। অভিযোগ গ্রহণে হটলাইন ও মনিটরিং ব্যবস্থা শক্তিশালী করা। সিসিটিভি নজরদারি ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। যাত্রীবান্ধব আচরণ নিশ্চিত করতে নিয়মিত প্রশিক্ষণ। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য প্রত্যাশা এই প্রতিবেদনে উত্থাপিত বিষয়গুলো মূলত যাত্রী ও স্থানীয় সূত্রের অভিযোগ ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে তুলে ধরা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে বেনাপোল কাস্টম হাউস, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে। উপসংহার বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট শুধু একটি সীমান্ত নয়; এটি বাংলাদেশের অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং দেশের ভাবমূর্তির অন্যতম প্রবেশদ্বার। তাই রাজস্ব আদায়, যাত্রীসেবা, আইন প্রয়োগ এবং স্বচ্ছতা—সব ক্ষেত্রেই জবাবদিহিমূলক ও আধুনিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা সময়ের দাবি। যাত্রীদের হয়রানি কমিয়ে আইনের যথাযথ প্রয়োগ এবং সরকারের রাজস্ব সুরক্ষার মাধ্যমে একটি জনবান্ধব ও স্বচ্ছ কাস্টমস ব্যবস্থা গড়ে তোলাই হওয়া উচিত সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের লক্ষ্য। দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান: বড়আঁচড়া সড়কের অস্থায়ী সংস্কারে উদ্যোগ, এলাকাবাসীর মাঝে স্বস্তি বেনাপোলের গর্ব মারিয়া আফরিন তিষু: ছাত্ররাজনীতিতে নেতৃত্ব, গণমাধ্যমে আত্মবিশ্বাসী উপস্থাপনায় নতুন প্রজন্মের অনুপ্রেরণা পলাশবাড়ীতে প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীর পেট মুচড়ে ও বেঞ্চে শুইয়ে নির্যাতনের অভিযোগ শিক্ষক মিথুনের বিরুদ্ধে মেয়রপ্রার্থী মফিজুর রহমানের মানবিক দৃষ্টান্ত ১৫০০ পরিবারের মুখে ঈদের হাসি মেয়রপ্রার্থী মফিজুর রহমানের মানবিক দৃষ্টান্ত ১৫০০ পরিবারের মুখে ঈদের হাসি ঈদের খাবারে অনিয়মের অভিযোগ: রাজশাহী কারাগারে নিম্নমানের পোলাও চাল সরবরাহ, ঠিকাদার–কর্তৃপক্ষ যোগসাজশের সন্দেহ আইনের রক্ষক না ভঙ্গক,পুলিশের কনস্টেবল রাজীব কুমার হৃদয়ের বিরুদ্ধে ইয়াবা বিক্রির অভিযোগ,আরএমপি জুড়ে তোলপাড়, জনমনে উদ্বেগ,শাস্তির দাবি বাংলাদেশ পুলিশের দুই শীর্ষ কর্মকর্তার অবসরের সংবর্ধনা শার্শার যুবদল নেতা শহিদুল ইসলাম শহীদের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগে আলোচনায় রিপন দাস: নামে-বেনামে সম্পদের পাহাড়ের অভিযোগ

বিশেষ প্রতিনিধি বেনাপোল / ১৪৬ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬

 

বেনাপোল কাস্টমসে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ: আলোচনায় রিপন দাস

বেনাপোল, যশোর | নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোরের সীমান্তবন্দর Benapole Land Port–সংলগ্ন কাস্টমস কার্যালয়ে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম Facebook–এ প্রকাশিত একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে কাস্টমসের এক কর্মচারী Ripon Das–এর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ সামনে আসছে।
জানা গেছে, বেনাপোল কাস্টমসের গ্রুপ নম্বর–৮ এর বন্ড শাখায় কর্মরত রিপন দাসের বিরুদ্ধে প্রতি কনসাইনমেন্টে পাঁচ হাজার টাকা করে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি নাকি ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তার নাম ব্যবহার করে এই অর্থ আদায় করতেন বলে দাবি করা হচ্ছে।
এই অভিযোগ সামনে আসে সাংবাদিক Anisur Rahman–এর একটি ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে। ওই পোস্টে দাবি করা হয়, কাস্টমসের কিছু অসাধু কর্মচারী আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে অবৈধভাবে অর্থ আদায় করছে এবং এ ধরনের কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে চলছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি
ফেসবুকে প্রকাশিত ওই পোস্টের পরপরই বিষয়টি স্থানীয় ব্যবসায়ী মহল ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। অনেকেই মন্তব্যের মাধ্যমে দাবি করেছেন, বেনাপোল কাস্টমসে দীর্ঘদিন ধরে কিছু অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ শোনা গেলেও সেগুলো নিয়ে কার্যকর তদন্ত খুব কমই হয়েছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীদের একটি অংশ বলছেন, কাস্টমস সংক্রান্ত বিভিন্ন কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার নামে কিছু অসাধু ব্যক্তি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের চেষ্টা করেন। এতে বৈধ ব্যবসায়ীরা যেমন হয়রানির শিকার হন, তেমনি দেশের রাজস্ব ব্যবস্থাও প্রশ্নের মুখে পড়ে।
প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণের দাবি
অভিযোগ ওঠার পর সচেতন মহল বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করার দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, সীমান্ত বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র Benapole Land Port–এ এ ধরনের অভিযোগ দেশের ভাবমূর্তির জন্যও ক্ষতিকর।
তারা বলছেন, যদি অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হয় তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। একই সঙ্গে কাস্টমস প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ নজরদারি আরও জোরদার করার প্রয়োজন রয়েছে।
কাস্টমস কর্তৃপক্ষের অবস্থান
তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কাস্টমস কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি। কর্মকর্তারা বলছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত তথ্য যাচাই না করে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক নয়। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তারা জানিয়েছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সীমান্ত বাণিজ্যের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হলে অভিযোগগুলো নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে খতিয়ে দেখা জরুরি। এতে একদিকে যেমন দুর্নীতি প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে, অন্যদিকে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের আস্থাও বৃদ্ধি পাবে।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওঠা অভিযোগ ঘিরে বেনাপোল বন্দর এলাকায় নতুন করে আলোচনার ঝড় উঠেছে। অনেকেই আশা করছেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করবেন।

 

সাংবাদিক আনিসুর রহমানের করা একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টে রিপন দাশকে নিয়ে মন্তব্য করেছেন সাবেক এক পুলিশ কর্মকর্তা। ওই পোস্টে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা আশিকুর রহমান আশিক বলেন, অনেক আগে তিনি যখন দায়িত্বে কর্মরত ছিলেন, তখন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে খুব সাধারণ একটি কাজে দেখতে পেয়েছিলেন। তাঁর ভাষ্যমতে, সে সময় তিনি সুইপারের কাজ করতেন। তবে বর্তমানে তাকে বেশ প্রভাবশালী অবস্থানে দেখা যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এই মন্তব্যটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ পাওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা ও নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। অনেকেই এ মন্তব্যকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের মতামত প্রকাশ

সূত্র: সাংবাদিক আনিসুর রহমানের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্ট।


More News Of This Category

বেনাপোল কাস্টম চেকপোস্টে ‘স্পট ট্যাক্স’ বন্ধ, লাগেজ হয়রানি ও উন্নয়ন প্রশ্নে বাড়ছে জনঅসন্তোষ: রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন ডেস্ক রিপোর্ট | দৈনিক বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ও কাস্টমস দেশের রাজস্ব আহরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রতিদিন হাজারো যাত্রী এবং শত শত আমদানি-রপ্তানির চালান এই বন্দর দিয়ে যাতায়াত করে। অথচ দীর্ঘদিন ধরে যাত্রীসেবা, লাগেজ ব্যবস্থাপনা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং রাজস্ব আদায়ের স্বচ্ছতা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠছে। সম্প্রতি স্থানীয় ব্যবসায়ী, যাত্রী ও সংশ্লিষ্ট মহলের একাংশের অভিযোগ, পূর্বে চালু থাকা কিছু স্পট ট্যাক্স বা তাৎক্ষণিক রাজস্ব আদায়ের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সরকার সম্ভাব্য রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। যদিও এ বিষয়ে কাস্টমস কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি, তবুও বিষয়টি নিয়ে নানা আলোচনা ও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। স্পট ট্যাক্স বন্ধ—কেন? স্থানীয় সূত্রের দাবি, কিছু ক্ষেত্রে যাত্রীদের কাছ থেকে নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী তাৎক্ষণিক রাজস্ব আদায়ের পরিবর্তে পণ্য জব্দ, জটিলতা কিংবা দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। এতে একদিকে যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়ছেন, অন্যদিকে সরকার সম্ভাব্য রাজস্ব আদায় থেকেও বঞ্চিত হতে পারে—এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের প্রশ্ন— স্পট ট্যাক্স বা তাৎক্ষণিক রাজস্ব আদায়ের প্রচলিত ব্যবস্থা কেন বন্ধ? এটি কি কোনো নতুন সরকারি নীতির অংশ, নাকি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত? যদি নতুন নিয়ম হয়ে থাকে, তবে তা জনসাধারণকে কেন স্পষ্টভাবে জানানো হয়নি? রাজস্ব আদায়ের পরিবর্তে জটিলতা তৈরি হলে এর দায়ভার কার? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যা জরুরি বলে মনে করছেন সচেতন মহল। উন্নয়নের ছোঁয়া কোথায়? বেনাপোল আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজস্ব আহরণকারী সীমান্তবন্দর হলেও অনেক যাত্রীর অভিযোগ, যাত্রীসেবার মান এখনও প্রত্যাশিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। অভিযোগ রয়েছে— লাগেজ স্ক্যানিং ও পরীক্ষায় দীর্ঘ অপেক্ষা। পর্যাপ্ত বসার ব্যবস্থা নেই। তথ্যকেন্দ্র ও নির্দেশনামূলক সাইনেজ অপ্রতুল। আধুনিক যাত্রীবান্ধব অবকাঠামোর ঘাটতি। অভিযোগ গ্রহণ ও তাৎক্ষণিক সমাধানের কার্যকর ব্যবস্থা দুর্বল। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই প্রবেশদ্বার আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে দৃশ্যমান উদ্যোগ আরও জোরদার করা দরকার। যাত্রীর অভিজ্ঞতা: কেনাকাটার পর লাগেজ হয়রানির অভিযোগ সম্প্রতি এক যাত্রী নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে জানান, দীর্ঘ দুই বছর পর তিনি ভারত সফরে গিয়ে প্রায় ১১,৬৯৩ ভারতীয় রুপির গৃহস্থালি ও ব্যক্তিগত ব্যবহারের কিছু পণ্য কেনেন। এর সঙ্গে ছিল কয়েকটি শাড়ি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ভারতীয় সীমান্তে কেনাকাটার রসিদ প্রদর্শনের পর কোনো জটিলতা হয়নি। কিন্তু বাংলাদেশে প্রবেশের পর তার সব লাগেজ খুলে বিস্তারিত পরীক্ষা করা হয়। পরে শাড়ি নিয়ে আপত্তি তুলে কয়েকটি শাড়ি জব্দ করা হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, সাধারণ যাত্রীরা যদি নিয়ম সম্পর্কে আগে থেকেই পরিষ্কার ধারণা না পান, তাহলে অপ্রয়োজনীয় হয়রানির শিকার হওয়ার আশঙ্কা থেকেই যায়। যাত্রীদের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন যাত্রীদের পক্ষ থেকে কয়েকটি প্রশ্ন এখন আলোচনায় এসেছে— বর্তমান ব্যাগেজ রুলস অনুযায়ী একজন যাত্রী কতটি শাড়ি বা কী পরিমাণ পণ্য বৈধভাবে আনতে পারবেন? ব্যক্তিগত ব্যবহারের পণ্য এবং বাণিজ্যিক পরিমাণের মধ্যে পার্থক্য কীভাবে নির্ধারণ করা হয়? সীমাবদ্ধতা থাকলে তা কি দৃশ্যমানভাবে চেকপোস্টে প্রদর্শন করা হয়েছে? কাস্টমস কর্মকর্তারা কি একই নিয়ম সবার ক্ষেত্রে সমানভাবে প্রয়োগ করছেন? জব্দের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল বা অভিযোগ জানানোর সহজ ব্যবস্থা কতটা কার্যকর? স্বচ্ছতা বাড়ানোর দাবি সচেতন নাগরিকদের মতে, যাত্রীদের সঙ্গে কাস্টমসের সম্পর্ক হওয়া উচিত সেবামূলক ও আইনসম্মত। এজন্য তারা কয়েকটি সুপারিশ করেছেন— ব্যাগেজ রুলস বাংলা ও ইংরেজিতে স্পষ্টভাবে প্রদর্শন। কোন পণ্যে কত শুল্ক বা কর প্রযোজ্য—তার তালিকা প্রকাশ। ডিজিটাল রসিদ ও অনলাইন শুল্ক পরিশোধ ব্যবস্থা চালু। অভিযোগ গ্রহণে হটলাইন ও মনিটরিং ব্যবস্থা শক্তিশালী করা। সিসিটিভি নজরদারি ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। যাত্রীবান্ধব আচরণ নিশ্চিত করতে নিয়মিত প্রশিক্ষণ। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য প্রত্যাশা এই প্রতিবেদনে উত্থাপিত বিষয়গুলো মূলত যাত্রী ও স্থানীয় সূত্রের অভিযোগ ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে তুলে ধরা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে বেনাপোল কাস্টম হাউস, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে। উপসংহার বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট শুধু একটি সীমান্ত নয়; এটি বাংলাদেশের অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং দেশের ভাবমূর্তির অন্যতম প্রবেশদ্বার। তাই রাজস্ব আদায়, যাত্রীসেবা, আইন প্রয়োগ এবং স্বচ্ছতা—সব ক্ষেত্রেই জবাবদিহিমূলক ও আধুনিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা সময়ের দাবি। যাত্রীদের হয়রানি কমিয়ে আইনের যথাযথ প্রয়োগ এবং সরকারের রাজস্ব সুরক্ষার মাধ্যমে একটি জনবান্ধব ও স্বচ্ছ কাস্টমস ব্যবস্থা গড়ে তোলাই হওয়া উচিত সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের লক্ষ্য।

বেনাপোল কাস্টম চেকপোস্টে ‘স্পট ট্যাক্স’ বন্ধ, লাগেজ হয়রানি ও উন্নয়ন প্রশ্নে বাড়ছে জনঅসন্তোষ: রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন ডেস্ক রিপোর্ট | দৈনিক বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ও কাস্টমস দেশের রাজস্ব আহরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রতিদিন হাজারো যাত্রী এবং শত শত আমদানি-রপ্তানির চালান এই বন্দর দিয়ে যাতায়াত করে। অথচ দীর্ঘদিন ধরে যাত্রীসেবা, লাগেজ ব্যবস্থাপনা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং রাজস্ব আদায়ের স্বচ্ছতা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠছে। সম্প্রতি স্থানীয় ব্যবসায়ী, যাত্রী ও সংশ্লিষ্ট মহলের একাংশের অভিযোগ, পূর্বে চালু থাকা কিছু স্পট ট্যাক্স বা তাৎক্ষণিক রাজস্ব আদায়ের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সরকার সম্ভাব্য রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। যদিও এ বিষয়ে কাস্টমস কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি, তবুও বিষয়টি নিয়ে নানা আলোচনা ও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। স্পট ট্যাক্স বন্ধ—কেন? স্থানীয় সূত্রের দাবি, কিছু ক্ষেত্রে যাত্রীদের কাছ থেকে নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী তাৎক্ষণিক রাজস্ব আদায়ের পরিবর্তে পণ্য জব্দ, জটিলতা কিংবা দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। এতে একদিকে যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়ছেন, অন্যদিকে সরকার সম্ভাব্য রাজস্ব আদায় থেকেও বঞ্চিত হতে পারে—এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের প্রশ্ন— স্পট ট্যাক্স বা তাৎক্ষণিক রাজস্ব আদায়ের প্রচলিত ব্যবস্থা কেন বন্ধ? এটি কি কোনো নতুন সরকারি নীতির অংশ, নাকি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত? যদি নতুন নিয়ম হয়ে থাকে, তবে তা জনসাধারণকে কেন স্পষ্টভাবে জানানো হয়নি? রাজস্ব আদায়ের পরিবর্তে জটিলতা তৈরি হলে এর দায়ভার কার? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যা জরুরি বলে মনে করছেন সচেতন মহল। উন্নয়নের ছোঁয়া কোথায়? বেনাপোল আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজস্ব আহরণকারী সীমান্তবন্দর হলেও অনেক যাত্রীর অভিযোগ, যাত্রীসেবার মান এখনও প্রত্যাশিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। অভিযোগ রয়েছে— লাগেজ স্ক্যানিং ও পরীক্ষায় দীর্ঘ অপেক্ষা। পর্যাপ্ত বসার ব্যবস্থা নেই। তথ্যকেন্দ্র ও নির্দেশনামূলক সাইনেজ অপ্রতুল। আধুনিক যাত্রীবান্ধব অবকাঠামোর ঘাটতি। অভিযোগ গ্রহণ ও তাৎক্ষণিক সমাধানের কার্যকর ব্যবস্থা দুর্বল। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই প্রবেশদ্বার আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে দৃশ্যমান উদ্যোগ আরও জোরদার করা দরকার। যাত্রীর অভিজ্ঞতা: কেনাকাটার পর লাগেজ হয়রানির অভিযোগ সম্প্রতি এক যাত্রী নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে জানান, দীর্ঘ দুই বছর পর তিনি ভারত সফরে গিয়ে প্রায় ১১,৬৯৩ ভারতীয় রুপির গৃহস্থালি ও ব্যক্তিগত ব্যবহারের কিছু পণ্য কেনেন। এর সঙ্গে ছিল কয়েকটি শাড়ি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ভারতীয় সীমান্তে কেনাকাটার রসিদ প্রদর্শনের পর কোনো জটিলতা হয়নি। কিন্তু বাংলাদেশে প্রবেশের পর তার সব লাগেজ খুলে বিস্তারিত পরীক্ষা করা হয়। পরে শাড়ি নিয়ে আপত্তি তুলে কয়েকটি শাড়ি জব্দ করা হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, সাধারণ যাত্রীরা যদি নিয়ম সম্পর্কে আগে থেকেই পরিষ্কার ধারণা না পান, তাহলে অপ্রয়োজনীয় হয়রানির শিকার হওয়ার আশঙ্কা থেকেই যায়। যাত্রীদের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন যাত্রীদের পক্ষ থেকে কয়েকটি প্রশ্ন এখন আলোচনায় এসেছে— বর্তমান ব্যাগেজ রুলস অনুযায়ী একজন যাত্রী কতটি শাড়ি বা কী পরিমাণ পণ্য বৈধভাবে আনতে পারবেন? ব্যক্তিগত ব্যবহারের পণ্য এবং বাণিজ্যিক পরিমাণের মধ্যে পার্থক্য কীভাবে নির্ধারণ করা হয়? সীমাবদ্ধতা থাকলে তা কি দৃশ্যমানভাবে চেকপোস্টে প্রদর্শন করা হয়েছে? কাস্টমস কর্মকর্তারা কি একই নিয়ম সবার ক্ষেত্রে সমানভাবে প্রয়োগ করছেন? জব্দের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল বা অভিযোগ জানানোর সহজ ব্যবস্থা কতটা কার্যকর? স্বচ্ছতা বাড়ানোর দাবি সচেতন নাগরিকদের মতে, যাত্রীদের সঙ্গে কাস্টমসের সম্পর্ক হওয়া উচিত সেবামূলক ও আইনসম্মত। এজন্য তারা কয়েকটি সুপারিশ করেছেন— ব্যাগেজ রুলস বাংলা ও ইংরেজিতে স্পষ্টভাবে প্রদর্শন। কোন পণ্যে কত শুল্ক বা কর প্রযোজ্য—তার তালিকা প্রকাশ। ডিজিটাল রসিদ ও অনলাইন শুল্ক পরিশোধ ব্যবস্থা চালু। অভিযোগ গ্রহণে হটলাইন ও মনিটরিং ব্যবস্থা শক্তিশালী করা। সিসিটিভি নজরদারি ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। যাত্রীবান্ধব আচরণ নিশ্চিত করতে নিয়মিত প্রশিক্ষণ। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য প্রত্যাশা এই প্রতিবেদনে উত্থাপিত বিষয়গুলো মূলত যাত্রী ও স্থানীয় সূত্রের অভিযোগ ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে তুলে ধরা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে বেনাপোল কাস্টম হাউস, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে। উপসংহার বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট শুধু একটি সীমান্ত নয়; এটি বাংলাদেশের অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং দেশের ভাবমূর্তির অন্যতম প্রবেশদ্বার। তাই রাজস্ব আদায়, যাত্রীসেবা, আইন প্রয়োগ এবং স্বচ্ছতা—সব ক্ষেত্রেই জবাবদিহিমূলক ও আধুনিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা সময়ের দাবি। যাত্রীদের হয়রানি কমিয়ে আইনের যথাযথ প্রয়োগ এবং সরকারের রাজস্ব সুরক্ষার মাধ্যমে একটি জনবান্ধব ও স্বচ্ছ কাস্টমস ব্যবস্থা গড়ে তোলাই হওয়া উচিত সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের লক্ষ্য।

bdit.com.bd