গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন: চুক্তিভিত্তিক উপ-সহকারী প্রকৌশলী আমজাদ হোসেনের দুর্নীতি ও বিতর্কিত সম্পত্তি
গাজীপুর প্রতিবেদক
তারিখ: ১৯ জানুয়ারি ২০২৬
হেডলাইন
যন্ত্রপাতি ক্রয়ে কোটি টাকার দূর্নীতি চুক্তিভিত্তিক উপ-সহকারী প্রকৌশলী আমজাদ হোসেনের নাম ভাঙালেন স্থানীয়রা
সাবহেড
সিটি কর্পোরেশনের যান্ত্রিক শাখায় দায়িত্বে থাকা আমজাদ হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে বিপুল আর্থিক অনিয়ম, রাজনৈতিক লেনদেন এবং স্থানীয় ড্রাইভারদের প্রভাবশালী নিয়ন্ত্রণ নিয়ে
রিপোর্টের মূল বিষয়বস্তু
১. যন্ত্রপাতি ক্রয়ে দুর্নীতি
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের যান্ত্রিক শাখার চুক্তিভিত্তিক উপ-সহকারী প্রকৌশলী আমজাদ হোসেন যন্ত্রপাতি ক্রয়ে বিপুল দূর্নীতি করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাজারমূল্যের তুলনায় ক্রয়ের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত অর্থ প্রদান ও বেনামী লেনদেন হয়েছে
এতে সিটি কর্পোরেশনের অর্থ নষ্ট হয়েছে এবং স্বচ্ছতা বিঘ্নিত হয়েছে
২. পরিচিতি ও প্রভাব
সিটি কর্পোরেশনের অধিকাংশ ড্রাইভার ও কর্মচারীর সঙ্গে পরিচিতি ও প্রভাব রয়েছে
এ কারণে ক্রয় ও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলেছে স্থানীয়রা
৩. রাজনৈতিক লেনদেন
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের সিটি নির্বাচনের আগে আজমত উল্লাহ খানের কাছে ২০ লাখ টাকা হস্তান্তর করা হয়েছিল
এই অর্থ প্রদানের উদ্দেশ্য ছিল নির্বাচনী সুবিধা অর্জন
৪. আর্থিক ও সম্পত্তি অবস্থা (সূত্রভিত্তিক)
ক্রমিক | সম্পদ/লেনদেন | পরিমাণ/মূল্য | মন্তব্য
১ | নগদ রাজনৈতিক লেনদেন | ২০,০০,০০০ টাকা | নির্বাচনের পূর্বে আজমত উল্লাহ খানের কাছে হস্তান্তর
২ | যন্ত্রপাতি ক্রয় ও অতিরিক্ত মূল্য | কোটি টাকার সম্ভাব্য | বাজারমূল্যের তুলনায় অতিরিক্ত খরচ
৩ | বেনামী সম্পত্তি | কোটি টাকার সম্ভাব্য | স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী বিভিন্ন চুক্তি ও ক্রয়ের মাধ্যমে অর্জিত
প্রস্তাবিত ব্যবস্থা
১. স্বাধীন অডিট ও তদন্ত
যান্ত্রিক শাখার সমস্ত ক্রয় ও আর্থিক লেনদেনের স্বচ্ছতা যাচাই
২. আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ
প্রমাণিত হলে দায়িত্বপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে কার্যকর আইনানুগ ব্যবস্থা
৩. রাজনৈতিক লেনদেনের তদন্ত
নির্বাচনী স্বচ্ছতা ও আর্থিক অনিয়ম খতিয়ে দেখা
স্থানীয় সূত্রের মন্তব্য
“আমজাদ হোসেনের সাথে স্থানীয় ড্রাইভার ও কর্মচারীদের প্রভাবশালী সম্পর্কের কারণে স্বচ্ছতা বজায় রাখা কঠিন হয়ে উঠেছে। এছাড়া রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে অর্থ হস্তান্তরের কথাও আমরা শুনেছি।” – নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কর্মকর্তা
দ্রষ্টব্য: রিপোর্টে উল্লেখিত তথ্য ও সংখ্যা অভিযোগভিত্তিক এবং স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী। প্রমাণ সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজন