ডেস্ক রিপোর্ট:
স্থানীয়দের অভিযোগ: বিদ্যুৎ কাজের চাঁদাবাজি, অবৈধ প্রভাব বিস্তার ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জনদুর্ভোগ
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের এক ইউনিয়নে ‘চোরা নাদু’ ওরফে ‘গোবর নাদু’ নামধারী এক ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে নানা ধরনের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বহু মানুষের পাঠানো ছবি, তথ্য ও বয়ান অনুযায়ী—এই ব্যক্তি দীর্ঘদিন যাবৎ এলাকায় চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি দেখানো, অবৈধ ব্যবসা এবং রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করে আসছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বিদ্যুৎ সংযোগ কাজে চাপ ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ
স্থানীয়দের দাবি, নতুন ভবন বা ঘরের বিদ্যুৎ সংযোগের কাজ দিতে হবে তার নেতৃত্বাধীন গ্রুপকে—না দিলে বিভিন্নভাবে
নাজেহাল করা, ভয় দেখানো এবং মোবাইলে অশ্রাব্য গালাগালি করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
রাতে বিদ্যুৎ তার চুরি ও অন্যান্য অপকর্মের অভিযোগ
অভিযোগ আছে, রাতের বেলা মানুষজনের বৈদ্যুতিক তার চুরি করা এবং বাজার থেকে মাছ চুরি করাও তার দীর্ঘদিনের কর্মকাণ্ডের অংশ ছিল। কয়েকজন ভুক্তভোগী এসব বিষয়ে ভিডিও ও ছবি প্রেরণ করেছেন।
অভিযোগ: অতীতের ‘গোবর টোকানো’ থেকে অনৈতিক ব্যবসায় জড়ানো
স্থানীয় সূত্র দাবি করে, অতীতে বিভিন্ন সাধারণ কাজ করলেও, পরবর্তীতে
রশিদ মিয়ার দোকানের পাশে ও কোভবাথ মিয়ার বাড়ির পেছনে দীর্ঘদিন অনৈতিক ব্যবসা পরিচালনা করে দ্রুত সম্পদের মালিক হয়ে ওঠে বলে সূত্র জানায়।
সুদ ব্যবসা ও ভয়ভীতির অভিযোগ
এলাকার অনেক মানুষের দাবি—সুদে টাকা দেওয়া-নেওয়া, লোকজনকে হুমকি ধামকি, বাড়িতে গিয়ে চাপ তৈরি করা—এসব এখন তার প্রধান পেশা।
বিএনপি নেতা পরিচয় ব্যবহার করে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ
একাধিক স্থানীয় ব্যক্তি দাবি করেছেন—তিনি নিজেকে বিএনপি নেতা পরিচয় দিয়ে এলাকায় রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করছেন। এর ফলে সাধারণ মানুষ বিএনপির প্রতি বিরূপ প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
অশ্লীল ভিডিও ফাঁস হওয়ার অভিযোগ
ডেস্কে পাঠানো তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় এক ব্যক্তি জানিয়েছেন—অভিযুক্তের সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে দাবি করা একটি ভিডিও তার কাছে রয়েছে। কেউ চ্যালেঞ্জ করলে তিনি মেসেঞ্জারে ভিডিওটি পাঠাতে পারবেন বলে জানান।
জনমনে ক্ষোভ, অসংখ্য অভিযোগ আসছে
সংশ্লিষ্ট এলাকার বহু মানুষ ছবি, তথ্য ও লিখিত অভিযোগ পাঠাচ্ছেন বলে জানা গেছে। স্থানীয়দের মতে—এই পরিস্থিতি শুধু ব্যক্তিগত ক্ষোভ নয়, বরং এলাকায় সামাজিক নিরাপত্তাহীনতা ও রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি করছে।
—
রিপোর্টার্স নোট
এই প্রতিবেদনে বর্ণিত সবকিছুই অভিযোগনির্ভর, যা স্থানীয় জনগণ, পাঠানো তথ্য, ছবি ও ব্যক্তিগত মন্তব্য থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য পাওয়া গেলে সে বক্তব্যও যুক্ত করা হবে।