• রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
মেধাস্বত্বের আন্তর্জাতিক কাঠামো, কৃষকের বীজ অধিকার ও জেনেটিক প্রযুক্তি নিয়ে বাড়ছে প্রশ্ন—তবে বিতর্কিত দাবির সঙ্গে প্রমাণিত তথ্য আলাদা করার তাগিদ বিশেষজ্ঞদের UNGA-৮১ শেষে দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলায় ভাষণে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ, শান্তি ও নিরাপত্তা, রোহিঙ্গা সংকট, জলবায়ু ন্যায়বিচার ও উন্নয়ন সহযোগিতার অগ্রাধিকার তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী শার্শায় আওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে ছাত্রদলের মিছিল-সমাবেশ যুবদল-স্বেচ্ছাসেবক দল-ছাত্রদলের বিক্ষোভে মিছিল সহকারে অংশ নিল শার্শা উপজেলা ছাত্রদল আরাফাত রহমান স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬ কোয়ার্টার ফাইনালে তুমুল উত্তেজনা, পেনাল্টি শুটআউটে রাহাত ট্রেডার্সকে হারিয়ে সেমিফাইনালে বেনাপোল সি অ্যান্ড এফ স্টাফ অ্যাসোসিয়েশন দলীয় শৃঙ্খলা ও নির্বাচনী প্রস্তুতি নিয়ে সিংড়ায় বিএনপির কর্মীসভা পরিবেশ আন্দোলন মঞ্চের সভাপতির পিতার ইন্তেকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সাবেক অ্যাডমিন অফিসার হাজী মোঃ ওয়াহিদ উদ্দিন আহমেদ আর নেই শার্শায় রাতারাতি ‘বিএনপি’ পরিচয়ে সরকারি ডিলারশিপ পাওয়ার অভিযোগ শফিকুলের সারের ডিলারশিপ ঘিরে ১০ লাখ টাকা লেনদেনের অভিযোগ; রাজনৈতিক পরিচয়, টিসিবি ডিলারশিপ ও প্রশাসনিক ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তাবিজ-কবচ ও বনাজী ওষুধে চিকিৎসার দাবি, ভুক্তভোগীদের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ; ব্যবসায়ী শহীদুল্লাহ ও কথিত সাংবাদিক রফিকের বিরুদ্ধে পৃষ্ঠপোষকতার অভিযোগ জাতীয় পর্যায়ের পরীক্ষায় কৃতিত্ব শৈলকুপায় ৪৫ কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দিল ইসলামিক স্কুল এন্ড মডেল মাদ্রাসা পিপিএম-সেবা পদকে সম্মানিত রাজশাহী পুলিশের দুই শীর্ষ কর্মকর্তা রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পেলেন আরএমপি কমিশনার ফয়েজুল কবির ও রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি আশিক সাঈদ

শফিকুল ইসলাম শফি: ঢাকায় মাদক সাম্রাজ্যের ছায়া ও টাপেন্টা ট্যাবলেটের ভয়াবহ বিস্তার

Reporter Name / ২৭৮ Time View
Update : শনিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৫

 

শফিকুল ইসলাম শফি: ঢাকায় মাদক সাম্রাজ্যের ছায়া ও টাপেন্টা ট্যাবলেটের ভয়াবহ বিস্তার

স্টাফ রিপোর্ট │ ডেইলি বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ

বাংলাদেশে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে এক ভয়াবহ নেশা — ভারতীয় উৎপাদিত “টাপেন্টা” ট্যাবলেট। এই ট্যাবলেটটি মূলত ব্যথানাশক ওষুধ হলেও, বর্তমানে এটি অবৈধভাবে বিক্রি হয়ে দেশের তরুণ সমাজকে ধ্বংসের পথে ঠেলে দিচ্ছে।

অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, রাজধানী ঢাকাকে ঘিরে গড়ে উঠেছে একটি সংঘবদ্ধ নেটওয়ার্ক, যার মাধ্যমে এ মাদক ছড়িয়ে পড়ছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। বিভিন্ন সূত্রের দাবি, এই নেটওয়ার্কের অন্যতম হোতা হিসেবে শফিকুল ইসলাম শফি নামটি আলোচনায় এসেছে।

মুখোশের আড়ালে ভয়াবহ ব্যবসা

অভিযোগ রয়েছে— শফিকুল ইসলাম শফি নিজেকে সমাজে ভদ্র ও প্রভাবশালী হিসেবে উপস্থাপন করলেও, বাস্তবে তিনি একটি গোপন মাদক চক্রের মূল সমন্বয়কারী হিসেবে কাজ করছেন।

তিনি বিভিন্ন সময় তার পারিবারিক সংযোগ — যেমন “বাংলাদেশ ব্যাংকে কর্মরত আত্মীয়, আইনজীবী স্ত্রী” বা “প্রভাবশালী আত্মীয়ের সরকারি পদ” — এসব ব্যবহার করে নিজেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধরাছোঁয়ার বাইরে রাখার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় সূত্র বলছে, এসব প্রভাবের আড়ালে থেকেই তিনি ভারতের তৈরি “টাপেন্টা” ট্যাবলেটসহ বিভিন্ন মাদক পদার্থ সীমান্তপথে দেশে এনে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে দিচ্ছেন।

টাপেন্টা: মৃত্যুর পথে তরুণ প্রজন্ম

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, টাপেন্টাডল বা “টাপেন্টা” একটি অত্যন্ত আসক্তি সৃষ্টিকারী ওষুধ। এটি নিয়মিত গ্রহণ করলে শরীরের স্নায়ুতন্ত্র মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, মস্তিষ্কে নেশার প্রবণতা বাড়ে, এবং ধীরে ধীরে ব্যবহারকারী মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যায়।

কেবল ঢাকা নয়— যশোর, কুমিল্লা, নারায়ণগঞ্জ, খুলনা, রাজশাহীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় এই ট্যাবলেটের প্রভাব এখন স্পষ্ট।

ভারতীয় সংযোগ ও সীমান্ত রুট

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, এই মাদক সিন্ডিকেটের সাথে ভারতের কিছু অবৈধ চক্রের যোগসূত্র রয়েছে। সীমান্ত অঞ্চলে কিছু দালাল ও পরিবহনকর্মী মাধ্যমে এ ট্যাবলেট বাংলাদেশে প্রবেশ করছে।

এই সিন্ডিকেটের আর্থিক মূলধন ঢাকায় কেন্দ্রীভূত এবং রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় “ফার্মেসি” বা “অনলাইন বিক্রয়” ছদ্মবেশে পরিচালিত হচ্ছে।

প্রশাসনের কাছে কঠোর তদন্তের দাবি

বাংলাদেশ প্রশাসনের কাছে দাবি—

টাপেন্টা ট্যাবলেট সিন্ডিকেটের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করা হোক।

শফিকুল ইসলাম শফি ও তার সহযোগীদের আর্থিক লেনদেন, সম্পদ, এবং নেটওয়ার্ক খতিয়ে দেখা হোক।

সীমান্ত এলাকায় কঠোর নজরদারি ও অনলাইন ওষুধ বিক্রির নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা হোক।

আইনি কাঠামো ও শাস্তি

বাংলাদেশের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ অনুসারে, এ ধরনের নেশাজাতীয় ওষুধ অবৈধভাবে বিক্রি বা সরবরাহ করলে সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে।

বিশেষজ্ঞ ও নাগরিক সমাজের মতে, “টাপেন্টা চক্রের” বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া এখন সময়ের দাবি।

শেষ কথা: মুখোশ উন্মোচনের সময় এসেছে

সমাজের সম্মানিত মুখোশের আড়ালে যদি “মাদক ব্যবসা” লুকিয়ে থাকে, তবে সেটি শুধু আইন নয়, মানবতারও চরম অবমাননা।
প্রশাসন, সাংবাদিক সমাজ ও নাগরিক সবাইকে একসাথে এগিয়ে আসতে হবে এই ইবলিশ সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে।

—


More News Of This Category
bdit.com.bd