নরসিংদীতে তিতাসের পাইপলাইন ও রাস্তা দখল করে কাদের মোল্লার স্কুল নির্মাণ: আতঙ্কে শিক্ষার্থী ওএলাকাবাসী
তালাত মাহামুদ বিশেষ প্রতিনিধি
নরসিংদীতে তিতাস গ্যাসের মূল পাইপলাইন ও চলাচলের রাস্তা দখল করে ‘এম কে এম হাই স্কুল এন্ড হোমস’ নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে শিল্পপতি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে। স্কুলটি তার ওয়াইফ নাসিমা মোল্লা নামে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে
ফ্যাসিস্ট হাসিনার অর্থদাতা তার নাম ভাঙ্গিয়ে নির্মিত এই স্কুলটির কারণে এখন চরম অগ্নিকাণ্ড ঝুঁকিতে রয়েছে কয়েক হাজার শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
ঝুঁকিপূর্ণ পাঠদান ও অবৈধ পার্কিং: আতঙ্কিত শিক্ষার্থীরা।সরেজমিনে দেখা যায়, তিতাস গ্যাসের ডাইরেক্ট পাইপলাইনে ও রাস্তা দখল করে স্কুল ভবন তৈরি করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, পাইপলাইনের ঠিক ওপরেরই প্রতিদিন প্রায় দেড় শতাধিক বাস পার্কিং করে রাখা হয়। এতে যেকোনো সময় পাইপলাইন ফেটে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড ও দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী। শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন এক অজানা আতঙ্ক নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় পাঠদান চালিয়ে যাচ্ছেন।
প্রশাসনের নীরবতা ও রাজনৈতিক প্রভাবে আওয়ামী লীগের সময় কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি:
অভিযোগ রয়েছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তিতাসের এই জায়গা দখল করেন কাদের মোল্লা স্কুল ভবন নির্মাণ করেন। তার বিরুদ্ধে রয়েছে আরো অভিযুগের পাহাড়
ক্রিয়া সংস্থার জমি নামে মাত্র টাকা দিয়ে সংস্থার জমি কিনে নেওয়া ।
নরসিংদী জেলা ক্রীড়া সংস্থার বর্তমান কমিটির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সদস্য জানান তৎকালীন ডিসি ওবায়দুল আজমের সাথে আঁতাত করে নামমাত্র মূল্যে স্টেডিয়ামের প্রায় শত কোটি টাকার জমিও লিখে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।
তৎকালীন প্রশাসনের ক্ষমতা আওয়ামী লীগের প্রভাব ও কিছু অনুগত সংবাদকর্মীর ভয়ে এলাকাবাসী এতদিন মুখ খুলতে পারেনি।
প্রতিবাদ ও নিন্দা: এই অনিয়মের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে এটিএন বাংলায় সাংবাদিক মাজহারুল পারভেজ মন্টি সংবাদ প্রকাশ করলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
সম্প্রতি নরসিংদী জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাজারুল ইসলাম টিটু এবং সাংবাদিক রিয়াদ হোসেন সরকার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ
ব্যাংক লুটেরা ও দখলদার হিসেবে অভিযুক্ত শেখ হাসিনার অর্থদাতা আওয়ামী লীগের দোসর কাদের মোল্লার গ্ গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা করেছেন।
, তিতাস পাইপলাইনের ওপর নির্মিত এই স্কুলে যদি কোনো কারণে অগ্নিকাণ্ড ঘটে, তবে তার প্রভাব নরসিংদী জেলা কারাগার, তরোয়া, বিলাসদী ও স্টেডিয়াম এলাকা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়তে পারে। এতে প্রাণহানি ও সম্পদহানির সম্ভাবনা রয়েছে।
এলাকাবাসী ও সচেতন মহল দ্রুত এই অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ ব্যাপারে কাদের মোল্লা এবং তার স্কুলের প্রধান শিক্ষক এর মোবাইলে হোয়াটসঅ্যাপে বারবার কল করলেও মোবাইল রিসিভ করেনি স্কুলে বক্তব্য নিতে গেলে প্রধান শিক্ষক পালিয়ে যায় ।
অনুসন্ধানে আরও জানা যায় তার ব্যক্তিগত দেহরক্ষী এবং কিছু সাংবাদিক সংবাদ প্রকাশ করার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এবং অন্যান্য সাংবাদিকদেরকে বলেছেন এ সকল নিউজ পোর্টাল এবং পত্রিকায় টিভিতে আসলে কিছুই হবে না আসতে হবে কালের কন্ঠ সমকাল যুগান্তর প্রথম আলোতে তাহলে কাদের মোল্লা সাহেব পড়বে। বাস্তবে সংবাদগুলো প্রকাশিত হয়েছে আনন্দ টিভি, এটিএন বাংলা, নিখাদ খবর, কালবেলা, ফাইন্যান্সিয়াল পোস্ট, নরসিংদীর সংবাদ, অপরাধ কণ্ঠ, দুর্নীতির খবর সহ একাধিক পত্রিকায় । ঐ সকল বডিগার্ড এবং প্রসাদের মুখে চুনকালি পড়েছে বিস্তারিত কমেন্টে__