• রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৪৭ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
গাজীপুরে মেট্রিক্স গার্মেন্টসে আগুন, ৬৭ জনকে জীবিত উদ্ধার আটতলা ভবনের তৃতীয় তলায় অগ্নিকাণ্ড, আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৯টি ইউনিট সংসারের সমীকরণে বড় প্রশ্ন! ৫০ লাখ টাকা দেনমোহর ও দুই সন্তানের ভরণপোষণ দাবি, ঢাবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্ত্রীর মামলা সৌদি আরবে পাঠানোর নামে ১৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ, সর্বস্বান্ত প্রবাসী মিলন মাহফিলে বক্তার পেছনে লাখ টাকা ব্যয়, অথচ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ানো ইমামদের বেতন নিয়ে অবহেলার অভিযোগ; স্থায়ী বেতন কাঠামো প্রণয়নের দাবি নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে রাঙ্গুনিয়ায় যুবদলের বিক্ষোভ টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, গুলিবিদ্ধ সেনাসদস্য তিতাস শেখের মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের বড় ধাক্কা, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে যশোরের বেনাপোলে মোটরসাইকেল মিছিল করেছেন স্থলবন্দর হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন ৯২৫ ও ৮৯১-এর নেতাকর্মীরা। ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক চেতনায় বেনাপোলকে আধুনিক সীমান্ত নগরী গড়ার প্রত্যয়, জনআস্থার রাজনীতিতে আবু তাহের ভারত এমপি মাজেদ বাবুর বিরুদ্ধে হত্যার ষড়যন্ত্র ও হলফনামায় জালিয়াতির অভিযোগ হাসিনার সেই ‘৪০০ কোটির পিয়ন’ জাহাঙ্গীর: অনুসন্ধান থেকে ১০০ কোটি টাকা পাচারের মামলা, দুই বছরে কতদূর তদন্ত?

টানা তিনটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সকল প্রার্থীদের গ্রেপ্তার দাবি জানিয়েছে গণধিকার পরিষদের রাশেদ খান

Reporter Name / ১৫৭ Time View
Update : সোমবার, ৪ আগস্ট, ২০২৫

 

তারিখ: ৪ আগস্ট ২০২৫
প্রকাশনায়: দৈনিক বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ
স্লোগান: জনতার কণ্ঠস্বর

অবৈধ সংসদ, বৈধ সম্পদ: একতরফা নির্বাচিত এমপি-মন্ত্রীদের অর্থনৈতিক সাম্রাজ্য বাজেয়াপ্ত না করলে ফ্যাসিবাদ টিকেই থাকবে

ভূমিকা
বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসে সবচেয়ে গভীর ক্ষত—টানা তিনটি বিতর্কিত জাতীয় নির্বাচন। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির একতরফা নির্বাচন, ২০১৮ সালের নিশিরাতের ভোটডাকাতি, এবং ২০২৪ সালের আওয়ামী নিয়ন্ত্রিত তথাকথিত ‘স্বতন্ত্র’ প্রার্থীদের মাধ্যমে গঠিত সংসদ—এসবই ছিল ভোটাধিকার ছিনিয়ে নেওয়ার স্পষ্ট প্রক্রিয়া। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে এই অবৈধ সংসদগুলোর এমপি-মন্ত্রীদের অবৈধ উপায়ে অর্জিত সম্পদ আজও অক্ষত। কেউ কেউ দেশ ছেড়ে পালিয়েও আয়-উপার্জন স্বাভাবিকভাবে উপভোগ করছেন।

অবৈধ নির্বাচন, অথচ বৈধ সম্পদের নিরাপত্তা: এ কেমন ন্যায়বিচার
এই তিন পর্বের সরকারে যারা ক্ষমতায় থেকেছেন, তারা রাষ্ট্রীয় সুবিধা, ঠিকাদারি ও দুর্নীতির সুযোগ নিয়ে বিশাল সম্পদের মালিক হয়েছেন। কিন্তু আজ যখন শুদ্ধি অভিযানের কথা উঠছে, তখন তাঁদের অর্থনৈতিক নেটওয়ার্ক প্রায় অনাহুত রয়ে গেছে। ১৪, ১৮ ও ২৪ সালের নির্বাচনে যারা বিনা ভোটে এমপি হয়েছেন, তাঁদের কারও সম্পদ বাজেয়াপ্ত হয়নি। ফলে, তাঁরা এখনো ভাড়া, লভ্যাংশ এবং ব্যাংক সুদের মাধ্যমে লাখো টাকা আয় করছেন।

গুলশান উদাহরণ: দেশ ছেড়েও আয় বহাল
সম্প্রতি গুলশান ও বনানী এলাকায় এমন কিছু ভবনের সন্ধান মিলেছে, যেগুলো থেকে ভাড়া এখনো যাচ্ছিল এক সাবেক ডামি মেয়রের অ্যাকাউন্টে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, শেখ ফজলে নূর তাপসের মতো প্রভাবশালী ব্যক্তিরা বিদেশে থাকলেও তাঁদের আয়-উপার্জন বাংলাদেশের ভেতর থেকে নিয়মিত পাচার হচ্ছে।
বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুর সম্পদের দেখভাল করছে আত্মীয় ও ঘনিষ্ঠজনরা। সম্পদের ওপর কোনো রাষ্ট্রীয় নজরদারি নেই।

প্রশ্ন জাগে, তারা তো এখন ক্ষমতায় নেই—তবু তাঁদের ব্যবসায়িক চক্র এবং আর্থিক সুবিধা চলমান কেন?

আওয়ামী অর্থনৈতিক সিন্ডিকেট: কে পাহারা দিচ্ছে?
এই সম্পদ কেবল ব্যক্তিগত নয়, একটি রাজনৈতিক অর্থনীতির প্রতীক। সরকারের ঘনিষ্ঠ আমলারা, বিভিন্ন সংস্থার কর্তা ও ব্যবসায়ী অংশীদাররা এখনো এই ‘সাবেক প্রভাবশালী’দের সম্পদ পাহারা দিচ্ছে।
তাদের অনেকে শাসকগোষ্ঠী বদলালেও প্রশাসনের ভেতর রয়ে গেছেন। কেউ কেউ নতুন সরকারের সাথেও ‘আপোষে’ টিকে থাকতে চাইছেন, একটাই শর্ত—সম্পদে হাত দেওয়া যাবে না।

বাস্তববাদী করণীয়: অবৈধ সম্পদ বাজেয়াপ্ত করুন
যদি সত্যিকার অর্থে শুদ্ধি অভিযান চালাতে হয়, তাহলে শুধু রাজনৈতিক গদি নয়—অর্থনৈতিক সাম্রাজ্যেও হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
প্রস্তাবনা:১৪, ১৮, ২৪ সালের অবৈধ নির্বাচনে জড়িতদের তালিকা তৈরি করা হোকতাঁদের দেশে ও বিদেশে থাকা স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের তথ্য সংগ্রহ হোকসব প্রমাণপত্র যাচাই করে অবৈধ সম্পদ বাজেয়াপ্তের আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হোকএকটি জাতীয় ট্রুথ কমিশন গঠন করে সম্পদ ও দুর্নীতির হিসাব নেওয়া হোক

ক্ষমতা বদলের অর্থ শুধু নতুন মুখ নয়—পুরোনো অন্যায় কাঠামোর ভাঙন। আওয়ামী লীগের এই আর্থিক নেটওয়ার্ক ধ্বংস না করলে, তারা বাইরে থেকেও ভেতরে প্রভাব বিস্তার করতে থাকবে।
আজ বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদ কেবল রাজনীতিতে নয়, অর্থনীতির প্রতিটি স্তরে গেঁথে আছে। তাই একে সমূলে উৎপাটনের জন্য চাই রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, প্রশাসনিক সাহস এবং জনতার নজরদারি।

সমস্ত তথ্য দিনাজার ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেন।


More News Of This Category
bdit.com.bd