• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১১:১৪ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
গাজীপুরে মেট্রিক্স গার্মেন্টসে আগুন, ৬৭ জনকে জীবিত উদ্ধার আটতলা ভবনের তৃতীয় তলায় অগ্নিকাণ্ড, আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৯টি ইউনিট সৌদি আরবে পাঠানোর নামে ১৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ, সর্বস্বান্ত প্রবাসী মিলন মাহফিলে বক্তার পেছনে লাখ টাকা ব্যয়, অথচ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ানো ইমামদের বেতন নিয়ে অবহেলার অভিযোগ; স্থায়ী বেতন কাঠামো প্রণয়নের দাবি নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে রাঙ্গুনিয়ায় যুবদলের বিক্ষোভ টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, গুলিবিদ্ধ সেনাসদস্য তিতাস শেখের মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের বড় ধাক্কা, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে যশোরের বেনাপোলে মোটরসাইকেল মিছিল করেছেন স্থলবন্দর হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন ৯২৫ ও ৮৯১-এর নেতাকর্মীরা। ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক চেতনায় বেনাপোলকে আধুনিক সীমান্ত নগরী গড়ার প্রত্যয়, জনআস্থার রাজনীতিতে আবু তাহের ভারত এমপি মাজেদ বাবুর বিরুদ্ধে হত্যার ষড়যন্ত্র ও হলফনামায় জালিয়াতির অভিযোগ হাসিনার সেই ‘৪০০ কোটির পিয়ন’ জাহাঙ্গীর: অনুসন্ধান থেকে ১০০ কোটি টাকা পাচারের মামলা, দুই বছরে কতদূর তদন্ত? পরিচয় নিয়ে নতুন বিতর্ক, কোন পক্ষ কতটা যৌক্তিক?

পিনাকী ভট্টাচার্য ফাঁস করলেন: “আমি নাফিজ সারাফত, জানি ব্যাংক মারার ধারাপাত” — এখন তদবিরে কচুক্ষেতির ফেরারী তাণ্ডব

Reporter Name / ৫৬২ Time View
Update : শুক্রবার, ১৮ জুলাই, ২০২৫

 

প্রশ্ন: আল জাজিরা কি জানে তাদের নাম ব্যবহার করে বাংলাদেশে কী চলছে?
পিনাকী ভট্টাচার্য ফাঁস করলেন: “আমি নাফিজ সারাফত, জানি ব্যাংক মারার ধারাপাত” — এখন তদবিরে কচুক্ষেতির ফেরারী তাণ্ডব

ডেইলি প্রথম বাংলাদেশ প্রতিবেদন

বাংলাদেশের টেলিকম খাতের অন্ধকার অলিগলি দিয়ে গোপনে এগোচ্ছিল একটি উচ্চাভিলাষী ও বিতর্কিত প্রাইভেট সাবমেরিন ক্যাবল প্রকল্প। বিষয়টি প্রথমবার জনসমক্ষে আনেন বিশিষ্ট রাজনৈতিক বিশ্লেষক পিনাকী ভট্টাচার্য, তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে দেওয়া এক বিস্তারিত পোস্টে।

তিনি দেখিয়েছেন, কীভাবে চারটি প্রভাবশালী গোষ্ঠী মিলে গঠন করেছে এক অশুভ কনসোর্টিয়াম, যার সবাই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ এবং চীনের ‘untrusted’ ক্যাবল এনে দেশের প্রযুক্তিগত নিরাপত্তা ও স্বার্থকে হুমকির মুখে ফেলতে চাচ্ছে:

১. সামিট গ্রুপ — আজিজ খান ও ফরিদ খান
২. মেটা কোর — নসরুল হামিদের পুত্র
৩. সিডি নেট — সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের ছেলে
৪. লেভেল-৩ — নাফিজ সারাফত, সেই আলোচিত “ব্যাংকবাজ”

এই ক্যাবল ইতিমধ্যেই সাত বছরের পুরনো — লাইফসাইকেলের অর্ধেক ফুরিয়ে গেছে। আর যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি আপত্তি জানিয়েছে, কারণ এই চীনা ক্যাবল হলে হাইপারস্কেলার কোম্পানিগুলোর (Meta, Google, AWS) বাংলাদেশে প্রবেশ ব্যাহত হবে। একইসাথে অলস পড়ে থাকবে রাষ্ট্রীয় ক্যাবল নেটওয়ার্ক SEA-ME-WE 4, 5 ও 6।

বাংলাদেশ সরকার তাই আপাতত প্রকল্প স্থগিত করেছে। কিন্তু তদবির থেমে নেই।

—

তদবিরের অন্ধকার শিল্প এবং এক ‘বিশ্বাসঘাতকের’ ফিরে আসা

পিনাকীর পোস্টে উঠে এসেছে কুখ্যাত সাংবাদিক ‘কচুক্ষেতি’র নাম, যিনি একসময় ছিলেন কার্টুনিস্ট কিশোর ও লেখক মুশতাক আহমেদের ঘনিষ্ঠ। তিনিই প্রস্তাব দিয়েছিলেন ঐতিহাসিক ব্যঙ্গচিত্রের জন্য—

> “আমি নাফিজ সারাফত, জানি ব্যাংক মারার ধারাপাত”

এই কার্টুন ‘I Am Bangladeshi’ পেজে প্রকাশিত হলে নাফিজ সারাফত ক্ষুব্ধ হন। কিশোর ও মুশতাককে ধরে রিমান্ডে নেয়া হয়, যেখানে মুশতাক আহমেদ নিহত হন।
কিশোরের শরীরে সিগারেটের ছ্যাঁকা, মুশতাকের ‘রিমান্ডে হাগু’ করা—সবই রাষ্ট্রীয় বর্বরতার সাক্ষী।

আর আজ সেই মুশতাক হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কলকাঠি নেড়েই কচুক্ষেতি এখন তদবির করছে নাফিজ সারাফতের প্রকল্পে।

—

💸 কচুক্ষেতির নৈতিক পতন এবং ফাইয়াজ তাইয়েবের কাছে অপমান

ফাইয়াজ তাইয়েব—প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী—এই তদবির পাত্তা না দেওয়ায়, কচুক্ষেতি তার বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা চালায়, নিজের সাংবাদিকদের দিয়ে সংবাদ ছড়ায়। অথচ মুশতাকের মতো একজন মুক্তচিন্তকের হত্যার দায় আজও তার ঘাড়ে।

এই কচুক্ষেতির সাথে রয়েছে—

জোকার হামিদ,

সামিটের আজিজ খান,

মেটা কোরের নসরুল পুত্র,

লেভেল-৩ এর নাফিজ সারাফত,

ডিজিএফআই, ভারতীয় স্ট্র্যাটেজিক হ্যান্ড এবং বাম-আওয়ামী লবি।

তার ফেসবুক প্রোফাইলেই মিলবে প্রমাণ—আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীদের সাফাই, অস্ত্রধারীদের মানবাধিকার নিয়ে মাতম!

প্রশ্ন: আল জাজিরা কি জানে তাদের নাম ব্যবহার করে বাংলাদেশে কী চলছে?

আল জাজিরার নাম ভাঙিয়ে কচুক্ষেতির আজকের অপকর্ম শুধু সাংবাদিকতা নয়, একটি বিশ্বাসঘাতকতাপূর্ণ অপারেশন। এটি প্রতিশ্রুতি ভাঙার, মুক্তমত হত্যা করার, এবং সুবিধাবাদীদের ক্যাবল-রাজনীতিতে আশ্রয় খোঁজার নাম।

উপসংহার: ‘বিবেকহীন সুবিধাবাদে’ এক সময়ের সহযোদ্ধার মৃত্যু আজ মূল্যহীন!

আজ আমরা বুঝতে পারছি, বিশ্বাসঘাতকতা কেবল একবার হয় না—
এটি ধাপে ধাপে আত্মাকে হত্যা করে, কবর খোঁড়ে বিশ্বাসের ভিতরেই।

মুশতাক মরেননি, হত্যা করা হয়েছে।
আর সেই হত্যাকারীই আজ কেবল কনসোর্টিয়ামের হয়ে মন্ত্রণালয়ে ঘোরে।
একদিন যে ব্যক্তি বলেছিলেন “ব্যাংক মারার ধারাপাত”,
আজ সে তদবিরের নীতিহীন ক্যালকুলেটরে মানুষের জীবনকেও একটা সংখ্যা মাত্র ভাবছে।

“কতটা নিচে নামলে কেউ নিজের হাতে বানানো কবরেই ফুল দিতে পারে?”
— ইতিহাস জবাব দেবে। সময় হিসাব কষে রাখছে।


More News Of This Category
bdit.com.bd