• শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১২:২০ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
গাজীপুরে মেট্রিক্স গার্মেন্টসে আগুন, ৬৭ জনকে জীবিত উদ্ধার আটতলা ভবনের তৃতীয় তলায় অগ্নিকাণ্ড, আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৯টি ইউনিট সৌদি আরবে পাঠানোর নামে ১৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ, সর্বস্বান্ত প্রবাসী মিলন মাহফিলে বক্তার পেছনে লাখ টাকা ব্যয়, অথচ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ানো ইমামদের বেতন নিয়ে অবহেলার অভিযোগ; স্থায়ী বেতন কাঠামো প্রণয়নের দাবি নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে রাঙ্গুনিয়ায় যুবদলের বিক্ষোভ টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, গুলিবিদ্ধ সেনাসদস্য তিতাস শেখের মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের বড় ধাক্কা, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে যশোরের বেনাপোলে মোটরসাইকেল মিছিল করেছেন স্থলবন্দর হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন ৯২৫ ও ৮৯১-এর নেতাকর্মীরা। ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক চেতনায় বেনাপোলকে আধুনিক সীমান্ত নগরী গড়ার প্রত্যয়, জনআস্থার রাজনীতিতে আবু তাহের ভারত এমপি মাজেদ বাবুর বিরুদ্ধে হত্যার ষড়যন্ত্র ও হলফনামায় জালিয়াতির অভিযোগ হাসিনার সেই ‘৪০০ কোটির পিয়ন’ জাহাঙ্গীর: অনুসন্ধান থেকে ১০০ কোটি টাকা পাচারের মামলা, দুই বছরে কতদূর তদন্ত? পরিচয় নিয়ে নতুন বিতর্ক, কোন পক্ষ কতটা যৌক্তিক?

বন্দর এলাকা, পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ড ও সীমান্তপথে যাত্রীদের নিরাপদ চলাচলে প্রশংসায় ভাসছেন বেনাপোল পোর্ট থানার এসআই (নিঃ) মো. রাশেদুজ্জামান

ডেস্ক রিপোর্ট : / ১২৮ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬

 

বন্দর এলাকা, পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ড ও সীমান্তপথে যাত্রীদের নিরাপদ চলাচলে প্রশংসায় ভাসছেন বেনাপোল পোর্ট থানার এসআই (নিঃ) মো. রাশেদুজ্জামান

বেনাপোল প্রতিনিধি:

যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোল স্থলবন্দর, আন্তর্জাতিক যাত্রী টার্মিনাল, পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ড এবং সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতির পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন বেনাপোল পোর্ট থানার এসআই (নিঃ) মো. রাশেদুজ্জামান—এমন মন্তব্য করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী, পরিবহনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও সীমান্ত ব্যবহারকারী অনেক যাত্রী। তাঁদের দাবি, পুলিশের নিয়মিত টহল, দ্রুত সাড়া এবং অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থানের ফলে সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্ত এলাকায় চুরি, ছিনতাই, মাদক কারবার ও যাত্রী হয়রানির ঘটনা আগের তুলনায় কমেছে।
দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর হিসেবে পরিচিত বেনাপোল দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রী ও বিপুল পরিমাণ পণ্য পরিবহন হয়ে থাকে। ফলে এই এলাকায় সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা পুলিশের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে পুলিশের দৃশ্যমান উপস্থিতি এবং দায়িত্বশীল কার্যক্রমের কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাবোধ বৃদ্ধি পেয়েছে।
ভারতগামী ও ভারত থেকে দেশে ফেরা যাত্রীদের অনেকেই জানিয়েছেন, অতীতে সীমান্ত এলাকায় দালালচক্র, ছিনতাই ও বিভিন্ন ধরনের হয়রানির অভিযোগ শোনা গেলেও বর্তমানে পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। নিয়মিত টহল ও নজরদারির কারণে যাত্রীরা এখন তুলনামূলক স্বস্তিতে সীমান্ত অতিক্রম করতে পারছেন।
ভারত থেকে আগত কয়েকজন বাংলাদেশি পর্যটক ও যাত্রী জানান, আন্তর্জাতিক যাত্রী টার্মিনাল, বন্দর এলাকা এবং আশপাশে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নতি তাদের মধ্যে ইতিবাচক ধারণা তৈরি করেছে। তারা বলেন, পুলিশের উপস্থিতি ও দায়িত্বশীল আচরণের কারণে নির্বিঘ্নে চলাফেরা করা সম্ভব হচ্ছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পরিবহনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এসআই (নিঃ) মো. রাশেদুজ্জামান নিয়মিত দিন-রাত অভিযান পরিচালনা করছেন। মাদক কারবারি, চোরচক্র, ছিনতাইকারী ও বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ায় অপরাধপ্রবণতা কমেছে বলে তাঁদের দাবি। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে টহল জোরদার করায় অপরাধীরা অনেক ক্ষেত্রে গা-ঢাকা দিতে বাধ্য হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন অনেকে।
বেনাপোল পৌরসভার একাধিক বাসিন্দা বলেন, আগে রাতের বেলায় অনেকেই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতেন। বর্তমানে পুলিশের টহল বৃদ্ধি পাওয়ায় সেই ভয় অনেকটাই কেটে গেছে। তাঁদের মতে, কোনো অভিযোগ পেলে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কারণে সাধারণ মানুষের আস্থা বেড়েছে।
সীমান্তপথে যাত্রীসেবার সঙ্গে জড়িত কয়েকজন জানান, যাত্রীদের সঙ্গে মানবিক আচরণ এবং দ্রুত সহযোগিতা প্রদানের বিষয়টি এখন বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এতে শুধু যাত্রীদের ভোগান্তিই কমছে না, বেনাপোলের সার্বিক ভাবমূর্তিও ইতিবাচকভাবে তুলে ধরতে সহায়ক হচ্ছে।
স্থানীয়দের মতে, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি জনগণের সঙ্গে পুলিশের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে এসআই (নিঃ) মো. রাশেদুজ্জামান নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখছেন। বিভিন্ন এলাকার মানুষের অভিযোগ শুনে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বাড়তি নজরদারি চালানোর ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে পুলিশের প্রতি আস্থা বৃদ্ধি পেয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনেক নাগরিক সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতির বিষয়ে ইতিবাচক মতামত প্রকাশ করছেন। তাঁদের ভাষ্য, অপরাধ দমনের পাশাপাশি মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাবোধ সৃষ্টি করাও পুলিশের একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব, যা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কাজ করে যাচ্ছেন।
বেনাপোল পোর্ট থানার একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, সীমান্ত এলাকায় চুরি, ছিনতাই, মাদক পাচার, যাত্রী হয়রানি এবং অন্যান্য অপরাধ প্রতিরোধে নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি সাধারণ জনগণের সহযোগিতাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পুলিশ মনে করে, জনগণ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত প্রচেষ্টাই একটি নিরাপদ সীমান্ত নিশ্চিত করতে পারে।
সংশ্লিষ্টরা আরও বলেন, বেনাপোল দেশের আন্তর্জাতিক প্রবেশদ্বার হওয়ায় এখানকার নিরাপত্তা শুধু স্থানীয় মানুষের জন্য নয়, জাতীয় ভাবমূর্তির সঙ্গেও জড়িত। তাই আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ প্রশাসনের ধারাবাহিক উদ্যোগ অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সীমান্ত এলাকায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং সাধারণ মানুষের স্বস্তিপূর্ণ চলাচল নিশ্চিত করতে পুলিশের বর্তমান তৎপরতা ভবিষ্যতেও একইভাবে অব্যাহত থাকবে। তাঁদের বিশ্বাস, দায়িত্বশীল, সৎ ও পেশাদার পুলিশ কর্মকর্তাদের কার্যকর ভূমিকা একটি নিরাপদ সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।


More News Of This Category
bdit.com.bd