শার্শার মাটিকে মুক্ত করার শপথ: জনতার আমানত ধানের শীষে মুক্তির মহাবিপ্লব
তারেক রহমানের নির্দেশ: “অনৈক্যের শিকল ভেঙে ধানের শীষের বিজয় সুনিশ্চিত করুন”
বিশেষ রাজনৈতিক প্রতিবেদন | শার্শা, যশোর
যশোর-১ (শার্শা) আসনের আকাশ-বাতাস আজ এক ঐতিহাসিক পরিবর্তনের সাক্ষী হতে যাচ্ছে। এটি কেবল একটি সাধারণ নির্বাচন নয়; এটি দীর্ঘদিনের শোষণ থেকে মুক্তির লড়াই, এটি ইনসাফ কায়েমের লড়াই। বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, দেশনায়ক তারেক রহমান যশোরের মাটিতে দাঁড়িয়ে যে বজ্রকণ্ঠের ডাক দিয়েছেন, তা শার্শার প্রতিটি ঘরকে আজ এক একটি দুর্গে পরিণত করেছে।
ধানের শীষ: জনগণের আমানত ও মুক্তির একমাত্র পথ
তারেক রহমান স্পষ্ট করে বলে দিয়েছেন, ধানের শীষ কেবল কোনো একক প্রার্থীর প্রতীক নয়। এটি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আজন্ম লালিত স্বপ্ন, এটি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আপসহীন সংগ্রামের প্রতিচ্ছবি।
“ধানের শীষ জনগণের মার্কা, ধানের শীষ মুক্তির মার্কা। এই আমানত রক্ষায় শার্শার মাটিতে কোনো বিভেদ বা অনৈক্যের স্থান নেই। মনে রাখবেন, ধানের শীষের সুরক্ষা মানেই বাংলাদেশের গণতন্ত্রের সুরক্ষা।”
জনতার আমানত ও নুরুজ্জামান লিটনের বলিষ্ঠ নেতৃত্ব
শার্শা আসনে ধানের শীষের কান্ডারি আলহাজ্ব নুরুজ্জামান লিটন আজ জনতার আস্থার এক অপরাজেয় নাম। তারেক রহমানের নির্দেশে তিনি শার্শাকে ফ্যাসিবাদের থাবা থেকে মুক্ত করতে বদ্ধপরিকর। তাঁর নেতৃত্বে ধানের শীষ আজ পরিণত হয়েছে:
ন্যায়ের মার্কা: যেখানে কোনো জুলুম থাকবে না।
ভাতের ও ভোটের অধিকারের মার্কা: যা সাধারণ মানুষের সম্মান ফিরিয়ে দেবে।
হ্যান্ডসাম ও আধুনিক নেতৃত্বের মার্কা: যা তরুণ প্রজন্মের কর্মসংস্থান ও উন্নত ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করবে।
অনৈক্যের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি ও ঐক্যবদ্ধ শার্শা
তারেক রহমানের কড়া বার্তা—নির্বাচনের এই চূড়ান্ত লগ্নে যারা অনৈক্য সৃষ্টি করবে, তারা প্রকারান্তরে স্বাধীনতার শত্রুদের সাহায্য করবে। শার্শাবাসীর প্রতি তাঁর উদাত্ত আহ্বান: “ইস্পাতকঠিন ঐক্য গড়ে তুলুন। কোনো ষড়যন্ত্র, কোনো ভয় যেন আপনাদের আমানত রক্ষার পথ থেকে বিচ্যুত করতে না পারে।” এই সাহসে বলীয়ান হয়ে শার্শার সাধারণ মানুষ আজ যেকোনো অপশক্তিকে প্রতিহত করতে ‘জনতার আক্রমণ’ গড়ে তুলতে প্রস্তুত।
উন্নয়নের মহাপরিকল্পনা ও নারীর অধিকার
আলহাজ্ব নুরুজ্জামান লিটন তাঁর রাজনৈতিক দর্শনে নারীদের সর্বোচ্চ সম্মানের আসনে বসিয়েছেন। তিনি অঙ্গীকার করেছেন:
নারীদের জন্য নিরাপদ কর্মসংস্থান ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
তৃণমূলের মা-বোনদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলে অর্থনৈতিক মুক্তি আনা।
সীমান্তবর্তী এই জনপদ থেকে পাচার ও মাদক নির্মূল করে যুবসমাজকে রক্ষা করা।
চূড়ান্ত ঘোষণা
আসন্ন নির্বাচনে শার্শার মাটিতে ব্যালটের মাধ্যমে যে বিপ্লব ঘটবে, তা হবে ন্যায়ের বিপ্লব। প্রতিটি কেন্দ্র পাহারা দিয়ে জনতার আমানত রক্ষা করাই এখন প্রধান লক্ষ্য। ষড়যন্ত্রকারীদের বিষদাঁত ভেঙে দিয়ে ধানের শীষের বিজয় কেতন উড়াবেই ইনশাআল্লাহ।
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান — অমর হোক! দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া — অমর হোক! তারুণ্যের অহংকার তারেক রহমান — জিন্দাবাদ! বাংলাদেশ — জিন্দাবাদ!