৯১.৮৫% নিখুঁত! বিজ্ঞান বলছে, অ্যাম্বার হার্ডের মুখই পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর
ডেইলি বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ ডেস্ক | ২৫ জুলাই ২০২৫
একটা মুখ কতটা নিখুঁত হতে পারে? সেটা কি শুধু চোখের দেখা, না কি গণিত দিয়েও তা মাপা সম্ভব?
প্রাচীন গ্রীক দার্শনিকদের ‘Golden Ratio’—এক সৌন্দর্য সূত্রের আলোকে, ব্রিটিশ কসমেটিক সার্জন ডা. জুলিয়ান ডি সিলভা সম্প্রতি ঘোষণা দিয়েছেন:
“অ্যাম্বার হার্ডের মুখই পৃথিবীর সবচেয়ে নিখুঁত মুখাবয়ব।”
কী এই ‘গোল্ডেন রেশিও’?
প্রাচীন গ্রীসে সৌন্দর্য পরিমাপের জন্য একটি গাণিতিক অনুপাত তৈরি করা হয়—Phi (1.618), যা ‘Golden Ratio of Beauty’ নামে পরিচিত।
এই অনুপাত অনুযায়ী চোখ, নাক, ঠোঁট, কপাল ও চোয়ালের মধ্যে দূরত্ব এবং অনুপাত যদি নিখুঁত হয়, তাহলে সেই মুখ ‘বিজ্ঞানসম্মতভাবে’ সবচেয়ে সুন্দর।
অ্যাম্বার হার্ড: গাণিতিক সৌন্দর্যের চূড়ায়
কম্পিউটারাইজড ফেস ম্যাপিং অ্যালগরিদম ব্যবহার করে ডা. সিলভা দেখান যে, অ্যাম্বার হার্ডের মুখাবয়ব ৯১.৮৫% সঠিকভাবে এই গোল্ডেন রেশিও-এর অনুপাতে পড়ে।
বিশ্লেষণ অনুযায়ী:
তার চোখের অবস্থান, নাকের দৈর্ঘ্য, ঠোঁটের আকার এবং চোয়ালের রেখা অসাধারণ ভারসাম্যপূর্ণ।
এমনকি কপাল থেকে চিবুক পর্যন্ত অনুপাতও textbook perfect।
এই কারণেই তাকে ‘সবচেয়ে নিখুঁত মুখের অধিকারী নারী’ ঘোষণা করা হয়।
তালিকায় আরও কারা ছিলেন?
ডা. সিলভার গবেষণায় আরও যেসব তারকারা ঘনিষ্ঠ স্কোর পেয়েছেন:
কিম কার্দাশিয়ান – ঠোঁটের আকৃতি ও ভ্রুর গঠন।
স্কারলেট জোহানসন – চোখ ও নাকের সৌন্দর্য।
কেট মস, এমিলিয়া ক্লার্ক, মেগান ফক্স ও বিয়ন্সে—তাদের মুখাবয়বও গোল্ডেন রেশিও অনুসারে প্রায় নিখুঁত।
সৌন্দর্য কি শুধুই গাণিতিক?
যদিও এই গবেষণা গোল্ডেন রেশিও ভিত্তিক, অনেকেই বলেন সৌন্দর্য শুধুই সংখ্যায় মাপা যায় না। আবেগ, ব্যক্তিত্ব, মনের ঔজ্জ্বল্য—সব মিলেই আসল সৌন্দর্য।
তবুও, যখন বিজ্ঞানের আলোকে বলা হয় কারো মুখ “বিশ্বের সবচেয়ে নিখুঁত”—তখন সেটি নিয়ে বিশ্বব্যাপী আগ্রহ ও আলোচনা হওয়াটাই স্বাভাবিক।
প্রতিবেদন: Tushan Motion
“সৌন্দর্যের কোনো সংজ্ঞা নেই”—এ কথা যতটা সত্য, ততটাই চমকপ্রদ এই সত্যটিও যে গ্রীক সূত্রে অ্যাম্বার হার্ড হয়ে আছেন ‘Perfect Face’-এর জীবন্ত উদাহরণ।