ট্রল, বিদ্বেষ ও ব্যক্তিগত আক্রমণের শিকার মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ টাঙ্গিয়া জামান মেথিলা
বিনোদন ডেস্ক:
মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ ২০২৫–এর প্রতিযোগী টাঙ্গিয়া জামান মেথিলাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অযথা সমালোচনা, ব্যক্তিগত আক্রমণ ও ট্রলের মাত্রা উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিকিনি রাউন্ডে অংশ নেওয়ার কারণে একদল ব্যক্তি অশোভন মন্তব্য করছে, যা ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার মানদণ্ড—দুটিকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে।
পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, অনেকেই তুলনা করছেন অন্য দেশের প্রতিযোগীদের সঙ্গে। সেই দেশগুলোর প্রতিনিধিরা টাইট বা ভিন্নধর্মী পোশাক পরলেও সমালোচনার লক্ষ্যবস্তু হচ্ছেন মূলত বাংলাদেশের প্রতিযোগীই। এ ধরনের আচরণ বিশেষজ্ঞদের মতে সামাজিক সংবেদনশীলতার ভুল ব্যাখ্যা ও বিদ্বেষ ছড়ানোরই উদাহরণ।
এছাড়া, প্রায় ৯ বছর আগের একটি ব্যক্তিগত ভিডিওর প্রসঙ্গ টেনে এনে মেথিলাকে অপমান করছে আরেক দল। ব্যক্তিগত জীবনের অতীত ঘটনা টেনে এনে আজ কাউকে আক্রমণ করা সামাজিকভাবে অনৈতিক এবং সাইবার বুলিংয়েরই অংশ বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
তাদের ভাষ্য—
> “কাউকে পছন্দ বা অপছন্দ ব্যক্তিগত বিষয়। কিন্তু বহু বছর আগের একটি ঘটনার উপর ভর করে একজন প্রতিযোগীর সম্মানহানি করা সভ্যতার পরিচয় নয়। আগে নিজের অতীত দেখুন, তারপর অন্যকে বিচার করুন।”
বিশেষজ্ঞরা বলেন, নারীবিদ্বেষমূলক মন্তব্য ও অনলাইন হেনস্তা সমাজের মানসিক অবক্ষয়ের বড় লক্ষণ। আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিকে সমর্থন করার পরিবর্তে তাকে অপমান করা জাতীয় ভাবমূর্তিরও ক্ষতি করে।
সবশেষে বিনোদন বিশ্লেষকদের আহ্বান—
“গঠনমূলক সমালোচনা করুন, বিদ্বেষ নয়। দেশের প্রতিযোগীকে সমর্থন দিন। আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশকে সম্মানজনকভাবে তুলে ধরাই হোক লক্ষ্য।”