• মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বন্দর এলাকা, পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ড ও সীমান্তপথে যাত্রীদের নিরাপদ চলাচলে প্রশংসায় ভাসছেন বেনাপোল পোর্ট থানার এসআই (নিঃ) মো. রাশেদুজ্জামান ঠাকুরগাঁওয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে ২২০ ইয়াবা, ৯ বোতল ফেনসিডিল ও নগদ ৩২ হাজার টাকা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ এফবিআই প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আইজিপির সৌজন্য সাক্ষাৎ চট্টগ্রাম থেকে ফেরার পথে ডাকাতের কবলে বিএমএসএফ কেন্দ্রীয় সভাপতি আহমেদ আবু জাফর, সহকর্মীদের দোয়া ও সহযোগিতার আহ্বান মাছ ধরতে গিয়ে জেলের জালে মিলল থানা থেকে লুট হওয়া শর্টগান বেনাপোল কাস্টম চেকপোস্টে ‘স্পট ট্যাক্স’ বন্ধ, লাগেজ হয়রানি ও উন্নয়ন প্রশ্নে বাড়ছে জনঅসন্তোষ: রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান: বড়আঁচড়া সড়কের অস্থায়ী সংস্কারে উদ্যোগ, এলাকাবাসীর মাঝে স্বস্তি বেনাপোলের গর্ব মারিয়া আফরিন তিষু: ছাত্ররাজনীতিতে নেতৃত্ব, গণমাধ্যমে আত্মবিশ্বাসী উপস্থাপনায় নতুন প্রজন্মের অনুপ্রেরণা পলাশবাড়ীতে প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীর পেট মুচড়ে ও বেঞ্চে শুইয়ে নির্যাতনের অভিযোগ শিক্ষক মিথুনের বিরুদ্ধে মেয়রপ্রার্থী মফিজুর রহমানের মানবিক দৃষ্টান্ত ১৫০০ পরিবারের মুখে ঈদের হাসি

ট্রল, বিদ্বেষ ও ব্যক্তিগত আক্রমণের শিকার মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ টাঙ্গিয়া জামান মেথিলা

Reporter Name / ১৬৩ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৫

 

ট্রল, বিদ্বেষ ও ব্যক্তিগত আক্রমণের শিকার মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ টাঙ্গিয়া জামান মেথিলা

বিনোদন ডেস্ক:
মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ ২০২৫–এর প্রতিযোগী টাঙ্গিয়া জামান মেথিলাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অযথা সমালোচনা, ব্যক্তিগত আক্রমণ ও ট্রলের মাত্রা উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিকিনি রাউন্ডে অংশ নেওয়ার কারণে একদল ব্যক্তি অশোভন মন্তব্য করছে, যা ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার মানদণ্ড—দুটিকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে।

পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, অনেকেই তুলনা করছেন অন্য দেশের প্রতিযোগীদের সঙ্গে। সেই দেশগুলোর প্রতিনিধিরা টাইট বা ভিন্নধর্মী পোশাক পরলেও সমালোচনার লক্ষ্যবস্তু হচ্ছেন মূলত বাংলাদেশের প্রতিযোগীই। এ ধরনের আচরণ বিশেষজ্ঞদের মতে সামাজিক সংবেদনশীলতার ভুল ব্যাখ্যা ও বিদ্বেষ ছড়ানোরই উদাহরণ।

এছাড়া, প্রায় ৯ বছর আগের একটি ব্যক্তিগত ভিডিওর প্রসঙ্গ টেনে এনে মেথিলাকে অপমান করছে আরেক দল। ব্যক্তিগত জীবনের অতীত ঘটনা টেনে এনে আজ কাউকে আক্রমণ করা সামাজিকভাবে অনৈতিক এবং সাইবার বুলিংয়েরই অংশ বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

তাদের ভাষ্য—

> “কাউকে পছন্দ বা অপছন্দ ব্যক্তিগত বিষয়। কিন্তু বহু বছর আগের একটি ঘটনার উপর ভর করে একজন প্রতিযোগীর সম্মানহানি করা সভ্যতার পরিচয় নয়। আগে নিজের অতীত দেখুন, তারপর অন্যকে বিচার করুন।”

 

বিশেষজ্ঞরা বলেন, নারীবিদ্বেষমূলক মন্তব্য ও অনলাইন হেনস্তা সমাজের মানসিক অবক্ষয়ের বড় লক্ষণ। আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিকে সমর্থন করার পরিবর্তে তাকে অপমান করা জাতীয় ভাবমূর্তিরও ক্ষতি করে।

সবশেষে বিনোদন বিশ্লেষকদের আহ্বান—
“গঠনমূলক সমালোচনা করুন, বিদ্বেষ নয়। দেশের প্রতিযোগীকে সমর্থন দিন। আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশকে সম্মানজনকভাবে তুলে ধরাই হোক লক্ষ্য।”


More News Of This Category
bdit.com.bd