ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু নির্বাচন ২০২৫–এর ছাত্রদল মনোনীত ভিপি পদপ্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান নিজের ফেসবুক পোস্টে প্রকাশ করেছেন তার দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম ও নির্বাচনকালীন অভিজ্ঞতা।
তিনি লিখেছেন, ২০১৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই শেখ হাসিনার শাসনামলের অন্ধকার সময়ে ছাত্রলীগের দখলদারিত্ব ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিদিন লড়াই করতে হয়েছে। গণরুম-গেস্টরুম সংস্কৃতির বিরুদ্ধে তিনি সরব হয়েছিলেন। হলে থাকার সুযোগ না পেলেও রাজপথে স্লোগান তুলে প্রতিরোধের পথে ছিলেন।
তার বক্তব্যে উঠে এসেছে রংপুরের শহীদ আবু সাঈদ ও চট্টগ্রামের শহীদ ওয়াসিমের মতো ছাত্রদল নেতাদের আত্মত্যাগের অনুপ্রেরণা। তিনি উল্লেখ করেন, জুলাই মাসের আগুনঝরা দিনগুলোতে তারা ঢাকার পথে পথে বুক পেতে বুলেটের সামনে দাঁড়িয়েছেন।
১৯ আগস্ট ২০২৫-এ ছাত্রদলের ভেতরে সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক ভোটাভুটির মাধ্যমে ডাকসুর ভিপি প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পান তিনি। ২০ আগস্ট সকালে অপরাজেয় বাংলার পাদদেশ থেকে তার নাম ঘোষণা হলে তিনি স্তব্ধ হয়ে যান দায়িত্বের ভারে।
আবিদুল ইসলাম খান কৃতজ্ঞতা জানান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন, টিএসসি ও বিভাগীয় ক্লাব, জেলা-উপজেলা ভিত্তিক সংগঠন, বাস কমিটি, শিক্ষক ও কর্মচারীসহ সকল শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি। তিনি বলেন, “আপনাদের কাছে আমি চিরঋণি। ক্যাম্পেইন চলাকালে অনেকেই সমর্থন জানিয়েছেন, কিন্তু ব্যস্ততার কারণে সময় দিতে পারিনি। ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, সংগ্রাম এখানেই শেষ নয়। নৈতিকতার সংগ্রাম অনৈতিকতার বিরুদ্ধে অব্যাহত থাকবে। আবিদুল ইসলাম খান কাজী নজরুল ইসলামের একটি পংক্তি উদ্ধৃত করে বলেন—
“যে-পথ আমার সত্যের বিরোধী, সে-পথ ছাড়া আর কোনো পথই আমার বিপথ নয়।”