ঢাকা, ৩০ জুলাই ২০২৫
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এক আবেগঘন বক্তব্যে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন, “শুধুমাত্র একটি সরকারি চাকরি পাওয়ার আশায় শ্রমজীবী, কর্মজীবী মানুষ রাজপথে জীবন উৎসর্গ করেননি সেদিন।”
জুলাই-আগস্ট মাসজুড়ে শহীদ শ্রমিক, ছাত্র এবং সাধারণ জনতার আত্মত্যাগের প্রেক্ষিতে এই বক্তব্য দিয়েছেন তিনি। তারেক রহমানের এই বিবৃতিতে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে, তিনি স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের মূল চেতনা এবং জনগণের আত্মদানের প্রকৃত অর্থ নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে বদ্ধপরিকর।
তারেক রহমান বলেন, “বঙ্গবন্ধুর একদলীয় শাসনের বিরুদ্ধে, সেনা শাসনের শৃঙ্খল ভেঙে, বাকস্বাধীনতা, ভোটাধিকার ও অর্থনৈতিক ন্যায়ের জন্যই মানুষ রক্ত দিয়েছিল। একটি পদের জন্য, একটি চাকরির নিশ্চয়তার জন্য নয়—তাদের সংগ্রাম ছিল স্বাধীনতার প্রকৃত অর্থ প্রতিষ্ঠার জন্য।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, যারা আজও জনগণের সেই আত্মত্যাগকে পুঁজি করে গুটিকয়েক সুবিধাভোগী শ্রেণির হাতে রাষ্ট্রকে জিম্মি করে রেখেছে, তারা মূলত স্বাধীনতার প্রতারণাকারী।
তারেক রহমানের এই বক্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কর্মসূচিতে এই বক্তব্য তুলে ধরছেন। অনেকেই বলছেন, “এটাই আসল কথা—দেশটা শুধু সরকারি চাকরির নিরাপত্তার জন্য নয়, সার্বিক মুক্তির জন্য লড়েছিলাম আমরা।”
রাজনীতিবিদদের মতে, এটি শুধু অতীতকে স্মরণ নয়, বরং বর্তমান ও ভবিষ্যতের জন্য রাজনৈতিক রূপরেখা নির্ধারণের একটি ঘোষণা।
বিএনপির সাংগঠনিক সূত্র জানিয়েছে, আগস্ট মাসজুড়ে শহীদ স্মরণ, দোয়া মাহফিল ও রাজনৈতিক সংলাপের মাধ্যমে জনতার এই আত্মত্যাগের মূল্যায়ন করা হবে এবং ‘নতুন মুক্তির সংগ্রাম’-এর প্রস্তুতি হিসেবে তারেক রহমানের আহ্বান মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়ন করা হবে।