• শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৫৯ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
গাজীপুরে মেট্রিক্স গার্মেন্টসে আগুন, ৬৭ জনকে জীবিত উদ্ধার আটতলা ভবনের তৃতীয় তলায় অগ্নিকাণ্ড, আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৯টি ইউনিট সংসারের সমীকরণে বড় প্রশ্ন! ৫০ লাখ টাকা দেনমোহর ও দুই সন্তানের ভরণপোষণ দাবি, ঢাবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্ত্রীর মামলা সৌদি আরবে পাঠানোর নামে ১৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ, সর্বস্বান্ত প্রবাসী মিলন মাহফিলে বক্তার পেছনে লাখ টাকা ব্যয়, অথচ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ানো ইমামদের বেতন নিয়ে অবহেলার অভিযোগ; স্থায়ী বেতন কাঠামো প্রণয়নের দাবি নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে রাঙ্গুনিয়ায় যুবদলের বিক্ষোভ টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, গুলিবিদ্ধ সেনাসদস্য তিতাস শেখের মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের বড় ধাক্কা, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে যশোরের বেনাপোলে মোটরসাইকেল মিছিল করেছেন স্থলবন্দর হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন ৯২৫ ও ৮৯১-এর নেতাকর্মীরা। ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক চেতনায় বেনাপোলকে আধুনিক সীমান্ত নগরী গড়ার প্রত্যয়, জনআস্থার রাজনীতিতে আবু তাহের ভারত এমপি মাজেদ বাবুর বিরুদ্ধে হত্যার ষড়যন্ত্র ও হলফনামায় জালিয়াতির অভিযোগ হাসিনার সেই ‘৪০০ কোটির পিয়ন’ জাহাঙ্গীর: অনুসন্ধান থেকে ১০০ কোটি টাকা পাচারের মামলা, দুই বছরে কতদূর তদন্ত?

শহীদ ইকবালের গ্রুপের বিরুদ্ধে ১১ লাখ টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগ, আতঙ্কে এলাকা ছাড়ল হিন্দু পরিবার

রাজেশ কুমার বড়ুয়া / ১০৮ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

 

মণিরামপুরে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ
চাঁদা দাবির মুখে পরিবার পলাতক, এলাকায় চরম আতঙ্ক
যশোর প্রতিনিধি:
যশোরের মণিরামপুর পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের দুর্গাপুর–স্বরূপদ্যহ এলাকায় হিন্দু সম্প্রদায়ের একটি পরিবারের ওপর দীর্ঘদিন ধরে চাঁদা ও নির্যাতন চালানোর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীদের দাবি, শহীদ ইকবালের নেতৃত্বাধীন একটি প্রভাবশালী সন্ত্রাসী গ্রুপ এ নির্যাতনের সঙ্গে জড়িত।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি আসলাম ঘাইতে, ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হোসেন আলী, দিব খালাসির দুই ছেলে স্বপন খালাসি ও সাধন খালাসি—এই ব্যক্তিরা মিলে তাদের কাছ থেকে জোরপূর্বক ১১ লক্ষ টাকা চাঁদা আদায় করেন। এত বড় অঙ্কের টাকা দেওয়ার পরও তাদের কাছ থেকে পুনরায় আরও চাঁদা দাবি করা হয়।
চাঁদা না দিলে প্রাণনাশের হুমকি
ভুক্তভোগীদের দাবি, চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের বাড়িঘরে হামলা, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ হয়ে ওঠে যে, পরিবারটির সদস্যরা নিজেদের জীবন বাঁচাতে বাধ্য হয়ে এলাকা ছেড়ে চলে যান এবং প্রতিবেশী দেশ ভারতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ওই এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই একটি প্রভাবশালী হায়েনা বাহিনীর দৌরাত্ম্য চলছিল। রাজনৈতিক পরিচয় ও ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে তারা সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে চাঁদা আদায় করত। কেউ মুখ খুললে তার ওপর নেমে আসত নির্যাতন।
এলাকায় নীরব আতঙ্ক
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক স্থানীয় ব্যক্তি জানান, “ঘটনাটি সবাই জানে, কিন্তু ভয়ে কেউ কথা বলতে সাহস পাচ্ছে না। আজ হিন্দু পরিবার, কাল যে কেউ হতে পারে।” ফলে এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি
এলাকাবাসী ও সচেতন মহল এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। একই সঙ্গে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


More News Of This Category
bdit.com.bd