রাবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম কল্যাণ ও উন্নয়ন সম্পাদক নির্বাচিত হলেন হাতিয়ার সাব্বির আহমেদ তাফসির
মাহিদুল ইসলাম হিমেল, হাতিয়া (নোয়াখালী) প্রতিনিধি
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘রুয়া’—Rajshahi University Alumni Association (RUAA)—এর সদ্য অনুষ্ঠিত নির্বাচনে যুগ্ম কল্যাণ ও উন্নয়ন সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন হাতিয়া উপজেলার কৃতি সন্তান সাব্বির আহমেদ তাফসির। ২৬ জুলাই অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে ৫১টি পদে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়, যা ছিল সংগঠনটির ২৬ বছরের ইতিহাসে প্রথম নির্বাচন।
সাব্বির আহমেদ তাফসিরের বিজয়ে উচ্ছ্বাসে ভাসছে দ্বীপ উপজেলা হাতিয়া। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই তাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে পোস্ট দিয়েছেন। তার এই অর্জনে গর্বিত তার পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও দ্বীপের সচেতন নাগরিকরা। শিক্ষিত সমাজ মনে করছে, এই পদ থেকে তিনি দ্বীপের অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারবেন।
সাব্বিরের পারিবারিক পরিচিতিও তাকে একটি মর্যাদার অবস্থানে নিয়ে আসে। তিনি হাতিয়ার সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা মহিউদ্দিনের ছেলে এবং মাওলানা রুহুল আমীন মুহাদ্দিস সাহেবের নাতি। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি সমাজসেবা ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন তিনি ছাত্রশিবিরের অফিস সম্পাদক এবং সোহরাওয়ার্দী হল শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী উত্তর শাখার বিজনেস সেক্টরের সেক্রেটারি পদে রয়েছেন।
সম্প্রতি জামায়াতে ইসলামী তাকে হাতিয়া পৌরসভার মেয়র প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছে, যা তার রাজনৈতিক অভিযাত্রায় এক নতুন অধ্যায়।
এই নির্বাচনে সভাপতি পদে বিজয়ী হন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মো. রফিকুল ইসলাম খান এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. নিজাম উদ্দীন। যদিও গুরুত্বপূর্ণ ২৭টি পদে প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন, তবুও এই নির্বাচন রুয়া-র ইতিহাসে এক যুগান্তকারী মাইলফলক।
দ্বীপের সন্তান সাব্বির আহমেদ তাফসিরের এই বিজয় শুধু একটি পদ নয়—একটি প্রত্যয়, যে দ্বীপ থেকেও নেতৃত্ব উঠে আসতে পারে জাতীয় পরিসরে।