পটিয়ায় বিতর্কিত পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ: রাজনৈতিক পক্ষপাত, মাদক সিন্ডিকেট ও দখল বাণিজ্যে সম্পৃক্ততার অভিযোগ
🗓 প্রকাশিত: ৩ জুলাই ২০২৫ | প্রতিবেদক: নিজস্ব প্রতিনিধি
চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলা জুড়ে আলোচনার কেন্দ্রে এখন দুই পুলিশ কর্মকর্তা—সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) আরিফুল ইসলাম এবং পটিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু জায়েদ মো. নাজমুন নূর (পরিচিত নাম: জায়েদ নুর)। স্থানীয় বিএনপি ও ছাত্রজনতার অভিযোগ, এই দুই কর্মকর্তা দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থেকে নানা অনিয়ম, দমন-পীড়ন, এমনকি মাদক সিন্ডিকেট ও দখল বাণিজ্যে যুক্ত রয়েছেন।
২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটিয়ার বেশ কিছু ভোটকেন্দ্রে ক্ষমতাসীন দলের পক্ষে প্রকাশ্যে ব্যালটে সিল মারার অভিযোগ উঠেছে এএসপি আরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, তখন ডিবির ওসি থাকা জায়েদ নুরও নির্বাচন ঘিরে বিরোধী দলীয় কর্মীদের হয়রানিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।
স্থানীয় ছাত্রজনতার দাবি, সাম্প্রতিক আন্দোলন এবং ক্ষমতার ভারসাম্য বদলের পর দুই কর্মকর্তা নিজেদের বিএনপি-ঘেঁষা পরিচয় দিতে শুরু করলেও বাস্তবে তাঁরা এখনো ক্ষমতাসীন দলের সাথে গোপন যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন। মাঠপর্যায়ে বিরোধী দলের কর্মীদের বিরুদ্ধে হয়রানি বন্ধ হয়নি বরং নতুন মাত্রায় চলছে।
স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, পটিয়া ও বোয়ালখালী সীমান্তজুড়ে একটি সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজি ও মাদক সিন্ডিকেট পরিচালিত হচ্ছে এএসপি ও ওসির ছত্রছায়ায়। প্রায় ২০টি স্থানে “ক্যাশিয়ার” বসিয়ে নিয়মিত মাসোহারা আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি জমি দখল, গরু চুরি এবং ইয়াবা-মদ পাচার এই সিন্ডিকেটের আয়ব্যবস্থার অংশ।
গত চার মাসে কোনো আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে শুধু বিএনপি ও সাধারণ নাগরিকদের গ্রেফতার করা হয়েছে—এমন অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় ছাত্রনেতারা। কয়েকটি নির্দিষ্ট ঘটনায় পুলিশ সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় থেকেছে, এমনকি প্রতিবাদ করায় ছাত্রদের হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ।
পটিয়ার সচেতন মহল এবং ছাত্র সমাজ বলছে—একদিকে রাজনৈতিক নিধন, অন্যদিকে অপরাধে মদদ—এই দুই চাপে এলাকার সাধারণ মানুষ এখন নিরাপত্তাহীন। প্রশাসন নিরপেক্ষ না হলে জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার করা অসম্ভব।
এই প্রতিবেদনটি ‘জনগণের অধিকার ও নিরাপত্তার’ প্রশ্নে একটি জরুরি আলোকপাত। পটিয়ার ঘটনা প্রমাণ করছে, পুলিশ ব্যবস্থার অভ্যন্তরে এখনো সংস্কার জরুরি ও অবশ্যম্ভাবী।
#PoliceReformNow #JusticeForPatiya #AccountabilityMatters #বাংলাদেশ_চায়_পুলিশ_সংস্কার
📝 প্রতিবেদন প্রস্তুতকারক: বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ
প্রয়োজনে রিপোর্টের সাথে ভিডিও রিপোর্ট বা ১ মিনিটের স্ক্রিপ্টও করে দিতে পারি। বললে এখনই বানিয়ে দিচ্ছি।