“দিনের ভোট দিনে হবে, চ্যালেঞ্জকে শক্তিতে রূপ দিতে হবে”—আবুল হোসেন আজাদ
হাফিজুর রহমান, যশোর প্রতিনিধি
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে কঠিন, তবে সম্ভাবনায় ভরপুর—এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও যশোরের কেশবপুর উপজেলার তৃণমূল রাজনীতির জনপ্রিয় মুখ আলহাজ্ব আবুল হোসেন আজাদ। তিনি বলেন, “আগামী নির্বাচন আর রাতের অন্ধকারে হবে না। এটাই হবে তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার বাস্তব সময়। আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব এখন দ্বিগুণ—এই নির্বাচনী চ্যালেঞ্জকে একটি ঐতিহাসিক বিজয়ে রূপান্তর করা।”

শুক্রবার বিকালে সাগরদাঁড়ি ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে চিংড়া বাজারে অনুষ্ঠিত এক বিশাল পথসভায় আজাদ বলেন,
“আমাদের বিরুদ্ধে যারা ষড়যন্ত্র করেছে, তাদের দাঁতভাঙা জবাব দিতে হবে। ষড়যন্ত্রকারীরা জানে, বিএনপি মাঠে থাকলে কেউ ভোট ডাকাতি করতে পারবে না।”
তিনি আরও বলেন,
“তারেক রহমান আমাদের বলেছেন—মানুষের কাছে যান, ভালোবাসা দিয়ে মন জয় করুন। আমি সেই আহ্বান নিয়েই মাঠে নেমেছি। জনগণই আমার শক্তি। তৃণমূল কর্মীরাই আমার পরিবার।”
সত্যিকারের গণতন্ত্রের পক্ষে থাকা এই নেতা আরও জানান, সারা দেশব্যাপী বিএনপি’র জনপ্রিয়তা দেখে সরকার উৎকণ্ঠিত। তাই নানা কৌশলে বিভ্রান্তি, কুৎসা ও দমন-পীড়নের আশ্রয় নিচ্ছে। তবে তিনি আশাবাদী, সময় এসেছে সব ষড়যন্ত্র ছিন্নভিন্ন করে জনগণের রায়ে বিজয় ছিনিয়ে আনার।
স্থানীয় নেতৃত্বের ঐক্যবদ্ধ বার্তা
পথসভায় সভাপতিত্ব করেন সাগরদাঁড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আকরাম খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক আব্দুর রাজ্জাক, সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর কবির বিশ্বাস, হুমায়ুন কবির সুমন, যুগ্ম-সম্পাদক আলমগীর সিদ্দিক, দপ্তর সম্পাদক ফারুখ খান, ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম এবং সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
এই অনুষ্ঠান শুধু রাজনৈতিক সভা ছিল না—এটা ছিল এক ধরনের প্রতিজ্ঞা, যে প্রতিজ্ঞায় আগামী দিনে জনগণের অধিকার রক্ষা ও ভোটাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠায় মাঠে থাকবে বিএনপি এবং তার সাহসী নেতা আবুল হোসেন আজাদ।
ভবিষ্যতের জন্য বার্তা
স্থানীয় পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের ঐক্য, তৃণমূলের পুনঃসংগঠন এবং জনগণের মন জয় করাই হবে আজাদ-এর নির্বাচনী ক্যাম্পেইনের তিনটি মূল স্তম্ভ। তার এ উদ্যোগে ইতোমধ্যে সাধারণ মানুষ ও যুবসমাজের মধ্যে আশাবাদ ও সাড়া তৈরি হয়েছে।
আলহাজ্ব আবুল হোসেন আজাদ নিজেকে শুধু রাজনীতিক নয়, বরং জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইছেন। তার এই মাটির কাছাকাছি রাজনীতি এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশকে ফিরিয়ে আনার অঙ্গীকার কেশবপুর রাজনীতিকে নতুন করে আলোচনায় এনেছে।