• সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বেনাপোল কাস্টম চেকপোস্টে ‘স্পট ট্যাক্স’ বন্ধ, লাগেজ হয়রানি ও উন্নয়ন প্রশ্নে বাড়ছে জনঅসন্তোষ: রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান: বড়আঁচড়া সড়কের অস্থায়ী সংস্কারে উদ্যোগ, এলাকাবাসীর মাঝে স্বস্তি বেনাপোলের গর্ব মারিয়া আফরিন তিষু: ছাত্ররাজনীতিতে নেতৃত্ব, গণমাধ্যমে আত্মবিশ্বাসী উপস্থাপনায় নতুন প্রজন্মের অনুপ্রেরণা পলাশবাড়ীতে প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীর পেট মুচড়ে ও বেঞ্চে শুইয়ে নির্যাতনের অভিযোগ শিক্ষক মিথুনের বিরুদ্ধে মেয়রপ্রার্থী মফিজুর রহমানের মানবিক দৃষ্টান্ত ১৫০০ পরিবারের মুখে ঈদের হাসি মেয়রপ্রার্থী মফিজুর রহমানের মানবিক দৃষ্টান্ত ১৫০০ পরিবারের মুখে ঈদের হাসি ঈদের খাবারে অনিয়মের অভিযোগ: রাজশাহী কারাগারে নিম্নমানের পোলাও চাল সরবরাহ, ঠিকাদার–কর্তৃপক্ষ যোগসাজশের সন্দেহ আইনের রক্ষক না ভঙ্গক,পুলিশের কনস্টেবল রাজীব কুমার হৃদয়ের বিরুদ্ধে ইয়াবা বিক্রির অভিযোগ,আরএমপি জুড়ে তোলপাড়, জনমনে উদ্বেগ,শাস্তির দাবি বাংলাদেশ পুলিশের দুই শীর্ষ কর্মকর্তার অবসরের সংবর্ধনা শার্শার যুবদল নেতা শহিদুল ইসলাম শহীদের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

ইন্দুরকানীতে ঝুপড়ি ঘরে গোপাল-উত্তমের মানবতার জীবনযাপন

Reporter Name / ১১০ Time View
Update : বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

 

ইন্দুরকানীতে ঝুপড়ি ঘরে গোপাল-উত্তমের মানবতার জীবনযাপন

ইন্দুরকানী (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে গোপাল ও উত্তম ঋষি দুই ভাইয়ের ঝুপড়ি কুঁড়ে ঘরে মানবেতর জীবনযাপন চলছে। উপজেলা সদরের ইন্দুরকানী বাজার সংলগ্ন চেয়ারম্যান বাড়ীর রাস্তায় মৃত জয় চন্দ্র ঋষির ছেলে গোপাল ও উত্তম ঋষির মাথা গোজার ঠাঁই নেই। অর্থের অভাবে একটি ঘর তৈরি করতে পারছে না তারা।

ইন্দুরকানী বাজারে জুতা মেরামত (মুচি) কাজ করে কোন রকম সংসার চলে তাদের। কাজ না হলে মাঝে মধ্যে তাদের না খেয়ে থাকতে হয়। খোঁজ খবর রাখার মত তেমন কোন আত্মীয় স্বজনও নেই তাদের। কোন দুর্যোগের খবর শুনলে তাদের আতঙ্কে থাকতে হয়। বর্ষার মৌসুম ছাড়াও অতিরিক্ত জোয়ারে পানিতে ঝুপড়ি ঘরটি প্রায়ই তলিয়ে যায়। বিগত সিডর, আইলা ও রিমাল ঘূর্ণিঝড়ে নিরাপদ আশ্রায়স্থল সাইক্লোন শেল্টার ও স্কুল ঘরে থাকতে হয়েছে তাদের।
২০২৪ সালে রিমেল ঘূর্ণিঝড়ে তাদের কুঁড়ে ঘরের উপরে একটি বড়গাছ পড়লে ঝুপড়ি ঘরটি পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়ে যায়। ঘরটি ওঠানোর সামর্থ্য না থাকায় এলাকার কিছু মানুষের সহযোগিতায় টিনের চাপড়া বেড়া দিয়ে কোনরকম বসবাস করছেন। তাদের সন্তানদের লেখাপড়া ও ভালো কোন পোশাক কিনে দিতে পারছেন না এই দুই ভাই। এই ঝুপড়ি ঘরেই মানবেতর জীবনযাপনের মধ্য দিয়ে তাদের পিতামাতা মৃত্যু বরণ করেন।
অসহায় উত্তম বলেন, আমরা অসহায় এক সনাতন (হিন্দু) সম্প্রদায়ের লোক। আমরা অভাব অনটনের কারণে একটি ঘর নির্মাণ করতে পারিনি। যতটুকু আয় করি সেই থেকে কোনরকম নিজেদের পেট চলে। কোন দিন পেটও চলে না।আপনাদের সাংবাদিকদের মাধ্যমে অনুরোধ জানাচ্ছি যাতে পরিবার নিয়ে একটু সুন্দরভাবে ভালো পরিবেশে বসবাস করতে পারি তাহার দিকে সরকারি ও সমাজসেবামূলক প্রতিষ্ঠান লক্ষ্য করেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য বাসার মৃধা জানান, গোপাল ও উত্তম ঘর পাওয়ার অবশ্যই দাবিদার। তারা একটি ঘরের জন্য অনেক চেষ্টা করেছে আমিও চেষ্টা করেছিলাম তবে নানা সমস্যার কারণে ঘরটি দিতে পারিনি। আমি তাদের পাশে আছি ।
৪নং ইন্দুরকানী সদর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মাসুদ করিম তালুকদার ইমনের কাছে এবিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, বর্তমানে কোন ঘরের জন্য সরকারি বরাদ্দ নেই। তবে পরবর্তীতে ঘরের বরাদ্দ আসলে সেই তালিকায় তাদের নাম অন্তর্ভূক্ত করে ঘর দেওয়ার চেষ্টা করবো। এই অসহায় পরিবারটির পাশে থেকে বিগত দিনে তাদেরকে যতটুকু পেরেছি ততটুকু সহযোগিতা


More News Of This Category
bdit.com.bd