মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান: রাষ্ট্র সংস্কার ও মেধাতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় এক দূরদর্শী নেতৃত্বের পদযাত্রা
বিশেষ প্রতিবেদন
প্রতিবেদক: অথই নূরুল আমিন, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও রাষ্ট্রচিন্তক
নতুন বাংলাদেশের রূপকার
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান। দীর্ঘ সংগ্রামের পথ পেরিয়ে তিনি আজ কোটি মানুষের আশার প্রতীক। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ এমন এক যুগে পদার্পণ করেছে যেখানে গতানুগতিক রাজনীতির বাইরে গিয়ে ‘রাষ্ট্র সংস্কার’ এবং ‘জনকল্যাণ’ মূলমন্ত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে।
উপদেষ্টা নিয়োগ ও মেধাভিত্তিক সমাজ গঠন
আপনার লেখায় উপদেষ্টা নিয়োগের যে বৈপ্লবিক পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছে—অর্থাৎ ইন্টারভিউ বা উন্মুক্ত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে যোগ্য লোক খোঁজা—সেই চিন্তার সাথে জনাব তারেক রহমানের ‘মেরিটোক্রেসি’ বা মেধাতন্ত্রের দর্শনের এক গভীর মিল রয়েছে। তিনি বিশ্বাস করেন:
চেনামুখের বাইরে মেধার সন্ধান: রাষ্ট্র পরিচালনায় কেবল পরিচিত মুখ নয়, বরং দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে থাকা দক্ষ ও সৎ মেধাবীদের সম্পৃক্ত করা।
জবাবদিহিমূলক প্রশাসন: উপদেষ্টারা যেন কেবল ‘জি হুজুর’ না হয়ে বরং সংকটে সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে পারেন, সেই পরিবেশ তৈরি করা।
অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা ও ভিশনারি নেতৃত্ব
বিগত চুয়ান্ন বছরের প্রশাসনিক ব্যর্থতা এবং পূর্ববর্তী সরকারগুলোর উপদেষ্টাদের অযোগ্যতার যে চিত্র আপনি তুলে ধরেছেন, তা থেকে উত্তরণের জন্যই জনাব তারেক রহমান কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি চান না কোনো সংকটে উপদেষ্টারা দেশ ছেড়ে পালাক। বরং তিনি এমন একটি কাঠামো তৈরি করছেন যেখানে:
সংকট মোকাবিলায় সক্ষমতা: মাহাথির মোহাম্মদ বা নেলসন ম্যান্ডেলার মতো দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার মাধ্যমে দেশকে অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে স্বাবলম্বী করা।
দুর্নীতি ও সিন্ডিকেট নির্মূল: সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে এবং বাজার সিন্ডিকেট ভাঙতে তাঁর জিরো টলারেন্স নীতি আজ দৃশ্যমান।
জনগণের আস্থা ও আগামীর স্বপ্ন
প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের লক্ষ্য অত্যন্ত পরিষ্কার—একটি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ। যেখানে সাধারণ নাগরিক অর্থের অভাবে বিচার পাবে না বা নিরাপত্তার অভাবে ভুগবে না, এমন পরিবেশ তিনি নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। আপনার মতো সচেতন লেখকদের গঠনমূলক সমালোচনাকে তিনি সবসময় গুরুত্ব দেন, কারণ তিনি বিশ্বাস করেন প্রকৃত গণতন্ত্রে জনগণের কণ্ঠস্বরই শেষ কথা।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের হাত ধরে বাংলাদেশ আজ বিশ্বদরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছে। তাঁর সাহসী নেতৃত্ব এবং সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা দেশবাসীকে আশান্বিত করে। ১৮ কোটি মানুষের দোয়া ও ভালোবাসায় তিনি এক সমৃদ্ধ, উন্নত ও নিরাপদ বাংলাদেশ উপহার দেবেন—এটাই আজকের প্রত্যাশা।