• শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
গাজীপুরে মেট্রিক্স গার্মেন্টসে আগুন, ৬৭ জনকে জীবিত উদ্ধার আটতলা ভবনের তৃতীয় তলায় অগ্নিকাণ্ড, আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৯টি ইউনিট সংসারের সমীকরণে বড় প্রশ্ন! ৫০ লাখ টাকা দেনমোহর ও দুই সন্তানের ভরণপোষণ দাবি, ঢাবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্ত্রীর মামলা সৌদি আরবে পাঠানোর নামে ১৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ, সর্বস্বান্ত প্রবাসী মিলন মাহফিলে বক্তার পেছনে লাখ টাকা ব্যয়, অথচ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ানো ইমামদের বেতন নিয়ে অবহেলার অভিযোগ; স্থায়ী বেতন কাঠামো প্রণয়নের দাবি নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে রাঙ্গুনিয়ায় যুবদলের বিক্ষোভ টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, গুলিবিদ্ধ সেনাসদস্য তিতাস শেখের মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের বড় ধাক্কা, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে যশোরের বেনাপোলে মোটরসাইকেল মিছিল করেছেন স্থলবন্দর হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন ৯২৫ ও ৮৯১-এর নেতাকর্মীরা। ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক চেতনায় বেনাপোলকে আধুনিক সীমান্ত নগরী গড়ার প্রত্যয়, জনআস্থার রাজনীতিতে আবু তাহের ভারত এমপি মাজেদ বাবুর বিরুদ্ধে হত্যার ষড়যন্ত্র ও হলফনামায় জালিয়াতির অভিযোগ হাসিনার সেই ‘৪০০ কোটির পিয়ন’ জাহাঙ্গীর: অনুসন্ধান থেকে ১০০ কোটি টাকা পাচারের মামলা, দুই বছরে কতদূর তদন্ত?

মনিরামপুর কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য সোহাগ হাসান লিপু আনসার সদস্য হিসেবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত—বিএনপি দুই গ্রুপে বিভ্রান্তি, প্রশাসনে অভিযোগ ও গ্রেফতার এর দাবি আনসার সদস্য হিসেবে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার অভিযোগ নির্বাচন, রাষ্ট্রীয় বাহিনীর নিরপেক্ষতা ও আইন লঙ্ঘন নিয়ে তীব্র প্রশ্ন

শরিফুল ইসলাম / ১৮২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

 

 

মনিরামপুর কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য লিপুর বিরুদ্ধে আনসার সদস্য হিসেবে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার অভিযোগ
নির্বাচন, রাষ্ট্রীয় বাহিনীর নিরপেক্ষতা ও আইন লঙ্ঘন নিয়ে তীব্র প্রশ্ন

মনিরামপুর প্রতিনিধি: শরিফুল ইসলাম

যশোরের মনিরামপুর উপজেলায় এক আনসার সদস্যের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি মনিরামপুর কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য সোহাগ হাসান লিপু বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি অতীতে প্রকাশ্যে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং বর্তমানে মনিরামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শহীদ ইকবাল হোসেনের পক্ষে কলস প্রতীকের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন।


অভিযোগে আরও বলা হয়, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এক সময় অস্ত্রসহ প্রকাশ্যে রাজনৈতিক কার্যক্রমে অংশ নিয়েছেন বলেও স্থানীয়ভাবে আলোচনা রয়েছে, যা রাষ্ট্রীয় বাহিনীর সদস্য হিসেবে তার দায়িত্ব ও শপথের সঙ্গে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক।
বিএনপি থেকে বহিষ্কার, তবু ভোটের মাঠে তৎপরতা
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শহীদ ইকবাল হোসেন বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়। এর পরপরই ছাত্রলীগ নেতা হিসেবে পরিচিত সোহাগ হাসান লিপু ঢাকা থেকে মনিরামপুরে এসে শহীদ ইকবালের পক্ষে সরাসরি ভোটের মাঠে সক্রিয় হন।
অভিযোগ রয়েছে, তিনি ছাত্রলীগ ও আওয়ামী পরিবারের ভোট সংগঠিত করে দেওয়ার আশ্বাস দিচ্ছেন। এতে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক বিতর্ক ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
ভোট বর্জনের ডাকের মধ্যেই বিপরীত তৎপরতা
উল্লেখ্য, জাতীয়ভাবে আওয়ামী লীগ নির্বাচনে ভোট বর্জনের ডাক দিলেও, মনিরামপুরে একজন ছাত্রলীগের সাবেক নেতার এই ধরনের কর্মকাণ্ড দলীয় অবস্থানের সঙ্গেও সাংঘর্ষিক বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।


স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত আনসার সদস্য অতীতে ছাত্রলীগের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন এবং ছাত্রলীগ কোটার মাধ্যমে আনসার বাহিনীতে চাকরি পেয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এমন অবস্থায় তিনি যদি নির্বাচনী ডিউটিতে নিয়োজিত থাকেন বা নির্বাচনী প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত থাকেন, তবে নির্বাচন কতটা অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে—তা নিয়ে গুরুতর শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়দের প্রশ্ন ও উদ্বেগ
এলাকাবাসীর প্রশ্ন—
একজন চিহ্নিত রাজনৈতিক পরিচয়ের ব্যক্তি কীভাবে আনসার বাহিনীর সদস্য হিসেবে বহাল থেকে প্রকাশ্যে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতে পারেন?
একজন বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে কাজ করে তিনি কি একজন প্রার্থীর সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা এবং রাষ্ট্রীয় বাহিনীর শৃঙ্খলা ভঙ্গ করছেন না?
নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা বাহিনীর সদস্য যদি রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত হন, তবে সাধারণ ভোটারদের নিরাপত্তা ও ভোটের গ্রহণযোগ্যতা কোথায় দাঁড়ায়?
আইন ও বিধি কী বলছে
প্রসঙ্গত, আনসার ও ভিডিপি বাহিনীর বিধিমালা অনুযায়ী বাহিনীর কোনো সদস্য প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে রাজনৈতিক কার্যক্রমে অংশ নিতে পারেন না। কোনো রাজনৈতিক দল, সংগঠন বা প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা চালানো গুরুতর শৃঙ্খলাভঙ্গ হিসেবে গণ্য হয়।


আনসার বাহিনীর নীতিমালায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে—
রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট সদস্যের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত হবে।
অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত,
চাকরিচ্যুতি (ডিসমিসাল),
এমনকি প্রচলিত আইন অনুযায়ী ফৌজদারি মামলার মাধ্যমে শাস্তির আওতায় আনার বিধান রয়েছে।
নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের সুপারিশে অতিরিক্ত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
আনসার বাহিনী একটি শৃঙ্খলাবদ্ধ ও নিরপেক্ষ রাষ্ট্রীয় বাহিনী। বাহিনীর নিরপেক্ষতা, পেশাদারিত্ব ও ভাবমূর্তি রক্ষায় রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করার কথা নীতিমালায় স্পষ্টভাবে বলা আছে।
তদন্ত ও শাস্তির দাবি
এই ঘটনায় মনিরামপুরজুড়ে ব্যাপক আলোচনা ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সচেতন মহল মনে করছেন, অভিযোগের বিষয়টি দ্রুত ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত না হলে রাষ্ট্রীয় বাহিনীর বিশ্বাসযোগ্যতা এবং নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
স্থানীয়রা দাবি করেছেন— অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট আনসার সদস্যের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে কেউ বাহিনীর পরিচয় ব্যবহার করে রাজনৈতিক স্বার্থে মাঠে নামার সাহস না পায়।
এখন দেখার বিষয়, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কত দ্রুত তদন্ত শুরু করে এবং রাষ্ট্রীয় বাহিনীর নিরপেক্ষতা রক্ষায় কী ধরনের কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

 

মনিরামপুরের বিএনপি দুই গ্রুপের মাঝে গন্ডগোল বাধানোর মূল কারিগর এই ছাত্রলীগের লিপু। বিভিন্ন বক্তব্য কোড করে কেটে বিভিন্ন যায়গায় ছেড়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে ছাত্রলীগের লিপু।সে নাকি আনসার ছাত্রলীগের এই লিপু যদি ভোট কেন্দ্রে দায়িত্বে থাকে তাইলে বোঝেন সে কেদ্রের কি অবস্থা হবে। আনসার হয়ে সরকারের বেতনভুক্ত হয়ে কি সে এভাবে ফেসবুক ভুয়া নিউজ চালাতে পারে আইন কি বলে? মনিরামপুরের আবাল বিএনপি এই ছাত্রলীগ লিপুকে নিয়ে নাচানাচি করে৷ একগ্রুপের কথা অন্য গ্রুপে বলাই তার প্রধান কাজ। এই লিপুর বাড়ি কেসবপুর মনিরামপুর তার কি কেউ উত্তর দিতে পারবেন? পারবে না। সবাই লিপু থেকে সাবধান। অলরেডি আমাদের টিম নির্বাচন অফিস ও ইউএনও অফিসে তাকে নিয়ে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। তার কাজের যায়গায় অফিসারের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হচ্ছে। লিপু থেকে সবাই সাবধান থাকেন। মনিরামপুরে সমস্ত তথ্য নামধারী সাংবাদিকের আড়ালে সে আওয়ামীলীগের বিভিন্ন মানুষের কাছে পৌছে দেয়। সব দিক থেকে ভালোই ইনকাম। বিএনপি নেতাকর্মীদের বলছি এখনই সাবধান হন না হলে এমন ক্ষতি করে দেবে যা পুষাতে পারেন না।

মনিরামপুরে ছাত্রলীগ নেতাদের কর্মকাণ্ড প্রশ্নবিদ্ধ করেছে বিএনপি
অনুমোদনহীন ‘মনিরামপুর টিভি’ ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা নিয়ে অভিযোগ
যশোরের মনিরামপুর উপজেলায় বিএনপির দুটি গ্রুপের মধ্যে চলমান বিভ্রান্তি ও উত্তেজনার পেছনে ছাত্রলীগ নেতাদের ভূমিকা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য—এমন অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের পক্ষ থেকে। অভিযোগকারীরা জানান, ছাত্রলীগ নেতারা পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন বক্তব্য, অডিও ও ভিডিও কেটে-ছেঁটে বিকৃত আকারে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। এক গ্রুপের বক্তব্য অন্য গ্রুপের কাছে ভিন্নভাবে পৌঁছে দেওয়াই তাদের প্রধান কৌশল। এর ফলে বিএনপির অভ্যন্তরে ভুল বোঝাবুঝি, উত্তেজনা ও সংঘাতের পরিবেশ তৈরি হচ্ছে।
আনসার সদস্য ছাত্রলীগের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার অভিযোগ
স্থানীয়দের অভিযোগ, এই ছাত্রলীগ নেতা বর্তমানে আনসার বাহিনীর সদস্য হিসেবে সরকারি বেতনভুক্ত অবস্থায় রয়েছেন। এর মধ্যে তিনি নির্বাচনী প্রক্রিয়া ও ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করলে, ভোটের পরিবেশ ও বাহিনীর নিরপেক্ষতা মারাত্মকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।
অভিযোগকারীরা প্রশ্ন করেছেন—সরকারি বেতনভুক্ত আনসার সদস্য হয়ে কীভাবে ছাত্রলীগ নেতারা রাজনৈতিক বিভ্রান্তি ছড়াতে, ভুয়া বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্য প্রচার করতে এবং রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারে যুক্ত থাকতে পারেন? আইন ও বাহিনীর বিধি কি এ ধরনের কর্মকাণ্ড সমর্থন করে?
অনুমোদনহীন ‘মনিরামপুর টিভি’ এবং ছাত্রলীগের প্রোপাগান্ডা
মনিরামপুরে সম্প্রতি ‘মনিরামপুর টিভি’ নামে একটি তথাকথিত অনলাইন টিভি বা মিডিয়া চালু হয়েছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, এই নামে কোনো টিভি চ্যানেলের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল বা অন্য কোনো সরকারি দপ্তরের অনুমোদন বা নিবন্ধন নেই। এছাড়া, ওয়েবসাইট বা অনলাইন প্ল্যাটফর্মের বৈধ ডোমেইন নিবন্ধন বা সরকার অনুমোদিত ডিজিটাল মিডিয়া তালিকাভুক্তি নেই।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ছাত্রলীগের এই নেতারা অনুমোদনহীন টিভি চ্যানেলের আড়ালে রাজনৈতিক প্রোপাগান্ডা, বিভ্রান্তিকর তথ্য ও ভুয়া নিউজ ছড়াচ্ছেন। নির্বাচনী সময়ে এ ধরনের কর্মকাণ্ড নির্বাচনী আচরণবিধি ও প্রচলিত আইনের লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হতে পারে।
সরকারি কর্মকর্তাদের সম্পৃক্ততার প্রশ্ন
অভিযোগ আরও গুরুতর হচ্ছে—ছাত্রলীগ নেতাদের এই অপপ্রচারের সঙ্গে সরকারি বেতনভুক্ত কর্মকর্তা বা আনসার সদস্যদের সম্পৃক্ততার সম্ভাবনা রয়েছে। যদি সরকারি পদ ও পরিচয় ব্যবহার করে ছাত্রলীগের নেতারা ভুয়া মিডিয়ার মাধ্যমে অপপ্রচার চালান, তবে তা সরকারি চাকরি বিধিমালা, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও বাহিনীর শৃঙ্খলাবিধি লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হবে।
আইন ও বিধান
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী—
ভুয়া পরিচয়ে সংবাদ বা তথ্য প্রচার বিভ্রান্তি ও প্রতারণার অপরাধ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইচ্ছাকৃতভাবে বিকৃত তথ্য ছড়ানো শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আচরণ) বিধিমালা অনুযায়ী—
সরকারি বেতনভুক্ত ব্যক্তি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বা প্রোপাগান্ডায় জড়িত হতে পারবেন না।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচার চালানো অসদাচরণ ও শৃঙ্খলাভঙ্গ।
আনসার ও ভিডিপি বাহিনীর বিধিমালা অনুযায়ী—
বাহিনীর কোনো সদস্য রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকতে পারবেন না।
অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিভাগীয় তদন্ত, সাময়িক বরখাস্ত, চাকরিচ্যুতি ও প্রয়োজনে ফৌজদারি আইনে মামলা হতে পারে।
তদন্ত ও আইনানুগ ব্যবস্থা
স্থানীয়রা দাবি করেছেন—‘মনিরামপুর টিভি’ নামে পরিচালিত এই মিডিয়ার নিবন্ধন, ডোমেইন, অর্থের উৎস, পরিচালনাকারীর পরিচয় ও উদ্দেশ্য দ্রুত তদন্ত করা হোক। ছাত্রলীগ নেতাদের মাধ্যমে ভুয়া মিডিয়া পরিচালনা, বিভ্রান্তি সৃষ্টি ও প্রোপাগান্ডায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
সচেতন মহলের মতে, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে ছাত্রলীগের এই ধরনের অনুমোদনহীন প্রচারণা মনিরামপুরে রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতা আরও বড় ধরনের আকার ধারণ করতে পারে।


More News Of This Category
bdit.com.bd