“আজই আমি আমার স্ত্রীকে দেখেছি” — ট্রাম্প বললেন মায়ের আমেরিকা যাত্রার গল্প
আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ৩০ জুলাই ২০২৫ | দৈনিক বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ | জনতার কণ্ঠস্বর
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর মায়ের অভিবাসন ও পারিবারিক জীবনের এক অন্তরঙ্গ স্মৃতি তুলে ধরলেন সম্প্রতি এক বক্তব্যে। তিনি বলেন, তাঁর মা মেরি অ্যান ম্যাকলাউড ট্রাম্প মাত্র ১৮ বছর বয়সে স্কটল্যান্ডের প্রত্যন্ত দ্বীপ Isle of Lewis থেকে পাড়ি জমান যুক্তরাষ্ট্রে।
> “Isle of Lewis – আমি দেখেছি জায়গাটা কতোটা দূরে ও প্রত্যন্ত। মা যখন নিউ ইয়র্কে আসেন, তখন খুব তরুণী ছিলেন। তিনি তখনও দুনিয়াটাকে তেমন করে দেখেননি,”—বলেন ট্রাম্প।
নিউ ইয়র্কে এসেই তাঁর মায়ের সঙ্গে দেখা হয় ফ্রেড ট্রাম্পের, যিনি ছিলেন তরুণ ও সফল এক রিয়েল এস্টেট ডেভেলপার।
> “তিনি (ফ্রেড) সেদিন রাতে বাড়ি ফিরে নানীকে বলেন, ‘আমি আজই আমার স্ত্রীকে দেখেছি।’ তিনি তখন প্রায় ৩২ বছরের। একটু বয়সে বড় হলেও বুঝেছিলেন—এটাই সেই মানুষ যাঁকে তিনি সারাজীবনের জন্য খুঁজছিলেন,”—ট্রাম্প জানান।
ফ্রেড ও মেরির সেই পরিচয় থেকেই শুরু হয় এক দীর্ঘ দাম্পত্য জীবন। ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, তাঁর মা ছিলেন এক অনন্য সুন্দরী ও দৃঢ়চেতা নারী।
এসময় তিনি স্কটিশ জনগণের সাহসিকতারও প্রশংসা করেন—
> “স্কটিশরা সত্যিই দুর্দান্ত, সাহসী যোদ্ধা। ইংল্যান্ডের পক্ষে স্কটল্যান্ড দমন করা সহজ ছিল না বলেই তো Braveheart এমন একটি আইকনিক চলচ্চিত্র হয়ে উঠেছে।”
ট্রাম্পের এই বক্তব্যে ফুটে ওঠে একান্ত পারিবারিক আবেগ, অভিবাসনের যাত্রাপথ, এবং স্কটিশ ঐতিহ্যের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা।