নাজমুল হাসান স্টাফ রিপোর্ট
সাংবাদিকতা কেবল একটি পেশা নয়,এটি সত্য অনুসন্ধানের দায়িত্ব, মানুষের কথা বলার সাহস এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর এক অনন্য অঙ্গীকার। সেই দায়িত্ববোধ, সাহস ও দেশপ্রেমকে ধারণ করে দীর্ঘদিন ধরে গণমাধ্যম অঙ্গনে কাজ করে আসা মানসুরা আক্তার আজও সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে একজন সাহসী, স্পষ্টভাষী ও মানবিক মানুষ হিসেবে পরিচিত।
একসময় এশিয়ান টেলিভিশনের রিপোর্টার হিসেবে মাঠপর্যায়ে কাজ করা মানসুরা আক্তারের সাংবাদিকতা জীবনের পথচলায় ছিল মানুষের কাছে পৌঁছানো, মানুষের কথা তুলে ধরা এবং সমাজের নানা অসংগতি নিয়ে প্রশ্ন তোলা। সময়ের পরিক্রমায় তিনি স্টার টেলিভিশনের সিইও হিসেবে দায়িত্বশীল অবস্থানে এসেছেন—যা তাঁর পেশাগত সক্ষমতা, নেতৃত্বের গুণাবলি ও গণমাধ্যমের প্রতি দীর্ঘদিনের অঙ্গীকারের প্রতিফলন হিসেবে দেখা যেতে পারে।
সাংবাদিকতা থেকে নেতৃত্ব,এক সাহসী পথচলা
গণমাধ্যমে কাজ করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় শক্তি হলো সত্যের প্রতি দায়বদ্ধতা। একজন সাংবাদিক যখন সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখ, অধিকার, বঞ্চনা ও প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন, তখন তিনি কেবল একটি সংবাদ প্রকাশ করেন না; তিনি সমাজের বিবেককে নাড়া দেন।
মানসুরা আক্তারের কর্মজীবনের পথচলাকে ঘিরে শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রত্যাশাও এমন,সত্য, ন্যায় ও মানুষের অধিকারের পক্ষে তাঁর কণ্ঠ আরও শক্তিশালী হোক। সাংবাদিকতার মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা তাঁর নেতৃত্বের দায়িত্বে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবে,এমন প্রত্যাশা রয়েছে গণমাধ্যমসংশ্লিষ্টদের মধ্যে।
দেশের মানুষের ভালোবাসাই সবচেয়ে বড় শক্তি
একজন গণমাধ্যমকর্মীর প্রকৃত অর্জন শুধু পদ-পদবি কিংবা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব নয়। মানুষের আস্থা ও ভালোবাসাই একজন সাংবাদিকের সবচেয়ে বড় পরিচয়।
মানসুরা আক্তারের প্রতি সহকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও পরিচিতজনদের ভালোবাসার জায়গাটিও তৈরি হয়েছে তাঁর দীর্ঘদিনের পেশাগত পথচলা ও মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ততার মধ্য দিয়ে। দেশের সাধারণ মানুষের কথা বলার সুযোগকে তিনি যেন আরও বিস্তৃত পরিসরে কাজে লাগাতে পারেন,এটাই তাঁর শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রত্যাশা।
দেশের প্রতি ভালোবাসা শুধু আবেগের বিষয় নয়; মানুষের পাশে দাঁড়ানো, সত্যকে সামনে আনা, অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তোলা এবং একটি দায়িত্বশীল গণমাধ্যম গড়ে তোলার মধ্য দিয়েও দেশপ্রেমের প্রকাশ ঘটে।
অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী কণ্ঠ
সমাজে অন্যায়, অনিয়ম কিংবা বৈষম্য দেখা দিলে সাংবাদিকের দায়িত্ব হলো প্রশ্ন করা। তবে সেই প্রশ্ন হতে হয় তথ্যনির্ভর, দায়িত্বশীল ও জনস্বার্থকেন্দ্রিক।
মানসুরা আক্তারের প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়ে তাঁর ঘনিষ্ঠজনদের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে,অন্যায়ের বিরুদ্ধে তাঁর প্রতিবাদী কণ্ঠ আরও শক্তিশালী হোক, সত্য ও ন্যায়ের পথে তাঁর সাহসী লড়াই নতুন প্রজন্মের গণমাধ্যমকর্মীদের অনুপ্রেরণা হয়ে উঠুক।
একজন নারী গণমাধ্যমকর্মী হিসেবে তাঁর পথচলা আরও অনেক তরুণীকে সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমে নিজেদের অবস্থান তৈরি করতে উৎসাহিত করবে,এমন প্রত্যাশাও রয়েছে।
নারী নেতৃত্বের জন্য অনুপ্রেরণা
বাংলাদেশের গণমাধ্যমে নারীদের অংশগ্রহণ ক্রমেই বাড়ছে। কিন্তু মাঠপর্যায়ের সাংবাদিকতা থেকে শুরু করে নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছানো এখনো সহজ পথ নয়।
এই বাস্তবতায় একজন নারী সাংবাদিকের রিপোর্টার থেকে নেতৃত্বের পর্যায়ে উঠে আসা নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ পেশাগত যাত্রা। মানসুরা আক্তারের পথচলা তাই শুধু ব্যক্তিগত সাফল্যের গল্প নয়; এটি গণমাধ্যমে নারীর নেতৃত্বের সম্ভাবনারও একটি উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
তাঁর সামনে এখন আরও বড় দায়িত্ব,গণমাধ্যমকে আরও পেশাদার, দায়িত্বশীল, মানবিক ও জনবান্ধব করে তোলার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখা।
সত্যের পক্ষে থাকুক কলম
সাংবাদিকতার মূল শক্তি ক্যামেরা, মাইক্রোফোন কিংবা প্রযুক্তি নয়—মূল শক্তি হলো সত্যের প্রতি দায়বদ্ধতা। একজন সাংবাদিক যখন নিজের বিবেকের কাছে সৎ থাকেন, তখন তাঁর প্রতিবেদন মানুষের কাছে বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করে।
মানসুরা আক্তারের প্রতি শুভকামনা—তাঁর কলম ও কণ্ঠ যেন সবসময় সত্য, ন্যায় এবং মানুষের অধিকারের পক্ষে থাকে। পেশাগত জীবনে তিনি যেন আরও সফল হন এবং দেশের গণমাধ্যমে ইতিবাচক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখেন।
একজন প্রিয় সাহসী বোনের প্রতি ভালোবাসা
মানসুরা আক্তারকে উদ্দেশ করে শুভেচ্ছাবার্তায় বলা হয়েছে
“প্রিয় সাহসী বোন মানসুরা, অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপনার প্রতিবাদী কণ্ঠ আরও শক্তিশালী হোক। সত্য ও ন্যায়ের পথে আপনার সাহসী লড়াই মানুষের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকুক। দেশের মানুষের ভালোবাসা ও আস্থা আপনার পথচলার সবচেয়ে বড় শক্তি হয়ে উঠুক।”
এই শুভকামনার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আরও একটি প্রত্যাশা,দেশ ও মানুষের কল্যাণে তাঁর অভিজ্ঞতা, নেতৃত্ব ও পেশাগত দক্ষতা আরও ব্যাপকভাবে কাজে লাগুক।
সামনে আরও বড় দায়িত্ব
গণমাধ্যমের পরিবর্তিত সময়ে দায়িত্বশীল নেতৃত্বের প্রয়োজন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের দ্রুত বিস্তার, গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের প্রসার এবং মানুষের কাছে দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পৌঁছে দেওয়ার চ্যালেঞ্জ—সবকিছু মিলিয়ে গণমাধ্যম নেতৃত্ব এখন একটি বড় দায়িত্ব।
এই বাস্তবতায় মানসুরা আক্তারের মতো অভিজ্ঞ গণমাধ্যমকর্মীর সামনে রয়েছে নতুন সম্ভাবনা ও নতুন দায়িত্ব। তাঁর নেতৃত্বে সাংবাদিকতার পেশাগত মান, তথ্যের নির্ভুলতা, মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং জনস্বার্থকে আরও গুরুত্ব দেওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে শুভাকাঙ্ক্ষীদের।
শেষকথা
মানুষের কথা বলা, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তোলা এবং সত্যকে সামনে আনার সাহসই একজন গণমাধ্যমকর্মীর সবচেয়ে বড় পরিচয়। এ পথ কখনো সহজ নয়। তবুও যারা মানুষের জন্য, দেশের জন্য এবং সত্যের জন্য কাজ করেন, তাঁদের পথচলা সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি করে।
এশিয়ান টেলিভিশনের রিপোর্টার থেকে স্টার টেলিভিশনের সিইও,মানসুরা আক্তারের এই পেশাগত পথচলা আরও সাফল্য, সম্মান ও মানুষের ভালোবাসায় সমৃদ্ধ হোক।
অন্যায়ের বিরুদ্ধে তাঁর প্রতিবাদী কণ্ঠ আরও শক্তিশালী হোক, দেশ ও মানুষের প্রতি ভালোবাসা আরও গভীর হোক, আর তাঁর নেতৃত্বে গণমাধ্যম আরও দায়িত্বশীল ও জনবান্ধব হয়ে উঠুক,এই প্রত্যাশাই রইল।
মানসুরা আক্তারের জন্য রইল আন্তরিক শুভেচ্ছা, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।
#মানসুরা_আক্তার
#StarTelevision