শার্শায় তারুণ্যের জয়গান: বাহাদুরপুরে তৃণমূলের আস্থা ও ভালোবাসার শীর্ষে মিয়াদ আলী
বিশেষ নির্বাচনী সংবাদ ও প্রতিবেদন | দৈনিক বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ
শার্শা (যশোর) প্রতিনিধি:
যশোরের সীমান্তঘেঁষা ঐতিহাসিক শার্শা উপজেলার ৩ নম্বর বাহাদুরপুর ইউনিয়নের আসন্ন স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) নির্বাচনকে ঘিরে তৈরি হয়েছে অভূতপূর্ব জনজোয়ার ও তীব্র নির্বাচনী আমেজ। বিগত দিনের সুবিধাভোগী, আঁতাতের রাজনীতি করা ও সুবিধাবাদী রাজনীতিকদের চক্রান্ত ভেঙে বাহাদুরপুর ইউনিয়নের রাজনীতিতে এখন বইছে পরিবর্তনের নতুন হাওয়া। আর এই পরিবর্তনের ধারক-বাহক হিসেবে তৃণমূলের সাধারণ মানুষ ও তরুণ প্রজন্মের প্রিয় মুখ, শার্শা উপজেলা বিএনপির অর্থ বিষয়ক সম্পাদক জনাব মিয়াদ আলী আজ সর্বস্তরের মানুষের আস্থার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন।
নির্বাচনী ময়দানে তরুণ ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির এই নেতার সুদৃঢ় নেতৃত্বের সামনে পুরনো সুযোগসন্ধানী চক্র হিমশিম খাচ্ছে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণের সুখে-দুঃখে ছায়ার মতো পাশে থাকার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে মেয়াদ আলী নিজেকে কেবল একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে নয়, বরং জনমানুষের প্রকৃত অভিভাবক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছেন।
শারদীয় দুর্গাপূজার সময়ের কিছু তথ্য আমরা তুলে ধরছি :
১. সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল প্রতীক: “এখানে কোনো সংখ্যালঘু নেই, সবাই এদেশের গর্বিত নাগরিক”
সম্প্রতি শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে বাহাদুরপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর পূজামণ্ডপ, শাখারীপোতা পূজামণ্ডপ এবং নটা দিঘা-মান্দারতলা পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের হৃদয় জয় করেছেন মিয়াদ আলী।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে মা দুর্গার আগমনের শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি স্পষ্ট ও দৃঢ় কণ্ঠে ঘোষণা দেন:
“আমাদের এই স্বাধীন বাংলাদেশে ‘সংখ্যালঘু’ বলতে কিছু নেই। এদেশের মাটিতে বসবাসকারী প্রত্যেকেই সমান অধিকারের নাগরিক। স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্ম ও উৎসব উদ্যাপন করাই আমাদের হাজার বছরের সম্প্রীতির সংস্কৃতি। কেউ যদি এই ভাই-ভাই বন্ধন বিনষ্ট করতে চায় কিংবা উৎসবে বিঘ্ন ঘটায়, তবে তাকে চুল পরিমাণও ছাড় দেওয়া হবে না।”
৩ নম্বর বাহাদুরপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাস্টার সাহেব আলী ও ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি পদপ্রার্থী শরিফুল ইসলামসহ দলীয় অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীকে সাথে নিয়ে পূজামণ্ডপগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও আনন্দ ভাগাভাগি করার এই উদ্যোগ সর্বমহলে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বী জনগণ এক বাক্যে স্বীকার করেছেন—জনপ্রিয় কীভাবে হতে হয় এবং মানুষের হৃদয়ে কীভাবে জায়গা করে নিতে হয়, মিয়াদ আলী তা প্রতিনিয়ত প্রমাণ করছেন।
২. তারুণ্যের উত্থান ও পুরনো রাজনীতির অবসান
দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে যারা ক্ষমতার আড়ালে থেকে আঁতাতের রাজনীতি করে নিজেদের আখের গুছিয়ে এসেছে, সেই তথাকথিত আঁধারী নেতাদের প্রতি আজ জনগণের চরম ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, রাজনীতিতে ক্ষমতার দাপট চিরস্থায়ী হতে পারে না যদি না তা জনগণের কল্যাণে ব্যবহৃত হয়।
এই বাস্তবতায় বাহাদুরপুর ইউনিয়নের আপামর জনতা এবং তরুণ সমাজ আর কোনো পুরনো ও সুবিধাভোগী মুখের ফাঁদে পা দিতে রাজী নয়। “তারুণ্যের কোনো বিকল্প নেই”—এই স্লোগানকে ধারণ করে তরুণ প্রতিযোগী মিয়াদ আলীর নেতৃত্বে তারা ঐক্যবদ্ধ। ত্যাগী, লড়াকু ও স্বচ্ছ ভাবমূর্তির তরুণ নেতা মিয়াদ আলীকে কেন্দ্র করে যে রাজনৈতিক জাগরণ সৃষ্টি হয়েছে, তা মূলত দুর্নীতি ও আঁতাতের রাজনীতির বিরুদ্ধে এক প্রতিবাদী বার্তা।
৩. তৃণমূল বিএনপির সুদৃঢ় ঐক্য ও আগামী দিনের নেতৃত্ব
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন ও দলীয় সমর্থনের দৌড়ে তৃণমূলের মতামত বিবেচনায় সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছেন মিয়াদ আলী। বাহাদুরপুর ইউনিয়ন বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ওয়ার্ড ও ইউনিয়নের প্রতিটি ইউনিটে তাঁর সুসংগঠিত উপস্থিতি রয়েছে।
বাহাদুরপুর ইউনিয়নের সাধারণ ভোটাররা মনে করেন:
ত্যাগী ও জনবান্ধব নেতা: বিগত দিনের আন্দোলন-সংগ্রামের পরীক্ষিত সৈনিক হিসেবে মিয়াদ আলী প্রতিটি কর্মীর বিপদে পাশে দাঁড়িয়েছেন।
সবার জন্য উন্মুক্ত দরজা: কোনো প্রকার অহংকার ছাড়া সাধারণ মানুষের সঙ্গে সাবলীলভাবে মিশে যাওয়ার অসাধারণ গুণ তাঁকে সাধারণ মানুষের মনের কাছাকাছি নিয়ে গেছে।
উন্নয়ন ও ন্যায়ের প্রতিশ্রুতি: একটি আধুনিক, দুর্নীতিমুক্ত এবং ইনসাফভিত্তিক মডেল বাহাদুরপুর ইউনিয়ন গড়াই তাঁর মূল লক্ষ্য।
৪. নির্বাচনী আমেজ ও জনমানুষের প্রত্যাশা
নির্বাচনকে সামনে রেখে বাহাদুরপুর ইউনিয়নের হাটে-বাজারে, চায়ের দোকানে এবং পাড়া-মহল্লায় এখন একটাই আলোচনা—”বাহাদুরপুরের কান্ডারী হবেন মিয়াদ আলী।” তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিক্ষা ও সামাজিক অবকাঠামোর উন্নয়ন, এবং আপামর জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাঁর রূপকল্প (Vision) ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।
তৃণমূলের দলীয় নেতাকর্মী এবং স্থানীয় প্রবীণ ব্যক্তিত্বদের প্রত্যাশা, বিগত দিনের রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রাম, ত্যাগ এবং জনগণের সাথে সুসম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে আসন্ন নির্বাচনে দল সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে এবং মিয়াদ আলীর ওপরই বাহাদুরপুর ইউনিয়নের নেতৃত্বের ভার অর্পণ করবে।
জনগণের শক্তিই শেষ কথা। সুবিধাবাদী ও সুসময়ের কোকিলদের প্রত্যাখ্যান করে বাহাদুরপুর ইউনিয়নের মানুষ আজ তাদের সততা, দায়িত্বশীলতা ও ভালোবাসার প্রতীক মিয়াদ আলী-র পতাকাতলে একত্রিত হয়েছেন। আগামী নির্বাচনে বাহাদুরপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে মেয়াদ আলীর বিজয় সময়ের দাবি মাত্র—এমনটাই মনে করছেন এলাকার সকল স্তরের সাধারণ মানুষ।
৩ নম্বর বাহাদুরপুর ইউনিয়ন পরিষদ: আধুনিক, দুর্নীতিমুক্ত ও ইনসাফভিত্তিক মডেল ইউনিয়ন গড়ার মাস্টারপ্ল্যান
অঙ্গীকারে: জনাব মিয়াদ আলী (অর্থ বিষয়ক সম্পাদক, শার্শা উপজেলা বিএনপি ও সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী)
“জনগণের সেবক হয়ে বাহাদুরপুর ইউনিয়নকে একটি মানবিক, নিরাপদ ও সমৃদ্ধ মডেল ইউনিয়নে রূপান্তর করাই আমার প্রধান লক্ষ্য।”
১. সুশাসন, স্বচ্ছতা ও ভোগান্তিমুক্ত নাগরিক সেবা
ডিজিটাল সেবা সহজীকরণ: জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন, নাগরিক সনদ, ওয়ারিশান সনদ ও ট্রেড লাইসেন্স প্রদানের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতা ও ভোগান্তি চিরতরে বন্ধ করা। ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার (UDC)-কে আরও শক্তিশালী করে ঘরে বসেই দ্রুত সেবা পাওয়ার ব্যবস্থা করা।
উৎকোচ ও দুর্নীতিমুক্ত পরিষদ: ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি সেবায় শতভাগ স্বচ্ছতা আনা। সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির (বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, ভিজিডি/ভিজিএফ) তালিকা উন্মুক্ত গণশুনানির মাধ্যমে প্রকৃত দুস্থদের মাঝে মধ্যস্বত্বভোগী বা উৎকোচ ছাড়া বণ্টন নিশ্চিত করা।
কার্যকর গ্রাম আদালত: স্থানীয় যেকোনো ছোটখাটো দেওয়ানি ও ফৌজদারি বিরোধ নিষ্পত্তিতে ‘গ্রাম আদালত’ সক্রিয় রাখা, যাতে সাধারণ মানুষকে আদালতে দৌড়াদৌড়ি না করে স্বল্প খরচে নিজ গ্রামেই ন্যায়বিচার পেতে পারেন।
বার্ষিক উন্মুক্ত বাজেট: বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব ও বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দ জনগণের সামনে প্রকাশ করতে প্রতি বছর জনসম্মুখে ‘উন্মুক্ত বাজেট ও জবাবদিহিতা সভা’ আয়োজন করা।
২. অবকাঠামো, যোগাযোগ ও উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থা
টেকসই সড়ক নির্মাণ ও সংস্কার: ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রাম, হাট-বাজার, স্কুল-মাদ্রাসা ও কৃষিজমির সাথে সংযোগকারী কাঁচা রাস্তাগুলোকে পর্যায়ক্রমে পাকাকরণ এবং প্রধান সড়কগুলোর জরুরি সংস্কার কাজ সম্পন্ন করা।
জলাবদ্ধতা নিরসন ও আধুনিক ড্রেনেজ: বর্ষাকালে পানি নিষ্কাশন নিশ্চিত করতে প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পরিকল্পিত নালা/ড্রেন নির্মাণ এবং প্রাকৃতিক খালগুলো পুনঃখননের ব্যবস্থা করা।
নিরাপদ যাতায়াত ও আলোর ব্যবস্থা: প্রতিটি গ্রামে সাঁকো ও কালভার্ট নির্মাণ করে যাতায়াত সুগম করা। গ্রামীণ সড়কের নিরাপত্তা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও মোড়গুলোতে সোলার ও স্ট্রিট লাইট স্থাপন করা।
৩. স্বাস্থ্যসেবা ও সুপেয় পানির নিশ্চয়তা
কমিউনিটি ক্লিনিকের মানোন্নয়ন: ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডের স্বাস্থ্য কেন্দ্র ও কমিউনিটি ক্লিনিকে নিয়মিত চিকিৎসক, নার্স ও প্রয়োজনীয় মৌলিক ওষুধের উপস্থিতি তদারকি করা।
সুপেয় পানির নিশ্চয়তা: আর্সেনিক ও ক্ষতিকর পদার্থমুক্ত পানীয় জলের জন্য গভীর নলকূপ ও সোলার ওয়াটার ফিল্টার স্থাপন করা।
শতভাগ স্যানিটেশন: হতদরিদ্র পরিবারগুলোর মাঝে বিনামূল্যে স্যানিটারি ল্যাট্রিন বিতরণ করে ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামকে স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশের আওতায় আনা।
৪. কৃষি, মৎস্য ও গ্রামীণ অর্থনীতি জোরদারকরণ
কৃষকের অধিকার নিশ্চিতকরণ: সরকারি বীজ, সার, কীটনাশক ও আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ প্রক্রিয়ায় স্বজনপ্রীতি বন্ধ করে সরাসরি প্রকৃত কৃষকের হাতে পৌঁছে দেওয়া।
সেচ ও বাজার পরিকাঠামো: কৃষি সেচ সুগম করা এবং স্থানীয় কৃষকদের উৎপাদিত পণ্য ন্যায্যমূল্যে বিক্রির জন্য স্থানীয় হাট-বাজারগুলোর পরিকাঠামো আধুনিকায়ন করা।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রশিক্ষণ: ক্ষুদ্র খামারি, গবাদিপশু পালনকারী ও মৎস্যচাষীদের দক্ষতা বাড়াতে উপজেলা প্রাণিসম্পদ ও মৎস্য বিভাগের সমন্বয়ে নিয়মিত প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া।
৫. শিক্ষা, তারুণ্য ও কর্মসংস্থান
মেধাবীদের পাশে দাঁড়ানো: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর সীমানা প্রাচীর, ক্লাসরুম সংস্কার এবং দরিদ্র-মেধাবী শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি ও শিক্ষা উপকরণ সহায়তা দেওয়া।
ফ্রিল্যান্সিং ও আইসিটি প্রশিক্ষণ: ইউনিয়নের বেকার তরুণ-তরুণীদের স্বাবলম্বী করতে ডিজিটাল সেন্টারের মাধ্যমে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ, ফ্রিল্যান্সিং ও কারিগরি শিক্ষা প্রদানের বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করা।
মাদকমুক্ত সমাজ ও খেলার মাঠ: তরুণ সমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে প্রতিটি ওয়ার্ডে খেলার মাঠ সংস্কার, প্রতি বছর ‘চেয়ারম্যান কাপ টুর্নামেন্ট’ ও নিয়মিত সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা।
৬. সামাজিক নিরাপত্তা, পরিবেশ ও সম্প্রীতি রক্ষা
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা: বাহাদুরপুর ইউনিয়নের হিন্দু-মুসলিমসহ সকল ধর্ম-বর্ণের মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা, নিরাপত্তা ও ভাই-ভাই উৎসব উদযাপনের পরিবেশ অক্ষুণ্ণ রাখা।
পরিবেশ সংরক্ষণ ও সামাজিক বনায়ন: জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় রাস্তার দুই পাশে ফলজ ও বনজ বৃক্ষরোপণ (সামাজিক বনায়ন) এবং প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উদ্যোগ নেওয়া।
জরুরি দুর্যোগ মোকাবিলা: যেকোনো হঠাৎ প্রাকৃতিক দুর্যোগে আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা এবং সরকারি-বেসরকারি ত্রাণ দ্রুত ভুক্তভোগীদের দোরগোড়ায় পৌঁছানোর জন্য স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন করা।
বাহাদুরপুর ইউনিয়নকে কেবল কাগজে-কলমে নয়, বাস্তবে একটি উন্নত, শান্তিময় ও সমৃদ্ধ এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে মিয়াদ আলীর এই রূপকল্প (Vision) জনগণের অংশগ্রহণ ও ভালোবাসার মাধ্যমে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে।
প্রতিবেদনটি জনস্বার্থ ও বস্তুনিষ্ঠ তথ্যের ভিত্তিতে সম্পাদিত ও প্রকাশিত।