স্টাফ রিপোর্টার | শার্শা, যশোর
৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে যশোরের শার্শায় শহীদদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় শার্শা উপজেলা কার্যালয় প্রাঙ্গণের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, প্রশাসন, সামাজিক সংগঠন ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।
শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় দিনব্যাপী কর্মসূচি। পরে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তারা গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আত্মত্যাগকারী শহীদদের অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যশোর-৮৫/১ (শার্শা) আসনের সংসদ সদস্য জনাব মোহাম্মদ আজিজুর রহমান। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন শার্শা উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা মো. নিয়াজ মাখদুম।
সভায় উপস্থিত ছিলেন শার্শা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হাসান জহির, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব নুরুজ্জামান লিটন, উপজেলা বিএনপির প্রধান উপদেষ্টা খায়রুজ্জামান মধু, জামায়াতে ইসলামীর শার্শা উপজেলা আমির তৈমুর রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার আরিফ হোসেন, শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ শামিনুল হক, বেনাপোল থানার অফিসার ইনচার্জ আরশাদ হোসেন, সাবেক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মান্নানসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বেনাপোল পৌর যুবদলের আহ্বায়ক মফিজুর রহমান বাবু, শার্শা উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম চয়ন, সদস্য সচিব সবুজ হোসেন খান, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাইমিনুল সাগর, বেনাপোল পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আরিফ এবং এনসিপির নেতা আকাশ হোসেনসহ অনেকে।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ৫ আগস্ট বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ দিন। এই দিনে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে যারা আত্মত্যাগ করেছেন, জাতি তাদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে।
বক্তারা আরও বলেন, শহীদদের আত্মত্যাগের চেতনা ধারণ করে একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও মানবিক বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। দেশের মানুষের অধিকার, শান্তি ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠায় রাজনৈতিক ও সামাজিক ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।
অনুষ্ঠান শেষে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচিতে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মী, প্রশাসনের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।