অপরাধ ডেস্ক রিপোর্ট :মৃত্যুর পরেও হাসিনার সাথে থাকতে চাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করা ভূমিদস্যু বসুন্ধরা গ্রূপের মালিক শাহ আলম
কিছু কিছু বেক্তির মতামত এমন যে,এদের কিছু হবে না রাজনৈতিক দলের সুবিধাবাদী লেতাদের জন্য ওদের টাকা দিয়ে দিলে সবকিছু ধামাচাপা পড়ে যাবে।
এই বসুন্ধরা গ্রুপের সাম্রাজ্য কারা দেখাশুনা করছে রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের উচিত ছিল তাদের সম্পদ রাষ্ট্রের কোষাগরে হস্তান্তর করা।
অনেকেই বলছেন স্বাধীনতা অর্জন করেছি কিন্তু রক্ষা করতে পারিনি সেম ইউনুস সরকার আদেশদান করতে পারে কিন্তু কার্যকর আর হয়না। তাই তারা এখনো ধরাছোয়ার বাইরে।
মৃত্যুর পরেও হাসিনার সাথে থাকতে চাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করা ভূমিদস্যু বসুন্ধরা গ্রূপের মালিক শাহ আলম এবং তার ছেলে আনভীর ২০১৮ এবং ২০২৪ এর নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে দাঁড়িয়ে এমপি হতে চেয়েছিলো। কিন্তু হাসিনাকে তোষামোদি করে এবং আর্থিকভাবে শক্তিশালী রেখেও; শেষমেশ নোমিনেশন পায় নাই তারা! হাসিনার বিদায়ের পর শাহ আলমের ছেলে আনভীর দুবাইতে পলাতক। পরিবারের বাকি সদস্যদের নিয়ে শাহ আলম দেশের ভেতরেই আটকা পড়েছে। তাদের সবারই দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আছে। মরার উপর খাঁড়ার ঘা হিসেবে গতকাল গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে! বিশ্ব বাটপার শাহ আলমের এই পরিণতি দেখে কিছুটা হলেও শান্তি অনুভব করছি। এই খুশিতে বলতে চাই, থ্যাংক ইউ ডক্টর ইউনূস!