সাদা অ্যাপ্রোনের আড়ালে ভয়ংকর লম্পট: ডাঃ সবুজের অপকর্মের চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস!
নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ/মুক্তাগাছা | ১০ জানুয়ারি, ২০২৬
পবিত্র চিকিৎসক পেশার আড়ালে অন্ধকার সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন ডাঃ মোঃ সবুজ। সেবার ব্রত নিয়ে মানুষের পাশে থাকার কথা থাকলেও, তার বিরুদ্ধে উঠেছে পরকীয়া, দেহব্যবসা এবং একাধিক নারীর জীবন ধ্বংসের গুরুতর অভিযোগ। জামিরা বরুই এলাকার এই চিকিৎসকের চারিত্রিক স্খলনের কাহিনি এখন সাধারণ মানুষের মুখে মুখে।
বিজয় দিবসেও থামেনি লালসা
গত ১৬ই ডিসেম্বর, ২০২৫। সারা দেশ যখন শহীদদের স্মরণে বিজয় দিবসের উৎসবে মগ্ন, তখন ডাঃ সবুজ লিপ্ত ছিলেন জঘন্য লালসায়। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, ঐদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বৈঠামারী এলাকায় এক প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে তার বারান্দার রুমে তিনি অনৈতিক সময় কাটান। অভিযোগ আছে, ঐ গৃহবধূর স্বামী বিদেশে থাকার সুযোগে ডাক্তার সবুজ সেখানে নিয়মিত যাতায়াত করেন এবং বাড়ির ভেতরেই অসামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেন।
মায়াবী চেহারার আড়ালে এক ‘সিরিয়াল লম্পট’
এলাকাবাসী জানায়, ডাঃ সবুজের চেহারা দেখে বোঝার উপায় নেই তিনি কতটা ধূর্ত। তবে তার অপকর্মের জাল বিস্তৃত নান্দিনা, মুক্তাগাছা থেকে শুরু করে ময়মনসিংহ শহরের বিভিন্ন গোপন আস্তানা পর্যন্ত। সূত্র বলছে, দুই মাস আগে গোপালপুর এলাকার জনৈক জাবেদার বাসায় গিয়েও তিনি ধরা পড়ার উপক্রম হয়েছিলেন। সেখানেও তিনি এবং ঐ গৃহবধূ মিলে দীর্ঘ সময় অসামাজিক কাজ করেন।
ভ্রাম্যমাণ দেহব্যবসা ও রুম ডেট
অনুসন্ধানে জানা গেছে, ডাঃ সবুজ এবং ওই নারী কেবল নির্দিষ্ট একটি বাড়িতেই সীমাবদ্ধ নন। তারা সুযোগ পেলেই নান্দিনা বা মুক্তাগাছার বিভিন্ন নিভৃত স্থানে ‘রুম ডেট’ এর নামে অভিসারে লিপ্ত হন। সাধারণ রোগীদের সেবা দেওয়ার নাম করে তিনি বিভিন্ন সময় নারীদের সাথে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং চিকিৎসকের প্রভাব খাটিয়ে তাদের মুখ বন্ধ রাখেন।
সতর্কবার্তায় তোয়াক্কা নেই
স্থানীয় সচেতন মহল জানায়, ইতিপূর্বে তাকে বেশ কয়েকবার সংশোধন হওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ‘চোরা না শোনে ধর্মের কাহিনী’—ডাঃ সবুজ আরও বেশি বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ভুক্তভোগী বলেন, “তাকে ভালো হওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু সে সেটাকে দুর্বলতা ভেবেছে। এখন তার সমস্ত প্রমাণ আমাদের হাতে।”
আসছে আরও ভয়ংকর প্রমাণ
ডাঃ সবুজের এই অনৈতিক কর্মকাণ্ডের ছবি এবং কল রেকর্ড ইতিমধ্যে ফাঁস হওয়ার অপেক্ষায়। এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে এই লম্পট চিকিৎসকের লাইসেন্স বাতিল করা হোক এবং তাকে সমাজচ্যুত করা হোক। সচেতন নাগরিকরা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে যদি তিনি এই নোংরা পথ পরিহার না করেন, তবে তার সমস্ত গোপন ভিডিও এবং নগ্ন ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।
পরিশেষে: একজন ডাক্তারের এমন পতন সমাজকে স্তম্ভিত করেছে। বৈঠামারীর সেই বাড়িতে চলা দেহব্যবসার আখড়া এবং সবুজের নিয়মিত যাতায়াত বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছে এলাকাবাসী।
[বি:দ্র: এই প্রতিবেদনটি জনস্বার্থে এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে তৈরি করা হয়েছে।]