ষড়যন্ত্র হয়নি শেষ—সজাগ থাকো বাংলাদেশ!
যশোরে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল: মব সন্ত্রাস-আইনশৃঙ্খলার অবনতির বিরুদ্ধে গর্জে উঠলো নেতাকর্মীরা
ডেস্ক রিপোর্ট | ১৫ জুলাই ২০২৫, মঙ্গলবার
প্রশাসনের গাফিলতি, আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি এবং একের পর এক ষড়যন্ত্রমূলক ঘটনা—এবার আর চুপ করে থাকেনি স্বেচ্ছাসেবক দল। “🕯️ সোহাগ হত্যার বিচার চাই, খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক ফাঁসি চাই”—এই দাবিকে সামনে রেখে যশোর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করে।
এই মিছিল শুধু ক
র্মসূচি ছিল না—এটা ছিল গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার শত্রুদের বিরুদ্ধে এক বজ্রনিনাদ প্রতিবাদ।
মিছিলে নেতৃত্ব দেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক জননেতা অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, যার উপস্থিতি রাজপথে কর্মীদের মধ্যে সৃষ্টি করে দুর্দমনীয় সাহস ও স্পৃহা। সঙ্গে ছিলেন স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক মনিরুল ইসলাম মনির, জেলা, উপজেলা ও পৌর পর্যায়ের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ।
মিছিলের মূল বার্তা ছিল স্পষ্ট:
বাংলাদেশের শত্রুরা—হুশিয়ার সাবধান!
তারেক রহমান বীরের বেশে আসবে ফিরে বাংলাদেশে!”
সন্ত্রাস-গুম-মাদকের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক প্রতিরোধ গড়ার অঙ্গীকার
সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন,
“রাষ্ট্রযন্ত্রের নির্লজ্জ ব্যবহার, বিচারবহির্ভূত হত্যা ও গায়েবি মামলা দিয়ে জনগণের কণ্ঠরোধ করা যাবে না। আমরা রাস্তায় ছিলাম, আছি, থাকবো—গণতন্ত্র ফিরে না আসা পর্যন্ত এই রাজপথেই ফয়সালা হবে।”
তাঁরা আরও বলেন,
“সোহাগ হত্যাসহ সাম্প্রতিক সব হত্যাকাণ্ডে প্রশাসনের নীরবতা চরম প্রশ্নবিদ্ধ। মাদক-সন্ত্রাস-ধর্ষণের উৎসবে এখন পুলিশ প্রহরী, আর রাজনৈতিক কর্মীদের নামে চলছে মামলা-নির্যাতনের মহড়া। এই অবিচারের বিরুদ্ধে আজ দেশজুড়ে জেগে উঠছে তরুণ সমাজ।”
অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ছিল শক্তিশালী উপস্থিতি
বিশেষভাবে শার্শা উপজেলা ও বেনাপোল পৌর স্বেচ্ছাসেবক দল মিছিল সহকারে দৃপ্ত পদক্ষেপে অংশগ্রহণ করে, যারা এই আন্দোলনের মূর্ত প্রতীক হয়ে উঠে।
মিছিলটি যশোর শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়, তবে জনমনে এর প্রভাব গভীর ছাপ ফেলে। রাজপথে স্বেচ্ছাসেবক দলের শক্ত অবস্থান দেখে অনেক সাধারণ মানুষও উৎসাহের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে।
রাজনৈতিক বার্তা স্পষ্ট:
“একদলীয় দুঃশাসনের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে আসবে গণজাগরণ।
তারেক রহমান এই যাত্রার মহারথী হয়ে ফিরে আসবে বাংলাদেশে!”
উপস্থাপনায়:
Nazmul Hassan এর তথ্য-তত্ত্বাবধানে প্রস্তুত রিপোর্ট।