শহীদ আবরারের আত্মত্যাগ ও দেশের জন্য তরুণদের আহ্বান: মাহমুদুর রহমানের সরল ও প্রজ্ঞাময় বক্তব্য
দৈনিক বাংলাদেশ প্রাথমিক সংবাদ ডেস্ক রিপোর্ট
সাংবাদিক মাহমুদুর রহমান দেশের তরুণ সমাজকে প্রেরণা দিয়ে আবারও স্মরণ করালেন দেশের ইতিহাস ও স্বাধীনতার মূল্য। তিনি বলেন, “মোদির বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে শহীদ হয়েছেন শহীদ আবরার, আর রাষ্ট্রের নিরাপত্তা যার হাতে ছিল সে দেশ ছেড়ে মোদির আশ্রয়ে—এখন প্রশ্ন হলো, কে সত্যিকারের দেশপ্রেমিক?”
মাহমুদুর রহমান আরও তীব্রতার সঙ্গে বলেন, “যাদেরকে আমরা স্বাধীনতার প্রহরী মনে করি, সেই সেনাবাহিনীর দুই জেনারেল পালিয়ে গেছেন মোদির আশ্রয়ে। আর অবাক হওয়ার বিষয় হলো, তার মধ্যে একজন ছিলেন দেশের ডিজিএফআইয়ের প্রধান। চার বছর তার হাতে দেশের নিরাপত্তার দায়িত্ব ছিল, অথচ এখন সে পালিয়ে আছে!”
তিনি স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন, দেশের জন্য সাহসী তরুণরাই সবচেয়ে বড় সম্পদ। “আমাদের জেনারেল সাহের দরকার না, আমাদের দরকার আবরারদের মতো অসংখ্য তরুণ, যারা দেশের স্বাধীনতা রক্ষা করতে সক্ষম। যদি এমন লক্ষ লক্ষ তরুণ রাস্তায় নেমে আসে, তাহলে যারা দেশের সার্বভৌমত্ব বিকিয়ে দিয়েছে, সেই ধরনের জেনারেলরা স্বাভাবিকভাবেই সোজা হয়ে যাবে।”
মাহমুদুর রহমানের এই বক্তব্য দেশের তরুণদের মধ্যে এক নতুন ধরনের চেতনা সৃষ্টি করছে। তিনি সাহস, ন্যায় ও দেশের জন্য আত্মত্যাগের মূল্যকে তুলে ধরেছেন, যা দেশের স্বাধীনতা রক্ষায় এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা।
শহীদ আবরারের ইতিহাস স্মরণ করে তিনি বলেন, “২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর, বুয়েটের আবরার ফাহাদকে তারই সহপাঠী ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বেধড়ক পিটিয়ে শহীদ করে। আবরার ভারতীয় আধিপত্যের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে আমাদের সামনে সাহস ও দেশপ্রেমের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।”
মাহমুদুর রহমানের এই বক্তব্য আমাদের শেখায়, দেশপ্রেম শুধু পদের দায়িত্ব নয়, বরং সাহস ও ন্যায়বিচারের মধ্য দিয়ে প্রকাশিত হয়। দেশের ভবিষ্যৎ তরুণদের হাতে—যারা সত্যিকারের স্বাধীনতা রক্ষায় প্রেরণা গ্রহণ করবে এবং দেশের সার্বভৌমত্বকে শক্তভাবে রক্ষা করবে।
সাংবাদিক মাহমুদুর রহমানের এ ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি ও সততা প্রশংসনীয়। তিনি শুধু ঘটনা তুলে ধরেন না, বরং দেশের তরুণদেরকে প্রেরণা জোগান, স্বাধীনতার চেতনাকে শক্তিশালী করেন এবং দেশের জন্য নতুন দিক নির্দেশনা প্রদান করেন।