তারিখ: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
প্রতিবেদক: জনতার কণ্ঠস্বর ডেস্ক
প্রকাশনা: দৈনিক বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ
স্লোগান: জনতার কণ্ঠস্বর
ওয়েবসাইট: www.bangladeshprothomsangbad.com
মতুয়া ধর্ম ও সান্তনু ঠাকুরের বিতর্কিত কার্যকলাপ: অনুসন্ধান ও জনগণের প্রতিক্রিয়া
চুয়াডাঙ্গা, যশোর ও আশেপাশের অঞ্চল থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মতুয়া ধর্মের মধ্যে বর্তমানে নতুন বিতর্ক ছড়িয়েছে। সম্প্রতি সান্তনু ঠাকুরের উদ্যোগে ‘মতুয়া কার্ড’ বিতরণের ঘটনা স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে চরম বিতর্কের সৃষ্টি করেছে।
একাধিক স্থানীয় সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী ও মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষ অভিযোগ করছেন যে, সান্তনু ঠাকুর কার্ডের নামে প্রায় ৩০০-৪০০ কোটি টাকা সংগৃহীত হয়েছে। অভিযোগ অনুসারে, এই অর্থের স্বচ্ছ হিসাব এখনও প্রকাশিত হয়নি।
স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়া অনুযায়ী, “যদি আমাদের ঘরের কোনো ছেলে ১ লাখ টাকা চুরি করে, তার কি হবে? সান্তনু ঠাকুর ৩০০-৪০০ কোটি টাকা নিয়েছেন, তার হিসাব কেন কেউ চাচ্ছে না?”
বিভিন্ন মতুয়া নেতারা এবং সাধারণ জনগণ উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে, কার্ড বিতরণের এই প্রক্রিয়া ধর্মীয় সত্তাকে রাজনৈতিক হাতিয়ারে পরিণত করছে। কিছু মন্তব্যে বলা হয়েছে, “শান্তনু ঠাকুর নতুন করে মতুয়া বানাচ্ছেন, অথচ প্রাচীন মতুয়া নেতাদের নাম ও ঐতিহ্যকে উপেক্ষা করা হচ্ছে।”
তাদের মতে, মুসলিম সম্প্রদায়কেও এই কার্ড প্রদান করা হচ্ছে এবং বলা হচ্ছে, কার্ড থাকলে এনআরসি হলেও কেউ উচ্ছেদ করতে পারবে না। এতে ধর্মীয় পরিচয় ও আঞ্চলিক স্বচ্ছতার প্রশ্ন উঠেছে।
স্থানীয়রা আরও মনে করাচ্ছেন যে, এই সময়ে মতুয়া ধর্মকে রক্ষা করতে হলে রাজনৈতিক প্রভাব মুক্ত হওয়া জরুরি। তারা বলছেন, “ঠাকুরবাড়িকে রাজনীতি মুক্ত করুন, মতুয়া ধর্ম বাঁচাতে হলে এটি একমাত্র উপায়।”
বেশিরভাগ মতুয়া নাগরিক এই বিতর্কে হতাশ। তারা মনে করছেন, “সচেতন হওয়ার সময় এসেছে, এখন আর উল্টো দিক দেখতে হবে না। অন্যথায় ধর্মীয় পরিচয় ও ঐতিহ্য ধ্বংসের মুখে পড়বে।”
মতুয়া সম্প্রদায়ের এই বিতর্ক দেশের ধর্মীয় ও রাজনৈতিক মহলে নতুন প্রশ্ন উত্থাপন করেছে।