নিজস্ব প্রতিবেদক | দৈনিক বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ
যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোলে নাশকতা মামলার তদন্ত ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের তিন নেতাকর্মীকে আটক করেছে বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশ। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে বেনাপোল পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সজল মোল্লা রয়েছেন। এ ছাড়া বাহাদুরপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের দুই নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট নাশকতা মামলার তদন্ত এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চলমান বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে তাঁদের আটক করা হয়। আটকের পর সংশ্লিষ্ট মামলায় তাঁদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—বেনাপোলের বড়আঁচড়া গ্রামের সোহাগ মোল্লার ছেলে সজল মোল্লা (২০)। তিনি বেনাপোল পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক। অপর দুজন হলেন শার্শার রঘুনাথপুর মল্লিকপাড়া গ্রামের উসমান মল্লিকের ছেলে আতাউর মল্লিক (৪৬), যিনি বাহাদুরপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য; এবং বোয়ালিয়া মানিক গ্রামের মৃত আহসান আলী মল্লিকের ছেলে মার্জন আলী (৫০), যিনি বাহাদুরপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, নাশকতাসংক্রান্ত মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে আটক ব্যক্তিদের বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য ও মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা করা হচ্ছে। তদন্তে পাওয়া তথ্য-প্রমাণ এবং সংশ্লিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরশাফ হোসেন জানান, নাশকতা কিংবা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর যেকোনো অপচেষ্টা মোকাবিলায় পুলিশ তৎপর রয়েছে। আটক ব্যক্তিদের বিষয়ে মামলার নথি ও অভিযোগ যাচাই করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তদন্তে কারও অপরাধে সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাঁর বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
এদিকে, সংশ্লিষ্ট মামলায় আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
তবে মামলার সুনির্দিষ্ট ধারা, ঘটনার বিবরণ, আটকের সময় এবং আদালতে তাঁদের উপস্থাপনের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি আরও সমৃদ্ধ করা সম্ভব হবে। মামলায় নাম থাকা বা আটক হওয়া মানেই অভিযোগ প্রমাণিত হওয়া নয়; তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা নির্ধারিত হবে।