বিজয়ের ডাক, ফ্যাসিবাদের পতন: যশোর জেলা বিএনপির যৌথসভা ও ৫–৬ আগস্ট কর্মসূচির প্রস্তুতি
বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ ডেস্ক:
ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারী খুনি শেখ হাসিনার পতন ও পলায়নের ঐতিহাসিক বর্ষপূর্তি উপলক্ষে যশোর জেলা বিএনপি দুইদিনব্যাপী বিজয় মিছিল কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে। আগামী ৫ আগস্ট সদর উপজেলা ও নগর বিএনপি এবং ৬ আগস্ট জেলা বিএনপি-র উদ্যোগে গণতন্ত্রের বিজয় উদযাপন করতে এই কর্মসূচি পালিত হবে। এরই ধারাবাহিকতায় একটি গুরুত্বপূর্ণ যৌথসভা অনুষ্ঠিত হয় যশোরে, যেখানে দলীয় আবেগ, ভালোবাসা ও লড়াইয়ের স্পৃহা মিলেমিশে ওঠে এক ঐক্যবদ্ধ কণ্ঠে—“গণতন্ত্র ফিরে পেতে হবে, ভোটের অধিকার ছিনিয়ে আনতেই হবে।”

প্রধান অতিথির বক্তৃতা:
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক বেগম।
তিনি বলেন—
> “৫ আগস্ট একটি মুক্তির প্রতীক। এই দিনে বাঙালি জনতা জানিয়ে দিয়েছে, আর না। স্বৈরাচারের সময় শেষ। আর তারেক রহমানের মতো রাষ্ট্রনায়কের নেতৃত্বেই আমরা ফিরে পাবো একটি ইনক্লুসিভ, ন্যায়ের রাষ্ট্র।”
তার কণ্ঠে ছিলো নির্ভিকতা, প্রত্যয়ে ছিলো স্বপ্নের বাংলাদেশ। যশোরের মাটি যেন মুহূর্তেই হয়ে ওঠে দ্বিতীয় নয়াপল্টন।
অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের উপস্থিতি:
উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির বিপ্লবী সাংগঠনিক সম্পাদক জননেতা অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
যার একক উপস্থিতি সভাকে প্রেরণা ও নেতৃত্বে পরিপূর্ণ করে তোলে। অমিত বলেন—
> “এই বিজয় কর্মসূচি কেবল মিছিল নয়, এটি প্রতিটি শহিদ মায়ের চোখের অঙ্গীকার, জেল-জুলুম খাটা যুবকের বিশ্বাস, আর তারেক রহমানের নেতৃত্বে রচিত এক নতুন ভোরের সুর।”
যশোর জেলা নেতৃবৃন্দের উদ্দীপনা:
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিবসহ গুরুত্বপূর্ণ নেতৃবৃন্দ।
এই আয়োজন নিয়ে তিনি তার ভেরিফায়েড ফেসবুক একাউন্টে জানান—
> “৫ ও ৬ আগস্ট কোনো সাধারণ দিন নয়, এ দুটি দিন হবে হাসিনার পতনের নিখুঁত রাজনৈতিক শোকেস। আমরা মাঠে থাকবো—শান্তিপূর্ণ, শৃঙ্খলাবদ্ধ এবং অভিপ্রায়ভিত্তিক।”
আবেগ ও ভালোবাসার মেলবন্ধন:
এই আয়োজন কেবল একটি কর্মসূচি নয়, এটি যেন একটি প্রজন্মের আশা, নিপীড়নের বিরুদ্ধে লাল আগুন, হারানো ভোটের দাবি।
যশোরে আজ তারেক রহমানের নামে মিছিলে স্লোগান ওঠে—
“আমার নেতা, আমার প্রেরণা—তারেক রহমান”
“গণতন্ত্র ফেরাও, হাসিনার পতন চূড়ান্ত করো”
এই আয়োজন থেকে উঠে এসেছে বিএনপির জনভিত্তিক জনপ্রিয়তা, যার ঢেউ ছড়িয়ে পড়েছে গ্রাম থেকে নগর, মাঠ থেকে মঞ্চ, সামাজিক মাধ্যম থেকে আন্তর্জাতিক মহলে।
৫ ও ৬ আগস্ট শুধু স্মরণ নয়, প্রতিজ্ঞা—
একটি নতুন সূর্যোদয়ের, একটি জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র নির্মাণের, যেখানে জনগণ হবে শক্তির একমাত্র উৎস।