• বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:১২ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
গাজীপুরে মেট্রিক্স গার্মেন্টসে আগুন, ৬৭ জনকে জীবিত উদ্ধার আটতলা ভবনের তৃতীয় তলায় অগ্নিকাণ্ড, আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৯টি ইউনিট ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক চেতনায় বেনাপোলকে আধুনিক সীমান্ত নগরী গড়ার প্রত্যয়, জনআস্থার রাজনীতিতে আবু তাহের ভারত এমপি মাজেদ বাবুর বিরুদ্ধে হত্যার ষড়যন্ত্র ও হলফনামায় জালিয়াতির অভিযোগ হাসিনার সেই ‘৪০০ কোটির পিয়ন’ জাহাঙ্গীর: অনুসন্ধান থেকে ১০০ কোটি টাকা পাচারের মামলা, দুই বছরে কতদূর তদন্ত? পরিচয় নিয়ে নতুন বিতর্ক, কোন পক্ষ কতটা যৌক্তিক? ১৭ বছর আওয়ামী লীগের এমপির ‘ছায়াতল’ ও লটারির নাটক: পঞ্চগড়ে চালের ডিলারশিপ বাগিয়ে নেওয়া হাইব্রিড বিএনপি নেতা একরামুল হক মুন্না যশোরে আওয়ামী লীগের নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগের প্রতিবাদে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ হঠাৎ ‘স্যরি’ বলল প্রথম আলো, কেন এই ক্ষমা চাওয়া? সামনে এলো আসল কারণ কবিতা, কলম ও রাষ্ট্রচিন্তায় বহুমাত্রিক পথচলা: কবি অথই নূরুল আমিনের জীবন, সাহিত্যকর্ম ও মানবিক উদ্যোগের বিস্তৃত অধ্যায় মাগুরায় যুবদল নেতা সাকের হোসেন হত্যাকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর মোড় রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ, জাপান সফরের সাফল্য ও দ্বিপক্ষীয় চুক্তি নিয়ে আলোচনা

বাংলাদেশ পুলিশকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপত্তিকর ও অসম্মানজনক মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছে Abdur Rab Bhuttow নামের এক ফেসবুক ব্যবহারকারীর বিরুদ্ধে

নাজমুল হাসান চীফ ইন এডিটর / ২৬৪ Time View
Update : শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

 

বাংলাদেশ পুলিশকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া

ফেসবুকে প্রকাশিত কথিত মন্তব্যের স্ক্রিনশট সংগ্রহ করেছে ‘দৈনিক বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ’; বক্তব্যের সত্যতা ও প্রেক্ষাপট যাচাইয়ের দাবি

বিশেষ প্রতিবেদক | ঢাকা

বাংলাদেশ পুলিশকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপত্তিকর ও অসম্মানজনক মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছে Abdur Rab Bhuttow নামের এক ফেসবুক ব্যবহারকারীর বিরুদ্ধে। তাঁর ফেসবুক প্রোফাইলের একটি স্ক্রিনশট এবং কথিত মন্তব্য-সংক্রান্ত পোস্টের কনটেন্ট দৈনিক বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ-এর হাতে এসেছে বলে জানানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা ও সমালোচনা তৈরি হয়েছে।

প্রাপ্ত স্ক্রিনশট অনুযায়ী, “Abdur Rab Bhuttow” নামে একটি ফেসবুক প্রোফাইলে প্রায় ২৯ হাজার ফলোয়ার, ৮৬৬ জনকে ফলো করা এবং প্রায় ৮.৬ হাজার পোস্ট থাকার তথ্য দেখা যায়। প্রোফাইলে তাঁকে ডিজিটাল ক্রিয়েটর হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি লন্ডন, London Bangla Channel, Siddeswari University College এবং bhuttow_28-এর মতো তথ্যও দৃশ্যমান রয়েছে।

তবে প্রোফাইলে প্রদর্শিত তথ্যের বাইরে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির প্রকৃত পরিচয়, পেশাগত অবস্থান কিংবা তাঁর বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের পূর্ণাঙ্গ প্রেক্ষাপট স্বাধীনভাবে যাচাই করা জরুরি। একইভাবে স্ক্রিনশটে থাকা প্রোফাইলটি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরই কি না, সেটিও যথাযথভাবে যাচাইয়ের বিষয়।

যে মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক

অভিযোগ অনুযায়ী, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি পোস্টে বাংলাদেশ পুলিশ এবং পুলিশের সদস্যদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করা হয়েছে। ওই মন্তব্যের একটি স্ক্রিনশট সংগ্রহ করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনের সঙ্গে দাবি করা হয়েছে।

মন্তব্যটি নিয়ে পুলিশের সদস্য, সাবেক ও বর্তমান পুলিশকর্মী এবং সাধারণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের মধ্যে প্রতিক্রিয়া তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তবে দৈনিক বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ স্পষ্ট করতে চায়—কোনো স্ক্রিনশট বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট হাতে আসা মানেই সেটির প্রতিটি তথ্য চূড়ান্তভাবে সত্য প্রমাণিত হয়েছে—এমন দাবি করা হচ্ছে না। মূল পোস্ট, পোস্টের সময়, সম্পূর্ণ বক্তব্য এবং বক্তব্যের প্রেক্ষাপট যাচাই করা প্রয়োজন।

সমালোচনা করার অধিকার আছে, অপমানের অভিযোগ উঠলে যাচাইও জরুরি

একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান, প্রশাসন কিংবা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকাণ্ড নিয়ে নাগরিকদের সমালোচনা করার অধিকার রয়েছে। পুলিশের কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার বা অন্য কোনো অভিযোগ থাকলে তা তথ্য-প্রমাণসহ তুলে ধরা যেতে পারে।

কিন্তু নির্দিষ্ট কোনো ঘটনা বা ব্যক্তির কর্মকাণ্ডের সমালোচনা এবং একটি পুরো বাহিনীকে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য—দুটি বিষয় এক নয়।

ফলে Abdur Rab Bhuttow-এর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের ক্ষেত্রেও প্রথমে দেখতে হবে, তাঁর কথিত বক্তব্যের প্রকৃত ভাষা কী ছিল, সেটি কোন প্রেক্ষাপটে দেওয়া হয়েছিল এবং বক্তব্যটি আদৌ তাঁর নিজের কি না।

ফেসবুক প্রোফাইলের তথ্য যা দেখা গেছে

সংবাদপত্রের হাতে থাকা প্রোফাইলের স্ক্রিনশটে দেখা যায়, নাম হিসেবে রয়েছে Abdur Rab Bhuttow। প্রোফাইলটিতে প্রায় ২৯ হাজার ফলোয়ার থাকার তথ্য রয়েছে। তাঁকে ডিজিটাল ক্রিয়েটর হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং অবস্থান হিসেবে London, United Kingdom দেখা যাচ্ছে।

প্রোফাইলে London Bangla Channel-এর উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া Siddeswari University College এবং একটি ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলও দৃশ্যমান।

ব্যক্তিগত তথ্যের অংশে প্রোফাইলটিতে ‘বিবাহিত’ এবং ‘পুরুষ’ উল্লেখ রয়েছে।

তবে এসব তথ্য শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট ফেসবুক প্রোফাইলে প্রদর্শিত তথ্য। এগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই না করে ব্যক্তির পূর্ণাঙ্গ পরিচয় বা পেশাগত অবস্থান সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সমীচীন নয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বক্তব্যের দায় কতটা?

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এখন শুধু ব্যক্তিগত মতামত প্রকাশের জায়গা নয়; এটি একটি শক্তিশালী গণমাধ্যমেও পরিণত হয়েছে। একটি পোস্ট কয়েক মিনিটের মধ্যে হাজার হাজার মানুষের কাছে পৌঁছে যেতে পারে।

ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় ব্যক্তিদের প্রতিটি বক্তব্যের সম্ভাব্য সামাজিক প্রভাব বিবেচনা করা প্রয়োজন।

বিশেষ করে পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিচার বিভাগ, প্রশাসন কিংবা অন্যান্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে বক্তব্য দেওয়ার সময় তথ্য ও ভাষার বিষয়ে আরও বেশি সতর্কতা প্রয়োজন।

কারণ কোনো নির্দিষ্ট অভিযোগ সত্য হলে সেটি যথাযথ প্রমাণসহ সামনে আনা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি অসত্য বা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়া ঠেকানোও গুরুত্বপূর্ণ।

অভিযোগ সত্য হলে কী হতে পারে?

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যদি মনে করে কোনো বক্তব্য আইন লঙ্ঘন করেছে, তাহলে প্রচলিত আইন ও বিধিবিধান অনুযায়ী বিষয়টি যাচাই করার সুযোগ রয়েছে।

তদন্তে প্রয়োজন হতে পারে মূল পোস্ট সংগ্রহ, পোস্টের URL বা সংশ্লিষ্ট ডিজিটাল রেকর্ড যাচাই, সম্পূর্ণ বক্তব্য পর্যালোচনা এবং বক্তব্যটি সত্যিই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশিত হয়েছিল কি না তা নির্ধারণ করা।

শুধু ভাইরাল স্ক্রিনশটের ওপর ভিত্তি করে কোনো ব্যক্তিকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা উচিত নয়।

আবার অভিযোগও যেন চাপা না পড়ে

অন্যদিকে কোনো ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রভাবশালী হওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগও উপেক্ষা করা উচিত নয়।

যদি সত্যিই কোনো রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের সদস্যদের উদ্দেশে গুরুতর আপত্তিকর বক্তব্য দেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে বিষয়টি যথাযথ কর্তৃপক্ষের নজরে আনা এবং প্রয়োজন হলে আইন অনুযায়ী তদন্তের দাবি থাকতেই পারে।

একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য নেওয়াও সাংবাদিকতার মৌলিক দায়িত্ব।

Abdur Rab Bhuttow-এর বক্তব্য কী?

এ প্রতিবেদন প্রস্তুতের সময় পর্যন্ত অভিযোগের বিষয়ে Abdur Rab Bhuttow-এর পূর্ণাঙ্গ বক্তব্য আমাদের কাছে পাওয়া যায়নি।

তিনি যদি দাবি করেন যে তাঁর বক্তব্য কোনো নির্দিষ্ট পুলিশ সদস্য, নির্দিষ্ট ঘটনা বা নির্দিষ্ট নীতির সমালোচনা ছিল এবং পুরো বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীকে উদ্দেশ্য করে দেওয়া হয়নি, তাহলে তাঁর সেই বক্তব্যও যথাযথভাবে প্রকাশ করা হবে।

একইভাবে তিনি যদি পোস্টটি নিজের না বলে দাবি করেন, অথবা স্ক্রিনশটকে ভুয়া/সম্পাদিত বলে দাবি করেন, সেটিও যাচাই করে প্রতিবেদনে সংযুক্ত করা প্রয়োজন।

পুলিশের বক্তব্যও গুরুত্বপূর্ণ

বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট কোনো পুলিশ কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনের পরবর্তী সংস্করণে গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা যেতে পারে।

কারণ অভিযোগকারী, অভিযুক্ত এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ—সব পক্ষের বক্তব্যের সমন্বয়েই একটি ঘটনার পূর্ণাঙ্গ চিত্র পাঠকের সামনে তুলে ধরা সম্ভব।

সাংবাদিকতার দায়িত্ব: তথ্য যাচাই, উত্তেজনা নয়

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো বক্তব্য ভাইরাল হওয়ার পর অনেক সময় আবেগ ও উত্তেজনার কারণে যাচাই-বাছাই ছাড়াই সেটি পুনরায় প্রকাশ করা হয়। এতে ভুল তথ্য ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।

একটি সংবাদমাধ্যমের দায়িত্ব হলো ভাইরাল কনটেন্টকে আরও উত্তেজনাপূর্ণ করে তোলা নয়; বরং তার সত্যতা, উৎস, প্রেক্ষাপট ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য যাচাই করা।

এই ঘটনায়ও একই নীতি অনুসরণ করা জরুরি।

বাংলাদেশ পুলিশ নিয়ে সমালোচনা হোক তথ্যভিত্তিক

বাংলাদেশ পুলিশের কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা প্রমাণসহ প্রকাশ করা প্রয়োজন। কোনো পুলিশ সদস্য অন্যায় করলে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠতে পারে। কিন্তু একজনের কর্মকাণ্ডের দায় পুরো বাহিনীর ওপর চাপিয়ে দেওয়া কতটা যুক্তিসঙ্গত—সেটিও বিবেচনার বিষয়।

অন্যদিকে পুলিশের কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে সত্যিকারের অভিযোগ থাকলে শুধুমাত্র বাহিনীর ভাবমূর্তির কথা বলে সেই অভিযোগও উপেক্ষা করা উচিত নয়।

সত্য প্রকাশের স্বার্থেই অভিযোগ ও জবাব—দুই পক্ষকেই সমান গুরুত্ব দিতে হবে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের জন্য সতর্কবার্তা

একটি স্ক্রিনশট দেখে কাউকে অপরাধী ঘোষণা করা যেমন ঠিক নয়, তেমনি কোনো গুরুতর অভিযোগকে যাচাই ছাড়াই সত্য ধরে নিয়ে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দেওয়াও দায়িত্বশীল আচরণ নয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের উচিত কোনো পোস্ট শেয়ার করার আগে তার উৎস, তারিখ, মূল বক্তব্য এবং প্রেক্ষাপট যাচাই করা।

কারণ একবার ভুল তথ্য ছড়িয়ে পড়লে পরবর্তীতে সেটি সংশোধন করলেও অনেক মানুষের কাছে আগের তথ্যই থেকে যেতে পারে।

শেষ কথা

বাংলাদেশ পুলিশকে নিয়ে Abdur Rab Bhuttow-এর বিরুদ্ধে ওঠা আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগ এখন যাচাইয়ের দাবি রাখে। সংবাদপত্রের হাতে থাকা প্রোফাইলের স্ক্রিনশট থেকে সংশ্লিষ্ট নামে একটি ফেসবুক প্রোফাইলের অস্তিত্ব ও সেখানে প্রদর্শিত কিছু তথ্য দেখা গেলেও, কথিত মন্তব্যের পূর্ণাঙ্গ সত্যতা, প্রেক্ষাপট এবং আইনগত অবস্থান নিশ্চিত করতে আরও যাচাই প্রয়োজন।

দৈনিক বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ মনে করে, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান নিয়ে নাগরিকের সমালোচনার অধিকার যেমন থাকবে, তেমনি সেই সমালোচনা তথ্যনির্ভর ও দায়িত্বশীল হওয়াও জরুরি। কোনো বক্তব্য যদি সত্যিই অবমাননাকর হয়ে থাকে, তাহলে সেটির বিষয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষ আইন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবে। আর যদি বক্তব্যটি বিকৃত, সম্পাদিত বা ভুলভাবে উপস্থাপিত হয়ে থাকে, তাহলেও প্রকৃত সত্য জনসমক্ষে আসা প্রয়োজন।

অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণ করবে যাচাই ও প্রমাণ—সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভাইরাল প্রচারণা নয়।

দৈনিক বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ | বিশেষ অনুসন্ধানী প্রতিবেদন


More News Of This Category
bdit.com.bd