প্রকাশিত: ৮ জুলাই ২০২৫
রিপোর্টার: নাজমুল হাসান
“দল বলে প্রস্তুত, জনগণ বলে নিশ্চিত – লিটনই শার্শার এমপি” রাজনৈতিক ভারসাম্য ও মাঠের বাস্তবতা—দুইটাই স্পষ্ট
শার্শায় বদলের মুখ – আসছে নুরুজ্জামান লিটন!
“এই লোকটাই লড়ছিল, যখন কেউ ছিল না…”
শার্শা ৮৫-১ আসনের রাজনীতিতে দীর্ঘ এক যুগের বেশি সময় ধরে যে নামটি জনতার হৃদয়ে গেঁথে আছে—তিনি আলহাজ্ব নুরুজ্জামান লিটন। ছাত্রদল থেকে শুরু করে যুবদল, সেখান থেকে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক—প্রতিটি ধাপে তিনি আন্দোলনের ফ্রন্টলাইন এবং সংগঠনের ভিতরে দাঁড়ানো এক অবিচল স্তম্ভ।
আজ আর তাঁকে ‘সম্ভাব্য’ বলা যাচ্ছে না। জেলা ও কেন্দ্রের সমর্থন, তৃণমূলের স্পষ্ট দাবি এবং জনগণের অকুণ্ঠ ভালোবাসা—সব মিলিয়ে নুরুজ্জামান লিটন এখন শার্শার “আসন্ন এমপি”।
রাজপথ থেকে মনোনয়নের প্রান্তসীমায়
২০২৩-২৪ সালের ভয়াল সময়, যখন দেশজুড়ে দমন-পীড়ন চলছিল। নেতারা আত্মগোপনে, কেউ কেউ বিদেশে, আর কর্মীরা নিঃসঙ্গ—ঠিক সেই সময় লিটন ছিলেন মাটিতে, মানুষের পাশে।
মামলা, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা, পুলিশি হয়রানি—কোনো কিছুই তাকে দমাতে পারেনি। বরং প্রতিটি র্যালি, মিছিল, মিটিংয়ে “লিটন ভাই সামনে”—এটাই ছিল তৃণমূলের মূল ভরসা।
আদর্শে অনড়, অবস্থানে আপসহীন
তিনি স্পষ্টভাবে বলেন—
> “আমাদের চরিত্র যেন আওয়ামী লীগের মতো না হয়।”
এ লাইনটা এখন স্লোগানে রূপ নিয়েছে। তরুণ বিএনপি কর্মীরা এটি লিখে ফেসবুক পোস্ট দেয়, দেয়ালে দেয়ালে লিখে রাখে। কারণ এ বক্তব্য শুধু আওয়ামী বিরোধিতা নয়, বরং নৈতিক রাজনীতির প্রতীক।
তিনি ভারতের আধিপত্যবাদ এবং বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক দাসত্বের বিরুদ্ধে সাহসী কণ্ঠস্বর।
—
🌾 শার্শার মাটির সন্তান, মানুষের স্বজন
কৃষক, শ্রমিক, মাদ্রাসার ছাত্র, কলেজের তরুণ, সীমান্তের পরিবার—সবাই একবাক্যে বলেন,
> “লিটন ভাই আমাদের লোক, আমাদের পাশে থাকে।”
তিনি কখনোই রাজনীতিকে ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠার সিঁড়ি হিসেবে ব্যবহার করেননি। বরং অগণিত কর্মীকে সামনে তুলে এনেছেন, নতুন নেতৃত্ব গড়েছেন।
সামাজিকভাবে পরিচ্ছন্ন, সাংগঠনিকভাবে দক্ষ, এবং আদর্শিকভাবে অনমনীয়—এই ত্রয়ী গুণে শার্শার জনগণের কাছে তিনিই আজ বিশ্বাসযোগ্য একমাত্র বিকল্প।
—
📊 জনমত ও রাজনৈতিক সমীকরণে এগিয়ে
বর্তমান এমপি সম্পর্কে জনমনে ক্ষোভ এবং প্রত্যাখ্যান প্রবল।
বিএনপির স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ে লিটনের নামেই ঐক্যমত।
ইউনিয়ন থেকে উপজেলায়, সকল সভা-বৈঠকে উঠেছে একটাই দাবি—
> “আমাদের মাঠের লড়াকু সৈনিকই সংসদে যাক।”
—
জনতার কণ্ঠে যা সত্য
এক প্রবীণ মুক্তিযোদ্ধা বলেন—
> “লিটন ভাই এমপি হইলে মানুষ সোজা দরজায় যেতে পারবে।”
এক তরুণ বলেন—
> “উনি শুধু নেতা না, ভাইয়ের মতো পাশে থাকেন।”
এক নারী স্কুলশিক্ষিকা জানান—
> “উনার মতন লোক সংসদে গেলে, শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে সত্যিকারের কথা বলা হবে।”
—
মূল্যায়নের চূড়ান্ত ফ্রেমওয়ার্ক
বিষয় মূল্যায়ন
রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ✅ দুই দশকের মাঠপর্যায়ের সংগ্রাম
সাংগঠনিক গ্রহণযোগ্যতা ✅ ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপিতে দক্ষ নেতৃত্ব
আদর্শিক দৃঢ়তা ✅ আপসহীন, মুক্তচিন্তা ও জাতীয়তাবাদে অটল
জনপ্রিয়তা ও সংযোগ ✅ তৃণমূলের গভীরে শিকড়
মনোনয়ন সম্ভাবনা ✅ সময়ের অপেক্ষা মাত্র
—
🗝️ সময়ের ডাক
আলহাজ্ব নুরুজ্জামান লিটন কেবল একজন রাজনৈতিক নেতা নন, তিনি শার্শার আশা, জনগণের আত্মবিশ্বাস, আর বিএনপির ভবিষ্যতের কণ্ঠস্বর।
এই মুহূর্তে দলীয়ভাবে তাঁকে মনোনয়ন দেওয়া কেবল আনুষ্ঠানিকতা—কারণ জনগণ ইতিমধ্যেই তাঁকে নির্বাচিত করে ফেলেছে।
সত্য, ত্যাগ ও সাহসের প্রতীক নুরুজ্জামান লিটনের যাত্রা আজ সংসদের পথে—এটা শুধু একজন ব্যক্তির পদযাত্রা নয়, বরং গণতন্ত্রের একটা পুনরুত্থান।