• মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১১:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
৫ আগস্টের গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার বিজয়ের দিন: জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে তারেক রহমানের শ্রদ্ধা ও অঙ্গীকার দেশের টেকসই উন্নয়নে সমন্বিত পানি ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্বারোপ,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান, আইন মেনে তালাকের পর সাবেক স্ত্রীর হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা: বৃদ্ধ মায়ের জীবন শঙ্কায়, আতঙ্কে পুরো পরিবার বন্দর এলাকা, পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ড ও সীমান্তপথে যাত্রীদের নিরাপদ চলাচলে প্রশংসায় ভাসছেন বেনাপোল পোর্ট থানার এসআই (নিঃ) মো. রাশেদুজ্জামান ঠাকুরগাঁওয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে ২২০ ইয়াবা, ৯ বোতল ফেনসিডিল ও নগদ ৩২ হাজার টাকা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ এফবিআই প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আইজিপির সৌজন্য সাক্ষাৎ চট্টগ্রাম থেকে ফেরার পথে ডাকাতের কবলে বিএমএসএফ কেন্দ্রীয় সভাপতি আহমেদ আবু জাফর, সহকর্মীদের দোয়া ও সহযোগিতার আহ্বান মাছ ধরতে গিয়ে জেলের জালে মিলল থানা থেকে লুট হওয়া শর্টগান বেনাপোল কাস্টম চেকপোস্টে ‘স্পট ট্যাক্স’ বন্ধ, লাগেজ হয়রানি ও উন্নয়ন প্রশ্নে বাড়ছে জনঅসন্তোষ: রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান: বড়আঁচড়া সড়কের অস্থায়ী সংস্কারে উদ্যোগ, এলাকাবাসীর মাঝে স্বস্তি

ঢাবি বিপ্লবের আগে কতটা প্রস্তুত ছিল ছাত্রশক্তি? নাহিদ ইসলামের ভূমিকা ও রিয়াদ বিতর্ক নিয়ে মুখ খুললেন জুলকারনাইন সাইর

Reporter Name / ১১২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই, ২০২৫

 

ঢাবি বিপ্লবের আগে কতটা প্রস্তুত ছিল ছাত্রশক্তি? নাহিদ ইসলামের ভূমিকা ও রিয়াদ বিতর্ক নিয়ে মুখ খুললেন জুলকারনাইন সাইর

বাংলাদেশ প্রথম সংবাদ ডেস্ক
জনতার কণ্ঠস্বর

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীক ছাত্রশক্তির বিপ্লব এখন ইতিহাস। কিন্তু তার আগের প্রস্তুতি, লোকবল, সাংগঠনিক কাঠামো—সবকিছু ঘিরেই আজ নানা প্রশ্ন। আর এসব প্রশ্নের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন নাহিদ ইসলাম। সম্প্রতি জুলকারনাইন সাইর এক ফেসবুক পোস্টে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছেন, যা শুধু ইতিহাসের দায়ই নয়—ভবিষ্যতের জন্যও নির্দেশক।

তিনি লেখেন—

> “১. বিপ্লবের আগে ছাত্রশক্তির ঢাবি’তে লোকবল কত ছিলো?”

এই প্রশ্ন সরাসরি নিয়ে যায় ৫ আগস্টের পূর্ববর্তী সময়ের দিকে। যেদিন ছাত্রশক্তির ছোট ছোট সেল হঠাৎ করে বিস্ফোরণ ঘটায় ঢাবি’র রাজপথে। কিন্তু সেই বিস্ফোরণের জন্য প্রস্তুত অবস্থায় কতজন সদস্য ছিল? কী ছিল কোর টিমের অবস্থা? এই প্রশ্ন আজও অমীমাংসিত।

> “২. দেশের অন্য কোন-কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে তাদের কমিটি ছিল?”

বিপ্লব ঢাবি কেন্দ্রিক হলেও অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়—চট্টগ্রাম, রাজশাহী, জাহাঙ্গীরনগর, খুলনা এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রশক্তির পূর্ণাঙ্গ কমিটি কি আদৌ ছিল? নাকি তা ছিল কয়েকজন প্রতিনিধি বা ‘ভোকাল’ কর্মীর উপর নির্ভরশীল?

> “৩. বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয়কদের নাহিদ ইসলাম ৫ ই আগস্টের পূর্বে চিনতো কিনা?”

প্রশ্নটি জটিল। নাহিদ ইসলামের প্রভাব-প্রতিপত্তি এবং ফেসবুক পোস্ট-ভিত্তিক একক নেতৃত্ব নিয়ে আগে থেকেই অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন। তাহলে কি তিনি আগে থেকেই ছিলেন একেকটি বিশ্ববিদ্যালয় টিমের ‘চেনা অচেনা’ নেতা? নাকি ৫ আগস্টের পরে নিজের ভূমিকাকে বড় করে দেখানোর প্রয়াসে ইতিহাস পুনর্লিখনের চেষ্টা করছেন?

> “৪. কেবল মাত্র ছাত্র শক্তির বিপ্লব সংগঠিত করার মতো সাংগঠনিক কাঠামো ছিলো কিনা?”

একক নেতৃত্বহীন, কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত ছাড়াই সংগঠিত হওয়া আন্দোলন হয়ত সফল হয়েছে ‘স্ট্র্যাটেজিক সারপ্রাইজে’, কিন্তু তা কী টেকসই? ছাত্রশক্তির নিজস্ব কোন সাংগঠনিক ম্যাট্রিক্স, কমান্ড চেইন ছিল না বলেই কি পরে দলছুট হতে হয়েছে বহু ত্যাগী কর্মীকে?

> “৫. গুটিকয়েক সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী না জানালে সাদেক কায়েমের অবদানের কথা নাহিদ ইসলামরা জাতিকে জানাতেন কিনা?”

এই প্রশ্নের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ইতিহাস চুরি ও শ্রেয়তা নিয়ে রাজনীতি। সাদেক কায়েম, যিনি এই আন্দোলনের অন্যতম ‘স্পাইনাল কোর’ হিসেবে কাজ করেছিলেন, তাঁর নাম এবং অবদান অনেকটা নীরবে বাতিল করার প্রয়াস নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। জুলকারনাইন প্রশ্ন তুলেছেন, “নাহিদদের মনে কি এতটুকু কৃতজ্ঞতা নেই?”

রিয়াদ বিতর্কে সাইরের সাফ ব্যাখ্যা
পোস্টের একেবারে শেষাংশে এসে জুলকারনাইন সাইর বলেন—

> “নাহিদ ইসলাম, আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি, আমি বৈষম্য বিরোধী চাঁদাবাজ রিয়াদকে কোনো রকমের সার্ভেলেন্সে রাখিনি। আর সে চাঁদা আনতে গিয়ে যে সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে, সেটি লাগানোতেও আমার কোন ভূমিকা নাই।”

তিনি স্পষ্ট জানান—রিয়াদ তার পরিচিত নন, বরং তার গ্রেফতারের নেপথ্যে কারা, কিভাবে, কেন জড়িত তা ভালো জানেন নাহিদ ইসলাম নিজেই।

> “রিয়াদ যে আপনার শেল্টারে ছিল সেটা আমি জানতাম না। পরে জানতে পারলাম, আপনার ও আপনার বাবার সাথে তাঁর ঘনিষ্ঠতার কথা।”

এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লাইন:

> “চাঁদাবাজি করতে গিয়ে গ্রেফতার রিয়াদকে পাকড়াও করার ঘটনায় আমার কোন হাত নাই।”

সাইরের পোস্ট নতুন করে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে ছাত্রশক্তির আসল কাঠামো, নেতৃত্বের প্রকৃতি এবং আন্দোলনের পরবর্তী দিকনির্দেশনা নিয়ে। এসব প্রশ্নের উত্তর না দিলে, ইতিহাসের দায় ঘিরেই ভবিষ্যতে বড় সংকট তৈরি হতে পারে—এমনটিই মত বিশ্লেষকদের।

নাহিদ ইসলামদের পক্ষ থেকে এখনো পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক জবাব আসেনি।

সূত্র: জুলকারনাইন সাইরের ব্যক্তিগত ফেসবুক পোস্ট


More News Of This Category
bdit.com.bd